ঢাকা      শনিবার ১৭, অগাস্ট ২০১৯ - ২, ভাদ্র, ১৪২৬ - হিজরী

শেবাচিম হাসপাতাল

চিকিৎসক ১৪৮ পদের ৮২টি শূন্য

বরিশাল শেরেবাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের চিকিৎসক ১৪৮ পদের ৮২টি শূন্য রয়েছে। একদিকে শয্যাসংখ্যার চেয়ে বেশি রোগী ভর্তি, অন্যদিকে চিকিৎসক সংকট।

ফলে রোগীদের সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন কর্মরত চিকিৎসকরা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন সময় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং অধিদপ্তরে লিখিত আবেদন পাঠানো হলেও কোনো সমাধান হয়নি।  

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, শেরেবাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৫০০ শয্যা রয়েছে। প্রতিদিন প্রায় দুই হাজারের বেশি রোগী ভর্তি থাকে। এ ছাড়া বহির্বিভাগে কয়েক হাজার রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। কিন্তু হাসপাতাল ও কলেজের জন্য সৃষ্ট চিকিৎসক পদের অর্ধেকেরও কম চিকিৎসক রয়েছেন। এতে রোগীদের সেবা ও শিক্ষার্থীদের পাঠদান মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

জানা যায়, নিউরো সার্জারি বিভাগের জন্য দুটি পদ রয়েছে। এর আগে ডা. সুকৃতি দাস একমাত্র চিকিৎসক ছিলেন। তবে ২০০৮ সালের প্রথম দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তাঁকে বদলি করা হয়। সেই থেকে নতুন করে আর কোনো চিকিৎসক দেওয়া হয়নি।

একই অবস্থা শিশু হেমাটোলজি ও কমিউনিটি মেডিসিন, স্পাইন সার্জারি ও অর্থোপ্লাস্টিক এবং ওনেটোলজি বিভাগগুলোর। এ ছাড়া অর্থোপেডিক, ট্রামাটোলজি, রেসপিরেটরি  মেডিসিনসহ বিভিন্ন বিভাগে অধ্যাপক, সহকারী অধ্যাপকসহ ৮২টি পদ শূন্য রয়েছে। শেবাচিম সূত্র জানায়, হাসপাতালের স্পাইন সার্জারি ও অর্থোপ্লাস্টিক, রক্ত পরিসঞ্চালন, নিউরো সার্জারি, ওনেটোলজি বিভাগের দুটি করে পদ শূন্য রয়েছে। কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগ ও শিশু হেমাটোলজি বিভাগে রয়েছে একটি করে।

শূন্যপদের মধ্যে রয়েছে অ্যানাটমি বিভাগের দুটি, ফিজিওলজির চারটি, বায়োকেমিস্ট্রি বিভাগের দুটি, ফার্মাকোলজি বিভাগের তিনটি, ফরেনসিক বিভাগের তিনটি, প্যাথলজি বিভাগের তিনটি, কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের একটি, মেডিসিন বিভাগের ১২টি, ফিজিক্যাল মেডিসিন বিভাগের দুটি, শিশু বিভাগের তিনটি, কার্ডিওলজি বিভাগের দুটি, সার্জারি বিভাগের চারটি, নিউরো মেডিসিন বিভাগের দুটি, গাইনি বিভাগের অ্যানেসথেসিয়ার সাতটি পদ।

মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. ভাস্কর সাহা বলেন, ‘কলেজের অধ্যাপক সহকারী ও সহযোগী অধ্যাপকের শূন্যপদ পূরণের জন্য প্রতি মাসেই প্রতিবেদন পাঠানো হয়। কিন্তু দেশব্যাপী চিকিৎসক সংকটের কারণে কার্যকর ফলাফল পাচ্ছি না। ’

শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক এস এম সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতি মাসেই শূন্যপদ পূরণের জন্য লিখিত আকারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি পাঠানো হয়; কিন্তু তেমন কোনো সুফল পাচ্ছি না। ’

 

সৌজন্যেঃ কালের কন্ঠ

সংবাদটি শেয়ার করুন:

 


জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

ডা. রেজাউল ইসলাম রেজা আর নেই

ডা. রেজাউল ইসলাম রেজা আর নেই

মেডিভয়েস রিপোর্ট: শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজের অপথালমোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক…

ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেলের ডা. নাঈম আর নেই

ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেলের ডা. নাঈম আর নেই

মেডিভয়েস রিপোর্ট: ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের ফিজিওলজি বিভাগের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ডা. মোহাম্মদ…

ফার্মেসি ব্যবসায়ীর পছন্দের ওষুধ না লেখায় চিকিৎসক লাঞ্ছিত

ফার্মেসি ব্যবসায়ীর পছন্দের ওষুধ না লেখায় চিকিৎসক লাঞ্ছিত

মেডিভয়েস রিপোর্ট: কর্মক্ষেত্রে চিকিৎসক লাঞ্ছিত যেন স্বাভাবিক বিষয়ে পরিণত হয়েছে। প্রতিনিয়তই হামলার…

ডেঙ্গু প্রতিরোধে রাজধানীতে এসে ডেঙ্গুতেই প্রাণ গেল স্বাস্থ্য সহকারীর

ডেঙ্গু প্রতিরোধে রাজধানীতে এসে ডেঙ্গুতেই প্রাণ গেল স্বাস্থ্য সহকারীর

মেডিভয়েস রিপোর্ট: ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারি আদেশে ঢাকা এসে ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন…

চিকিৎসকদের জন্য বিদেশে উচ্চ শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

চিকিৎসকদের জন্য বিদেশে উচ্চ শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

মেডিভয়েস ডেস্ক: দেশের চিকিৎসা সেবাকে এগিয়ে নিতে সরকার সবধরনের উদ্যোগ নেবে বলে…

চট্টগ্রাম ন্যাশনাল হসপিটালের ডা. মুহাম্মদ রফিক আর নেই

চট্টগ্রাম ন্যাশনাল হসপিটালের ডা. মুহাম্মদ রফিক আর নেই

মেডিভয়েস রিপোর্ট: প্রিয়জনদের সাথে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করা হলো না ডা.…

আরো সংবাদ














জনপ্রিয় বিষয় সমূহ:

দুর্যোগ অধ্যাপক সায়েন্টিস্ট রিভিউ সাক্ষাৎকার মানসিক স্বাস্থ্য মেধাবী নিউরন বিএসএমএমইউ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢামেক গবেষণা ফার্মাসিউটিক্যালস স্বাস্থ্য অধিদপ্তর