১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০৬:১০ পিএম

জনস্বাস্থ্য শিক্ষার উন্নয়ন নিয়ে নিপসমে কর্মশালা

জনস্বাস্থ্য শিক্ষার উন্নয়ন নিয়ে নিপসমে কর্মশালা
ছবি: সংগৃহীত

মেডিভয়েস রিপোর্ট: জনস্বাস্থ্য শিক্ষার উন্নয়ন নিয়ে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব প্রিভেনটিভ অ্যান্ড স্যোশাল মেডিসিনে (নিপসম) হয়ে গেলো কর্মশালা। গত বুধবার স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের আয়োজনে নিপসম অডিটোরিয়ামে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এএইচএম এনায়েত হোসেনের সভাপতিত্বে ‘বাংলাদেশে জনস্বাস্থ্য শিক্ষার উন্নয়ন’ শীর্ষক এ কর্মশালায় স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের সচিব  মো. আলী নূর, বিশেষ অতিথি  হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ।

অনুষ্ঠানে ‘বাংলাদেশে জনস্বাস্থ্য শিক্ষার সম্ভাবনা’ শিরোনামে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নিপসম পরিচালক অধ্যাপক ডা. বায়জীদ খুরশীদ রিয়াজ।

এ ছাড়াও ‘জনস্বাস্থ্য শিক্ষায় বিনিয়োগ: সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ’ শিরোনামে আরেকটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ড. রুমানা হক।

এই কর্মশালার সাধারণ উদ্দেশ্য নিয়ে নিপসম পরিচালক বলেন, বাংলাদেশে পাবলিক হেলথ শিক্ষার বর্তমান অবস্থা পর্যালোচনার পাশাপাশি উন্নয়নের কর্মপন্থা নির্ধারণের লক্ষ্যে এ আয়োজন। এছাড়া আরও কিছু সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য রয়েছে। এগুলো হলো:

১. পাবলিক হেলথ শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা এবং পাবলিক হেলথ শিক্ষায় বিনিয়োগের যৌক্তিকতা ও উপকারিতা বিষয়ক আলোচনা;

২. কোন কোন প্রতিষ্ঠান পাবলিক হেলথ শিক্ষা প্রদান করছে এবং কী ধরনের ডিগ্রি প্রদান করছে তার তথ্যাদি সংগ্রহকরণ;

৩. সকল পাবলিক হেলথ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সমন্বিত একাডেমিক কারিকুলামের মাধ্যমে পাবলিক হেলথ শিক্ষার আদর্শায়ন (Standardization);

৪. পাবলিক হেলথ শিক্ষার উন্নয়ন নিয়ে বিশেষজ্ঞবৃন্দের মতামত গ্রহণ এবং সুপারিশসমূহ সংগ্রহ ও সংরক্ষণ; 

৫. পাবলিক হেলথ শিক্ষার সর্বোচ্চ জাতীয় প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব প্রিভেনটিভ অ্যান্ড স্যোশাল মেডিসিনের (নিপসম) বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা ও সম্ভাবনা যাচাইকরণ এবং দেশে পাবলিক হেলথ শিক্ষার সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নের লক্ষ্যে নিপসমের সক্ষমতা বৃদ্ধির কর্মপন্থা নির্ধারণ।

ফলাফল:

সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা (ইউএইচসি) নিশ্চিতকরণ তথা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) লক্ষ্যমাত্রা পূরণের লক্ষ্যে পাবলিক হেলথ শিক্ষার সামগ্রিক বিকাশের জন্য সুপারিশমালা গৃহীত হবে।

প্যানেলিস্ট হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. শাহ মনির হোসেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের সাবেক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আবু মোহাম্মদ জাকির হোসেন এবং বিইউএইচএসের  এপিডেমিওলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. এ কে এম ফজলুর রহমান।

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি
জাতীয় ওষুধনীতি-২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন

নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি