২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ০৬:২১ পিএম

৩ অক্টোবরের মধ্যে ১ম ও ২য় ডোজ নেওয়ার আহ্বান

৩ অক্টোবরের মধ্যে ১ম ও ২য় ডোজ নেওয়ার আহ্বান
প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত করোনা টিকার বিশেষ ক্যাম্পেইন চলবে। 

মেডিভয়েস রিপোর্ট: আগামী ৩ অক্টোবরের মধ্যে প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ টিকা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম।

আজ বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নতুন সভাকক্ষে আয়োজিত ভ্যাকসিন ক্যাম্পেইন বিষয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

অধ্যাপক ডা. খুরশীদ আলম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত করোনা টিকার বিশেষ ক্যাম্পেইন চলবে। এখনও যারা প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ টিকা নেওয়ার বাকি আছে তাদের জন্য এই বিশেষ ক্যাম্পেইন। ৩ অক্টোবরের পর আর আমরা টিকা দিতে সক্ষম হবো না। এরপর টিকার মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে। তবে বুস্টার ডোজের কার্যক্রম চলবে।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনকে কেন্দ্র করে আমাদের এই ঝরে পড়া বা বাদ দেওয়া মানুষ এবং বুস্টার ডোজ বাদ দেওয়া যারা বাকি রয়েছে সামগ্রিকভাবে এই ভ্যাকসিনের আওতায় আনতে সক্ষম হবো। আমাদের কাছে পর্যাপ্ত টিকা রয়েছে, যারা এখনো টিকা নেননি তারা নিয়ে নিবেন। এতে নিজে সুরক্ষিত থাকবেন, পাশাপাশি পরিবার, সমাজ ও দেশকে সুরক্ষিত রাখবেন।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ৯৭ শতাংশ জনসংখ্যাকে প্রথম ডোজ এবং ৯০ শতাংশকে দ্বিতীয় ডোজ দিয়ে লক্ষ্য অর্জন করেছি। অবশিষ্ট ভ্যাকসিনের মেয়াদ শীঘ্রই শেষ হয়ে যাবে।’

স্বাস্থ্যের ডিজি বলেন, ‘কোভিড-১৯ প্রতিরোধে মোট জনসংখ্যার ৭০ শতাংশকে তিনটি ডোজ দিয়ে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য ছিল সরকারের। ইতোমধ্যে জনসংখ্যার প্রায় ৪১ শতাংশ প্রত্যেকে বুস্টার ডোজ পেয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘করোনায় মৃত্যুর হার অনেক কমে গেছে, ভ্যাকসিন দেওয়ার কারণে এটি সম্ভব হয়েছে। কোভিড সংক্রমণের হার প্রায় ১৫ শতাংশের উপরে বেড়ে গেছে। তাই আবারও সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পাশাপাশি যারা টিকা নেননি তাদের টিকা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।’

শিশুদের ভ্যাকসিন সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘৫ থেকে ১১ বছর শিশুদের চলমান ভ্যাকসিন আগামী ১১ অক্টোবর থেকে জেলা, উপজেলা পর্যায়ে শুরু হবে।’

চতুর্থ ডোজ টিকা দেওয়ার বিষয়ে অধ্যাপক ডা. খুরশীদ আলম বলেন, ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এখনো আমাদের চতুর্থ ডোজ টিকা দেওয়ার নির্দেশনা দেয়নি। কিন্তু অনেক দেশ তাদের নিজস্ব প্রটোকলে টিকা দিচ্ছে। আমরা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনার বাইরে যাইনি। এক্ষেত্রে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা যদি বলে, আমরা তখন সেটার ব্যবস্থা নিশ্চয়ই নিবো।’   

অ্যান্টিবডি সক্ষমতা নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘অ্যান্টিবডি সার্ভিল্যান্স স্টাডি এখনও চলমান রয়েছে। বিচ্ছিন্নভাবে কিছু কিছু স্যাম্পল দেখা হচ্ছে। আমাদের আইইডিসিআর এ লক্ষে কাজ করছে। তাদের কাছে আমাদের তথ্যও রয়েছে, কোন টিকা কতুটুকু, কীভাবে কতদিন পর্যন্ত তার লেভেলে কি কি অ্যান্টিবডি তৈরি করছে এবং অ্যান্টিবডিটা কেমন সময় সংরক্ষণ করছে? এ বিষয়ে আপডেটের তথ্যটা এখন দেওয়া সম্ভব নয়, তবে এটার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’ 

আজ বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবসের সমস্ত কার্যক্রম সারাদেশে চলছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রতি বছর ৫৯ হাজার মানুষ জলাতঙ্কে মারা যায়। বাংলাদেশ প্রায় চার লাখ বাচ্চা কুকুর কামড় দেয়। জলাতঙ্কে মৃত্যু প্রতিরোধ যোগ্য। প্রতিটা উপজেলা পর্যায়ে আমাদের পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন আছে।’

এ সময় নিকটস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গিয়ে জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি
জাতীয় ওষুধনীতি-২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন

নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি