ডা. বাহারুল আলম

ডা. বাহারুল আলম

প্রখ্যাত পেশাজীবী নেতা


১৭ ডিসেম্বর, ২০১৬ ০২:০৬ পিএম

ফরিদপুরের চিকিৎসকরা নীরব কেন ?

ফরিদপুরের চিকিৎসকরা নীরব কেন ?

‘মার’ খেয়ে নীরব থেকে দুঃখ প্রকাশ নয় 

ভুক্তভোগীরা প্রতিবাদে আন্দোলন করলেই অন্যরা যুক্ত হতে পারে।

“চিকিৎসক লাঞ্ছিত হলে চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যাবে”-- এ সিদ্ধান্ত পূর্বাহ্ণেই হয়ে থাকা একান্ত প্রয়োজন ।

 

ভুক্তভোগীরাই সর্বদা প্রতিকার ও প্রতিবাদে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।

ঘটনা ঘটার সাথে সাথেই ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকারে কর্মবিরতিতে চলে গেলে অপরাপর মেডিকেল কলেজ ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসকরা সমর্থন দিতে পারত। 

এ লাঞ্ছনা, অপমান সহ্য করে নীরব থাকা অর্থহীন। কেন্দ্রীয় বিএমএ নীরব থাকলেও খুলনাসহ অপরাপর বিএমএ হাসপাতাল ও কর্মস্থলে নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকারের দাবীতে ফরিদপুরের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করতে পারত।

ফরিদপুরের নিষ্ক্রিয়তা ও নীরবতা অন্যান্য এলাকার সন্ত্রাসীদের উৎসাহ যোগাবে।

‘মার’ খাওয়ার পরেও চিকিৎসা দেওয়ার ‘নির্লজ্জ মানসিকতা ও মানবিকতা’ যতদিন চিকিৎসকদের মধ্যে বিরাজ করবে, কর্মস্থলের নিরাপত্তার অধিকার ততদিন অর্জিত হবে না।

নিজেদের অধিকার নিজেদেরই আদায় করে নিতে হবে।

 

এখনও সময় আছে এ ঘটনায় ফরিদপুরের চিকিৎসকরা শুরু করলেই অন্যরা যোগ দিতে পারে।

আর মেনে নিয়ে চুপ থাকলে, অন্যদের কাপুরুষের মত দুঃখ প্রকাশ করা ছাড়া গত্যন্তর নাই।

যত দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিবাদে আসা যাবে, প্রতিকার তত দ্রুত পাওয়া যাবে।

 

হতাশ হওয়ার কিছু নেই , চিকিৎসকদের ঐক্যবদ্ধ শক্তির কাছে টিকে থাকার মত শক্তি পৃথিবীতে জন্মেনি।

কেবল প্রয়োজন ঐক্য, প্রত্যয় ও আত্মবিশ্বাস। নিজেদের দুর্বল ভাবা হীনমন্যতা ।

 

সংগ্রামী আহ্বান... বাঁধা দিলে বাধবে লড়াই, এ লড়াইয়ে জিততে হবে।

দীপ্ত-পায়ে এগিয়ে চলো... মুখাপেক্ষিতা পরিহার করো...

 

করোনা ও বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা

এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক

এক বছর প্রয়োগ হবে সেনা সদস্যদের দেহে

চীনে করোনার প্রথম ভ্যাকসিন অনুমোদন

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত