১১ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭ ১২:৩১ পিএম

টেকনোলজিস্টদের প্র্যাকটিসের অনুমতির রায়ে সংক্ষুব্ধ ডেন্টাল সার্জনরা

টেকনোলজিস্টদের প্র্যাকটিসের অনুমতির রায়ে সংক্ষুব্ধ ডেন্টাল সার্জনরা

টেকনোলজিস্টদের প্র্যাকটিসের অনুমতির অনভিপ্রেত রায়ে সংক্ষুব্ধ কুমিল্লা ডেন্টাল সার্জনদের সম্মিলনী ২০১৭ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার ডেন্টাল সার্জনস ফোরাম কুমিল্লার আয়োজনে এ সম্মিলনীর উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ ডেন্টাল সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কাশেম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ আধ্যাপক ডা. মো. মহসিনুজ্জামান চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন কুমিল্লা বিএমএ’র সভাপতি ডা. আব্দুল বাকী আনিস, সহ-সভাপতি ডা. মো. মজিবুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. আতাউর রহমান জসীম সহ অন্যান্যরা। 

এতে সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা ডেন্টাল সার্জন’স ফোরাম এর সভাপতি ডা. মো. বদরুল আলম। 

অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা বাংলাদেশ ডেন্টাল সোসাইটির সম্মানিত মহাসচিব ডা: হুমায়ূন কবির বুলবুল স্যার বলেন সহকারী অ্যার্টনি জেনারেল বললেন, 'কী করার আছে আমি তো মেডিকেল সায়েন্সের এসব বিষয় কিছু বুঝি না'।

এ কারণে তারা একটা রায় এক তরফা ভাবে দিয়ে গেছেন। সে রায়ে জাজ সাহেব লিখেছেন কোন oppose তারা পান নাই। আমরা যদি বিবাদী পক্ষ হতাম তাহলে এরকম পরিস্হিতি কখনোই তৈরি হতোনা। আমরা এইটা আমাদের দায়িত্ব হিসেবে নিয়েছি।

বাংলাদেশ ডেন্টাল সোসাইটি ম্যান্ডেড প্রাপ্তির পর ২০১৫ সালের জুলাই থেকে যে ভাবে কাজ চালিয়ে আসছিল প্রফেশনের সব সমস্যা কে এড্রেস করে,আমরা যদি বিবাদী পক্ষ হতাম হয়তোবা এরকম পরিস্থিতি তৈরি হতো না।

আমরা বিষয় টাকে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে নিয়েছি,গতকাল আমরা হাইকোর্টে এফিডেভিড করেছি বিবাদী পক্ষ হবার জন্য,আমরা এক সপ্তাহ সময় নিয়েছি, আগামী রবিবার রায়ের তারিখ, পাশাপাশি আমরা সরকারী রাষ্ট্রযন্ত্র কে বাধ্য করেছি যে আপনাদের জবাব দিতে হবে ,পক্ষ নিতে হবে।

গতকাল ডি.জি হেলথ পক্ষ নিয়েছে এবং তারাও পক্ষ নিয়েছে, এভাবে আমরা নিজদের অবস্থান পরিষ্কার করেছি। এই রবিবার আমাদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ, ডিপ্লোমাদের এসব বিষয়ে আমরা অত্যন্ত আস্হার সাথে কাজ করছি। যেহেতু আইন কানুনের বিষয় সেহেতু রাতারাতি পরিবর্তন আসবে না, সময় লাগবে এবং আইনগত প্রক্রিয়া মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের আগের জায়গায় ফিরে যাব।

অত্যন্ত দুর্ভাগ্য যে রাষ্ট্রযন্ত্র এভাবে ঘুমিয়ে থাকলে চিকিৎসা খাতে যে নৈরাজ্য দেখা দিবে তা শুধু ডেন্টাল প্রফেশনকেই নয় পুরো মেডিকেলের সামগ্রিক ব্যবস্থাকে ক্ষতির মুখে ফেলে দিবে। মেডিকেলে বিভিন্ন ডিসিপ্লিনারী বিষয় রয়েছে এবং তারা ও এটার সুযোগ নিতে চাইবে।

আমরা ঐক্যবদ্ধ, ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করছি, কোর্টে যাচ্ছি। আমরা ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ কে অবহিত করেছি। আমরা মনে করি ষোল কোটি মানুষ স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ে এমন কোন রায় সম্মানিত আদালত দিতে পারে না।

যদিও এক তরফা রায় বলে আমরা আদালতের নিকট বিণীত শ্রদ্ধা রেখেয় বলছি আপনাদের বুঝতে হবে ষোল কোটি মানুষের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায় সরকারের, সরকার পক্ষ যদি সেখানে উপস্থিত না হয় সেখানে শুভবন্ধু হিসাবে চিকিৎসকদের আপনারা ডাকতে পারতেন, মানুষের জন্য হিতকর এমন একটা রায় আপনারা দিতে পারতেন।

আমরা আপনাদের বলতে চাই যত রকমের লড়াই দরকার আমরা করে যাব, স্বাস্থ্য খাতকে আমরা ব্যহত হতে দিব না, এই খাতের কোনরূপ ক্ষতি আমরা হতে দিব না।

করোনা ও বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা

এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক

এক বছর প্রয়োগ হবে সেনা সদস্যদের দেহে

চীনে করোনার প্রথম ভ্যাকসিন অনুমোদন

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত