২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০২:৫৮ পিএম

প্রেষণ সংকটে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত চিকিৎসকরা, সমাধান কোন পথে?

প্রেষণ সংকটে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত চিকিৎসকরা, সমাধান কোন পথে?
প্রতীকী ছবি

মো. মনির উদ্দিন: প্রেষণ নিয়ে উভয় সংকট রয়েছেন বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে উচ্চশিক্ষা কোর্সে অধ্যয়নরত সরকারি চিকিৎসকরা। নতুন নীতিমালায় নাম না থাকায় এসব প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত নবীন স্বাস্থ্য ক্যাডারগণ রয়েছেন কোর্স আউটের শঙ্কায়। তাই বর্তমান কিংবা সরকারি প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তর করে হলেও কোর্স সম্পন্ন করার সুযোগ চেয়েছেন তারা। এ বিষয়ে একাধিক পরামর্শ দিয়ে তারা বলেন, অসমাপ্ত কোর্স সম্পন্ন করার সুযোগ পেলে সরকারের সম্পদেই পরিণত হবেন নবীন এসব চিকিৎসক।

সূত্রে জানা গেছে, বিসিএস হওয়ার আগে বিভিন্ন পোস্ট গ্রাজুয়েশন কোর্সে ভর্তি হয়ে ২/৩ বছর পড়াশোনা করেন অনেক চিকিৎসক। এরই মধ্যে সাধনা ও সৌভাগ্যের চাকায় ভর করে সরকারি চাকরিতেও যোগ দেন কেউ কেউ। স্বাস্থ্য ক্যাডার হওয়ার আগে বেসরকারি ইনস্টিটিউটগুলোতে অধ্যয়নরত এসব চিকিৎসক—নির্দ্বিধায় ডেপুটেশন (প্রেষণ) সুবিধা ভোগ করতেন। সরকারি চাকরিতে যোগদানের পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যাল (বিএসএমএমইউ) অধিভুক্ত বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে কাজ ও পড়াশোনা চালিয়ে যেতেন অনায়াসে। এতো দিন ধরে এমনটিই চলে আসছে।

কিন্তু গত বছর থেকে এ ব্যাপারে ভিন্ন পথে হাঁটছে কর্তৃপক্ষ। কোনো রকম ঘোষণা ছাড়াই বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে উচ্চশিক্ষায় অধ্যয়নরত সরকারি চিকিৎসকদের ডেপুটেশন বন্ধ হয়ে যায়। জানা গেছে, গত সেপ্টেম্বর থেকে অনেক চেষ্টার পরও এসব চিকিৎসকদের কেউ কেউ এই প্রেষণ পাননি। ঢাকা মেডিকেল, সোহরাওয়ার্দী ও সলিমুল্লাহসহ সরকারি ইনস্টিটিউটগুলোতে অধ্যয়নরতদের ডেপুটেশনে সমস্যা না হলেও বেসরকারি ইনস্টিটিউটে চান্সপ্রাপ্তদের ডেপুটেশনে দেখা দিয়েছে এ জটিলতা।

সরকারি কর্মীদের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সেবা নয়

এ ক্ষেত্রে সরকারের বক্তব্য হলো,রাষ্ট্রের বেতনভুক্ত চিকিৎসক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সেবা দেবে—এতে সরকারের ফায়দা কী? আর চিন্তা থেকেই বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে সরকারি চিকিৎসকদের প্রেষণ সুযোগ বন্ধ করে দেয় সরকার। 

এ কারণে বেসরকারি ইনস্টিটিউটে অধ্যয়নরত নবীন স্বাস্থ্য ক্যাডাররা পড়েছেন উভয় সংকটে।

