০৮ জানুয়ারী, ২০১৭ ০৯:১৩ এএম

অভিজ্ঞতা থেকে বলতেছি

অভিজ্ঞতা থেকে বলতেছি

পার্ট- 1 হয় না, রেসিডেন্সি হয় না, তাই বলে ডাক্তারি ছাইড়া দেয়া যাবে না। কারন এর শেষ দেখতেই হবে।  অল্টারনেটিভ হিসেবে বিসিএস এর চিন্তা করে অনেকেই। বিসিএস করে গ্রামে পড়ে থাকলেও ভালো ভাবেই বাঁচা যাবে।

মেডিকেল সাইন্সের ভাষা নরমাল ইংলিশ সাথেই মিলে না। সেই রকম ল্যাটিন ও গ্রিক সমৃদ্ধ মহাসাগর পাড় হয়েই হাপাই যায় বেশীর ভাগ মেডিকেল স্টুডেন্ট। তবুও ব্যারিয়ার বাদ দিয়া ক্যারিয়ারের কথা ভাইবা ঝাপাই পড়ে লুইপাদ, ভুসুকুপাদ, কাহ্নপাদ, কুক্কুরিপাদের জীবনী লইয়া। সাথে বান্দর উঠা নামার অংক।

বেতন স্কেল বাড়ছে। বিসিএস এ ঢুকার সাথে সাথেই বাঁচার জন্য ভালো জীবিকা নিশ্চিত। আর ডিউটি প্রেশার কম হলে বিসিএস এ আরামের শেষ নাই। সাথে সাথে Exposure হিসেবে পাবেন নিত্য নতুন ধরনের পেশেন্ট দেখার সুযোগ। সরকারী ডাক্তার হিসেবে চেম্বারে নামের সাথে বিসিএস জুড়লে কেউ কিছু কয় না। কিন্তু আমাগো মত পোস্ট গ্রাজুয়েশনের ভাঙ্গা ডিগ্রী লিখাও মানে না। কিন্তু সরকার যদি জানত পার্ট ওয়ান করতে কি পাদানি বের হয়। কতবার বইয়ের আগা গোড়া উদ্ধার করা লাগে।

বিসিএস পরীক্ষা দিয়ে ট্র্যাক হারাইয়া পিজির পথে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে ডাবল হোচট খাওয়ার সংখ্যা কিন্তু এদেশে অনেক।

বিসিএস হইয়া গেলে ট্রেইনিং পোস্ট নিয়া আপনার জীবন তেজপাতা করে দিবে। আবার, দেখা যাবে আপনার এফসিপিএস/এমডি কমপ্লিট কইরা জয়েন করার জায়গা নাই। বাধ্য হইয়া সার্জন এনাটমি এর লেকচারার, এমডি পাশ কইরা ফিজিওলজি লেকচারার পদে পোস্ট নিয়া রাজধানীতে থাকা লাগে।

তবে যে যাই বলুক- বিসিএস না হইলে Varieties পেশেন্ট দেখার সুবর্ণ চান্স মিস হবে। বিশেষ করে সার্জনদের হাত পাকানোর জন্য সরকারী হাসপাতাল অতুলনীয়। আর মেডিসিনের রিসার্চের জন্যও। নিজের খাচ অভিজ্ঞতা থেকে বলতেছি। 

 

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
ডাক্তার-নার্সদের অক্লান্ত পরিশ্রমের কথা মিডিয়ায় আসে না
জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটের সিসিউতে ভয়ানক কয়েক ঘন্টা

ডাক্তার-নার্সদের অক্লান্ত পরিশ্রমের কথা মিডিয়ায় আসে না