২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ০৬:১২ পিএম

১৪ বছরে অস্ত্রোপচারে প্রসব বেড়েছে ৮ গুণ

১৪ বছরে অস্ত্রোপচারে প্রসব বেড়েছে ৮ গুণ
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০৪ সালে গ্রামে যেখানে সিজারের মাধ্যমে সন্তান প্রসবের হার ছিল ২ শতাংশ, ২০১৮ সাল শেষে তা ২৯ শতাংশে পৌঁছেছে। সারা দেশে এই হার ২০০৪ সালে ৩ দশমিক ৯৯ শতাংশ হলেও ২০১৮ সালে সি-সেকশনের হার বেড়ে হয়  ৩৩ দশমিক ২২ শতাংশ।

মেডিভয়েস রিপোর্ট: দেশে দ্রুত হারে বাড়ছে অস্ত্রোপচারে শিশুর জন্ম। ১৪ বছরে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে শিশুর জন্ম (সিজারিয়ান সেকশন বা সি–সেকশন) বেড়েছে ৮ গুণের বেশি। এর মধ্যে বেশির ভাগ সি–সেকশন হচ্ছে অপ্রয়োজনীয়। হাসপাতালে স্বাভাবিক প্রসবে যা খরচ হচ্ছে, তার চেয়ে চার গুণ বেশি খরচ হচ্ছে সি–সেকশনে।

বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস) সি–সেকশন নিয়ে গবেষণা প্রতিবেদন তুলে ধরে এ তথ্য জানায়। সি–সেকশনের উচ্চ হার কমিয়ে আনতে জাতীয় পর্যায়ে যথাযথ পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা নেওয়া ও বাস্তবায়নের সুপারিশ করা হয় প্রতিবেদনে। সেমিনারে এই গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন বিআইডিএসের গবেষক ড. আব্দুর রাজ্জাক।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০৪ সালে গ্রামে যেখানে সিজারের মাধ্যমে সন্তান প্রসবের হার ছিল ২ শতাংশ, ২০১৮ সাল শেষে তা ২৯ শতাংশে পৌঁছেছে। সারা দেশে এই হার ২০০৪ সালে ৩ দশমিক ৯৯ শতাংশ হলেও ২০১৮ সালে সি-সেকশনের হার বেড়ে হয়  ৩৩ দশমিক ২২ শতাংশ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার স্বাস্থ্য নির্দেশনা অনুসারে, সি-সেকশনের গ্রহণযোগ্য হার হচ্ছে ১৫ শতাংশ। স্বাভাবিক প্রসবে স্বাস্থ্য ঝুঁকি রয়েছে বা এড়ানো অসম্ভব এমন ক্ষেত্রেই সি-সেকশনের পরামর্শ দেওয়া যেতে পারে।

প্রতিবেদন আরও বলা হয়, দেশে সরকারি হাসপাতালে সিজারের হার কমে আসলেও বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকে তা বাড়ছে। বেসরকারি হাসপাতালে পরিবারের গড় ব্যয় করতে হচ্ছে ২১ হাজার ৫০০ টাকা। সেখানে সরকারি হাসপাতালে খরচ হচ্ছে ১৩ হাজার ৬২২ টাকা।

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  ঘটনা প্রবাহ : সিজার
  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি
জাতীয় ওষুধনীতি-২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন

নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি