১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭ ১২:৩৪ পিএম

হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি ও করণীয়

হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি ও করণীয়

হৃৎপিণ্ডের নিজস্ব রক্তসঞ্চালনকারী ধমনির নাম করোনারি ধমনি। চর্বি জমে এসব ধমনি সরু হয়ে যায়। ফলে হৃৎপিণ্ডের মাংসপেশিগুলো পর্যাপ্ত রক্তপ্রবাহ পায় না। এ অবস্থাকে বলে করোনারি ধমনির রোগ। হৃৎপিণ্ডের রক্ত সরবরাহ একেবারে বন্ধ হয়ে গেলে হার্ট অ্যাটাক হয়।

রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল বেশি থাকলে, রক্তচাপ বেশি থাকলে, অলস জীবনযাপন করলে করোনারি ধমনির রোগ হয়। শরীরে দুই ধরনের কোলেস্টেরল থাকে। একটি হলো ভালো কোলেস্টেরল বা এইচডিএল; যা শরীরকে ভালো রাখতে প্রয়োজন পড়ে।

আর দ্বিতীয়টি হলো খারাপ কোলেস্টেরল বা এলডিএল। এটিই শরীরের জন্য ক্ষতিকর এবং হার্ট অ্যাটাকের জন্য দায়ী। ৪০ বছরের বেশি বয়সের লোকদের উচিত রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমিয়ে রাখা। তা না হলে যেকোনো সময় হার্ট অ্যাটাক হতে পারে।

রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমাতে নিয়মিত আমলা, কমলালেবুর রস, অ্যাপেল সিডার ভিনেগার ও বাদাম খাওয়া যেতে পারে। এক গ্লাস গরম পানিতে এক চামচ আমলা পাউডার মিশিয়ে নিয়মিত খালি পেটে পান করলে রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ ধীরে ধীরে কমতে থাকে।

দিনে দু-তিনবার কমলালেবুর রসও খাওয়া যেতে পারে। কারণ কমলালেবুর রসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি এবং ফ্লেবোনয়েড, যা শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। এক গ্লাস পানিতে এক চামচ অ্যাপেল সিডার ভিনিগার মিশিয়ে দিনে দু’বার পান করলেও খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে রাখা যায়।

রক্তে কোলেস্টেরল কমাতে আখরোট, কাজুবাদাম ও ওটস্ বেশ কাজ করে। কারণ এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে, যা খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। তবে বেশি বাদাম নয়, অল্প অল্প করে বাদাম খেলে বেশি উপকার পাওয়া যায়। 

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
বেশিদিন ওমিপ্রাজল খেলে হাড় ক্ষয়ের ঝুঁকি বাড়ে 
কিডনি পাথরের ঝুঁকি বাড়ায় নিয়মিত অ্যান্টাসিড সেবন 

বেশিদিন ওমিপ্রাজল খেলে হাড় ক্ষয়ের ঝুঁকি বাড়ে