এ প্রসঙ্গে বারডেমে ২০১৮ সেশনে অ্যানেস্থেশিওলজিতে ভর্তি হওয়া ডা. নাজমুল হক ঋমু মেডিভয়েসকে বলেন, ‘ডেপুটেশন নীতিমালায় স্পষ্ট উল্লেখ আছে, শিক্ষার্থী যদি বেসরকারি প্রার্থী হিসেবে কোর্সে থাকেন, তাহলে যতটুকু সম্পন্ন করেছেন, সরকারি চাকরিতে যোগদানের পর বাকিটুকু শেষ করবেন। কিন্তু নতুন ডেপুটেশন নীতিমালার কারণে আমরা পারছি না। আমাদেরকে বলা হচ্ছে, আপনারা সরকারি চাকরিজীবী, আপনারা বেসরকারিতে সেবা দেবেন কেন? এটা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সেবা দেওয়ার বিষয় না, বরং এটা শিক্ষা গ্রহণ। এটা সাংবিধানিক অধিকার। সেবা আমি সরকারি প্রতিষ্ঠানেই দেবো, শিক্ষার বাকি অংশটা সমাপ্ত করে। এতো দিন এটাই হয়ে আসছিল।’

কোর্সআউটের ঝুঁকিতে আড়াই শতাধিক শিক্ষার্থী

জানতে চাইলে ডা. নাজমুল হক বলেন, ‘২০১৯ সালে ৩৯তম বিসিএসের মাধ্যমে সরকারি চাকরিতে যোগ দিই। সরকারি চাকরিবিধি অনুযায়ী, উপজেলায় পদায়ন করা হয়। তখন বারডেম থেকে ছুটি নিই। কোর্সে ফেরার জন্য শর্ত ছিল, এক বছর পরই চলে আসা যাবে। অন্যদের বেলায় দুই বছর হলেও বেসিক ও অ্যানেস্থিশিয়ার জন্য কোর্সে ফেরার নিয়মটি শিথিল ছিল। সে অনুযায়ী, কোর্সে ফেরার জন্য গত বছরের ২১ নভেম্বর স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরে আবেদন করি। চলতি বছরের দুই মার্চ আবেদন নামঞ্জুর হয়—এই বলে যে, বারডেম হাসপাতাল ডেপুটেশন নীতিমালায় নাই। স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. এ কে এম আমিরুল মোরশেদ খসরু স্যারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি আমাদের আশ্বস্ত করেন এবং কয়েকজন ডেপুটেশন পানও। কিন্তু ডিপ্লোমা-এমফিলের একজনও পাননি। ওই সময় হাতেগোণা কয়েকজন বেসরকারি রেসিডেন্ট ডেপুটেশন পান। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে পোস্ট গ্রাজুয়েশন কোর্সে অধ্যয়নরত আড়াই শতাধিক শিক্ষার্থী এখনো পাচ্ছেন না।’

তিনি বলেন, ‘২০১৯ সালের ৮ ডিসেম্বর সরকারি চাকরিতে যোগদান করি। ওই দিন থেকে আমাদের কোর্স থেকে ছুটি নেওয়া আছে। বিএসএমএমইউর অধীনেই এসব কোর্স পরিচালিত হচ্ছে। বিএসএমএমইউ থেকে তিন বছর পর্যন্ত ছুটি মঞ্জুর করে। সে হিসাবে ২০২২ সালের ৮ ডিসেম্বর আমাদের ছুটি শেষ হয়ে যাবে। এর মধ্যে কর্তৃপক্ষ আমাদের ডেপুটেশন গ্রহণ না করেন, আগামী ৯ ডিসেম্বর স্বয়ংক্রিয়ভাবে আমরা কোর্স থেকে বাদ পড়ে যাবো।’

পোস্ট গ্রাজুয়েশনে ভর্তি ফি চার লাখ টাকা 

পোস্ট গ্রাজুয়েশন বিভিন্ন কোর্সে ভর্তি হতে ৫০ হাজার টাকা লাগে। অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে শিক্ষার্থীদের চার লাখ টাকা পর্যন্ত ফি দিতে হয়। এতো টাকা ব্যয় এবং ব্যাপক পড়াশোনার মাধ্যমে ভর্তি হওয়ার পর নতুন নীতিমালার কারণে কোর্সআউট হলে এতো টাকার ক্ষতিপূরণ এবং নতুন করে কোর্সে চান্স পাওয়া নিয়ে গভীর শঙ্কা প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

নতুন নীতিমালা প্রয়োগ হোক নতুনদের জন্য

২০১৯ সালের নীতিমালায় ডেপুডেশন পাওয়া যাবে—এমন কিছু প্রতিষ্ঠানের নাম ছিল। ২০২১ সালের প্রেষণ নীতিমালায় এসব প্রতিষ্ঠানের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এগুলো হলো:

১. বারডেম একাডেমি, শাহবাগ;
২. ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন, মিরপুর;
৩. ইব্রাহিম কার্ডিয়াক, শাহবাগ;
৪. লায়ন চক্ষু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট, আগারগাঁও;
৫. মির্জা আহমেদ ইস্পাহানি ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতাল, শেরে বাংলা নগর;
৬. এম আর খান শিশু হাসপাতাল ও শিশু স্বাস্থ্য ফাউন্ডেশন, মিরপুর
৭. চট্টগ্রাম মা ও শিশু জেনারেল হাসপাতাল, চট্টগ্রাম;
৮. ইনস্টিটিউট অব হেলথ সায়েন্স (ইউডিসি), চট্টগ্রাম;
৯. খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ, সিরাজগঞ্জ;
১০. ইউনাইটেড হাসপাতাল, ঢাকা।

তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব চাইল্ড হেলথও। তবে সংসদে বিল পাস করে ঢাকা শিশু হাসপাতাল এবং এই ইনস্টিটিউটের সমন্বয়ে ‘বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট’ নামে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে রূপান্ত‌রের প্রক্রিয়ায় চলছে। ফলে এটি অনেকটা ঝুঁকিমুক্ত বলে ধারণা করছেন অনেকে।

নতুন প্রেষণ নীতিমালায় নাম বাদ যাওয়ায় উল্লেখিত এসব প্রতিষ্ঠানে পূর্ব থেকে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা বিপাকে পড়েছেন। তাদের দাবি, যারা নতুন করে কোর্সে ঢুকবে, তাদের জন্য নতুন নীতিমালা বাস্তবায়ন করা হোক। পূর্ব থেকে অধ্যয়নরতদের জন্য যেন এটা প্রয়োগ করা না হয়। এমনটি হলে আড়াই শতাধিক শিক্ষার্থী অবিচারের শিকার হবেন। তারা কোর্স থেকে আউট হবেন। এতে শুধু শিক্ষার্থীরাই না, বরং রাষ্ট্রও পোস্টগ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করা চিকিৎসক পাওয়া থেকে বঞ্চিত হবেন।

স্বাস্থ্য শিক্ষা সচিবের কাছে চিঠি

নতুন প্রেষণ নীতিমালায় সৃষ্ট সংকট নিরসন চেয়ে গত ৮ মার্চ স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিবের কাছে চিঠি পাঠায় বিসিএস স্বাস্থ্যের বিভিন্ন ব্যাচের চিকিৎসকরা।

চিঠিতে অতিরিক্ত সচিবের (চিকিৎসা শিক্ষা) দৃষ্টি আকর্ষণ বলা হয়, ‘আমরা আপনার মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিএসের (স্বাস্থ্য) বিভিন্ন ব্যাচের কর্মচারীবৃন্দ। আমরা সরকারি চাকুরিতে যোগদানের পূর্বে বাংলাদেশ শিশু স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট, বারডেম একাডেমি, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনসহ স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি ১১টি প্রতিষ্ঠানে এমডি,এমএস, এমফিল এবং ডিপ্লোমা কোর্সে অধ্যয়নরত ছিলাম। প্রেষণ নীতিমালা ২০২১ (সংশোধিত) তালিকায় এসব প্রতিষ্ঠানের নাম বাতিল হওয়ার কারণে আমরা পরবর্তীতে প্রেষণ নিয়ে কোর্সে যোগদান করে কোর্সটি সম্পন্ন করার বিষয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। এমতাবস্থায়, মানবিক কারণ বিবেচনা করে যারা এসব প্রতিষ্ঠানে ইতোমধ্যে কোর্সে আছে তাদের প্রেষণ যেন মঞ্জুর করা হয় এ বিষয়ে আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’

চিঠি পেরণের পর ছয় মাস অতিবাহিত হলেও এখনো পর্যন্ত বিষয়টির সমাধান না হওয়ায় এসব কোর্সে অধ্যয়নরতদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে।

সমাধান কোন পথে

বিষয়টি সমাধানে বেশ কিছু পরামর্শ দিয়ে পোস্ট গ্রাজুয়েশন কোর্সে অধ্যয়নরত বেসরকারি চিকিৎসকরা বলেন, সুচিন্তিত পদক্ষেপের মাধ্যমে সঠিক সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া সম্ভব। এতে চিকিৎসক এবং সরকার কেউ ক্ষতির মুখে পড়বে না। এ লক্ষ্যে তারা বেশ কিছু উপায় তুলে ধরেন, এগুলো হলো:

১. এ ক্ষেত্রে একটি সমাধান হতে পারে—প্রেষণের প্রাপ্য চিকিৎসকদের সুবিধা প্রদান করা, যা দীর্ঘ দিন ধরে চলে আসছে। এতে একজন চিকিৎসক বেসরকারি বা স্বায়ত্ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে পোস্ট গ্রাজুয়েশন কোর্সটা সম্পন্ন করার সুযোগ পাবেন। আর এভাবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সেবা প্রদান করলেও কোনো রকম ঝামেলা পোহানো ছাড়াই সরকার একজন পোস্ট গ্রাজুয়েট চিকিৎসক পেতে পারে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠান হলেও সেখানে সে তো দেশের মানুষকেই স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছে।

২. যদি কর্তৃপক্ষ নীতিগত সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, এখন থেকে বেসরকারি ইনস্টিটিউটে কোনোভাবেই দেওয়া হবে না। সে ক্ষেত্রে বেসরকারিতে প্রোস্ট গ্রাজুয়েশনে অধ্যয়নরতদের সরকারিতে প্রতিষ্ঠানে মাইগ্রেশন করা যেতে পারে। তাঁরা সবাই বিএসএমএমইউর অধীনেই অধ্যয়নরত। এ ক্ষেত্রে আগের প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নের সময়টুকু কোর্সে গণ্য করলেই সংকট মিটে যায়। এ উপায়েও সমস্যার সমাধান সম্ভব। এমনটি হলে সরকারের অর্থও অপচয় হবে না, পাশাপাশি শিক্ষার্থীর পোস্ট গ্রাজুয়েশনটাও নির্বিঘ্নে হয়ে গেলো। এখানে বড় একটি সুবিধা হলো, ডেপুটেশনের বেলায় প্রতিষ্ঠানগুলোতে অধিকাংশ বিষয়ে আসনের কোনো সীমাবদ্ধতা বা সংকট নাই। তবে কিছু কিছু বিষয় সকল প্রতিষ্ঠানে চালু নাই। যেমন: বারডেমে বিএমআরডি বিষয় চালু আছে, এটি আবার বিএসএমএমইউতে নেই। তাতে কোনো সমস্যা নাই, এ বিষয়টি সলিমুল্লাহতে পড়ানো হয়। সুতরাং কাঙ্ক্ষিত বিষয়টি অধিভুক্ত যে কোনো প্রতিষ্ঠানে থাকলেই হলো। তাহলে বেসরকারিতে অধ্যয়নরতদের সরকারি প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তর করলেই সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। এটি সম্পন্ন করতে গিয়ে বড় কোনো সমস্যা মোকাবিলা করতে হবে—এমনও নয়।

দৃষ্টি ৬ অক্টোবরের সভায়

এদিকে চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষা এবং এ লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ সম্পর্কিত প্রেষণ নীতিমালা-২০২১ (সংশোধিত) সংশোধনের লক্ষ্যে আগামী ৬ অক্টোবর (বুধবার) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে একটি সভা অনুষ্ঠিত হবে।

সভায় বিষয়টির সন্তোষজনক সমাধানের অনুরোধ করেছেন প্রেষণ অনিশ্চয়তায় থাকা চিকিৎসকরা। তারা বলেন, ‘ওই দিনের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি আমরা। ইতিবাচক সিদ্ধান্তের বিষয়ে আমরা দৃঢ়ভাবে আশাবাদী।’

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি
জাতীয় ওষুধনীতি-২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন

নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি