০৪ ডিসেম্বর, ২০২২ ০৭:৫৩ পিএম

‘পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও মশক নিধনে অবহেলা পেলে কঠোর ব্যবস্থা’

‘পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও মশক নিধনে অবহেলা পেলে কঠোর ব্যবস্থা’
বর্জ্য বিভাগকে প্রতিদিন ড্রেন, খাল, নালা ও জলাশয় পরিষ্কার করে ছবি তুলে সেগুলোর প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন মেয়র।

মেডিভয়েস রিপোর্ট: পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও মশক নিধনে কর্মীদের অবহেলা পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার হুশিয়ারি দিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।

আজ রোববার (০৪ ডিসেম্বর) ডিএনসিসির নগর ভবনে শুষ্ক মৌসুমে মশার প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে করনীয় বিষয়ক এক সমন্বয় সভায় মেয়র এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও মশক নিধন কার্যক্রমের সাথে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরও তৎপর হতে হবে। বিশেষ করে পরিচ্ছন্নতা পরিদর্শকদের প্রতিটি এলাকা পরিদর্শন করে কোন কোন ড্রেনে ময়লা বেশি তার তালিকা তৈরি করতে হবে। কোন কোন ড্রেনে ও নালায় কচুরিপানা ও অন্যান্য ময়লা বেশি সেগুলো চিহ্নিত করে নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। মাঠে কাজের ক্ষেত্রে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও মশক নিধন কার্যক্রমে কর্মীদের অবহেলা পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘দশটি অঞ্চলে আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে কাউন্সিলরদের অন্তর্ভুক্ত করে সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগের কর্মকর্তাগণের সমন্বয়ে একটি সমন্বিত মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা কমিটি গঠন করে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। ৫টি ওয়ার্ডে প্রাথমিকভাবে ক্র‍্যাশ প্রোগ্রাম শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে পুরো এলাকায় এই সমন্বিত কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।’

ডিএনসিসি মেয়র বলেন, ‘বর্জ্য বিভাগ প্রতিটি এলাকার ড্রেন, খাল, নালা ও জলাশয় নিয়মিত পরিষ্কার করবে এবং তাদের সাথে সমন্বয় করে স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করবে। কোন খাল, নালা ও জলাশয়ে কচুরিপানা জমতে দেয়া যাবে না। প্রতিদিন পরিষ্কার করে ছবি তুলে সেগুলোর প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।’

সমন্বয় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জোবায়দুর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ আমিরুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর এস এম শরিফ-উল ইসলাম ও সচিব মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক। এছাড়া সমন্বয় সভায় আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, অতিরিক্ত প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা, নির্বাহী প্রকৌশলী, ঊর্ধ্বতন কটি নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা, সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, সহকারী প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা, পরিছন্ন কর্মকর্তা, পরিছন্ন পরিদর্শক ও মশক সুপারভাইজারগণ অংশগ্রহণ করেন। 

সমন্বয় সভায় ডিএনসিসির আওতাধীন এলাকায় মশার বর্তমান পরিস্থিতি এবং মশা নিধনে করনীয় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এসময় ডিএনসিসি মেয়র আগামী ৭ ডিসেম্বর হতে ১৫ দিনের জন্য পাঁচটি ওয়ার্ডে (ওয়ার্ড নং ০১, ১৭, ৪৯, ৫০ ও ৫২) মশার প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে সব বিভাগের সমন্বিত ক্র‍্যাশ প্রোগ্রাম পরিচালনার নির্দেশ দেন।

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি
জাতীয় ওষুধনীতি-২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন

নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি