০৫ ডিসেম্বর, ২০১৬ ১২:৪৭ পিএম

ঝিনাইদহে প্রাইভেট হাসপাতালগুলো মানছে না সরকারি নিয়মনীতি

ঝিনাইদহে প্রাইভেট হাসপাতালগুলো মানছে না সরকারি নিয়মনীতি

ঝিনাইদহ জেলার বিভিন্ন স্থানে ব্যাঙের ছাতার মতো একের পর এক প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিক গড়ে উঠেছে। হাতে গোনা কয়েকটি ছাড়া এসব হাসপাতাল সরকারের নিয়মনীতির তোয়াক্কা করছে না। অপচিকিত্সায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ ওঠে মাঝে মধ্যে।

 

সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলায় ৯৬টি, মহেশপুর উপজেলায় ১৬টি,  শৈলকুপা উপজেলায় সাতটি, কালীগঞ্জ উপজেলায় ১৪টি, কোটচাঁদপুর উপজেলায় ২৭টি ও হরিণাকুন্ডু উপজেলায় ছয়টি প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিক আছে।

 

নিয়ম আছে হাসপাতালে সর্বক্ষণ পালাক্রমে ডিউটি করার জন্য তিনজন ডাক্তার, ছয়জন ডিপ্লোমা পাস করা নার্স ও ছয়জন প্রশিক্ষিত আয়া থাকতে হবে। হাতে গোনা কয়েকটি ছাড়া কোনো হাসপাতালে ডাক্তার ও নার্স নেই। থাকতে হবে এসিসহ যন্ত্রপাতিতে সজ্জিত অপারেশন থিয়েটার। অনেক হাসপাতালে তা নেই। নেই ইনকিউবেটর।

 

অভিযোগ রয়েছে, কর্তৃপক্ষ আইন অনুযায়ী হাসপাতাল পরিচালনা করছে না। অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায়—রোগী ভর্তির পর অপারেশনের প্রয়োজন হলে বাইরে থেকে ডাক্তার ভাড়া করে আনে। অপারেশনের আগে একজন অজ্ঞানকারী ডাক্তার রোগীকে অজ্ঞান করবেন এবং সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার অপারেশন করবেন।

 

কিন্তু সাধারণ এমবিবিএস পাস করা ডাক্তার স্পাইনাল কডে ইনজেকশন পুশ করে রোগীকে অজ্ঞান করেন। বিশেষজ্ঞ নন এমন ডাক্তাররা প্রসূতিদের সিজার অপারেশন করে যাচ্ছেন। ডাক্তাররা অপারেশন করে চলে যান। তারপর রোগীর চিকিত্সা দেন ভুয়া নার্স বা আয়া। 

 

সিভিল সার্জন আব্দুস সালাম জানান, হাতে গোনা দুই একটি ছাড়া কোনো প্রাইভেট হাসপাতাল সকল নিয়ম মেনে চালানো হচ্ছে না। লোকবল না থাকায় প্রাইভেট হাসপাতালগুলোতে যথাযথ পরিদর্শন সম্ভব হয় না। তবে আগের চেয়ে অপারেশন থিয়েটার ও ব্যবস্থাপনার উন্নতি হয়েছে বলে তিনি জানা

 

সৌজন্যে: দৈনিক কালের কন্ঠ

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি
জাতীয় ওষুধনীতি-২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন

নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি