৩১ অগাস্ট, ২০২১ ০৮:০৭ পিএম

সাপ্লি পরীক্ষা: ১৬টি মেডিকেলের দুই কেন্দ্র, সংকটে শিক্ষার্থীরা

সাপ্লি পরীক্ষা: ১৬টি মেডিকেলের দুই কেন্দ্র, সংকটে শিক্ষার্থীরা
ছবি: সংগৃহীত

সাখাওয়াত হোসাইন: চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিএমইউ) অধীন ১৬টি মেডিকেল কলেজের এমবিবিএস ও বিডিএস প্রথম ও দ্বিতীয় প্রফেশনাল সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার দুটি কেন্দ্র নির্ধারণ করায় শিক্ষার্থীদের মাঝে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

শিক্ষার্থীরা বলছেন, ‘নিজ নিজ মেডিকেলে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলে তাদের জন্য সুবিধা হয়। আর না হয় তারা ভোগান্তিতে পড়বেন এবং পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে অসুবিধা হবে।’ এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ বলছেন, শিক্ষার্থীদেরকে সকল সুযোগ-সুবিধা দিয়েই সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার দুটি কেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ২২ আগস্ট চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিবিএস ও বিডিএস ১ম ও ২য় পেশাগত সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার রুটিন ও পরীক্ষাকেন্দ্রের নাম প্রকাশ করা হয়। রুটিন অনুযায়ী, ১১ সেপ্টেম্বর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে করোনায় পিছিয়ে যাওয়া এমবিবিএস ও বিডিএস নভেম্বর ২০২০ এর সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা। নোটিশে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ এবং কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ কেন্দ্রে প্রথম ও দ্বিতীয় প্রফের সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন পরীক্ষার্থী মেডিভয়েসকে বলেন, ‘করোনা মহামারীর মধ্যে অন্য মেডিকেলে গিয়ে পরীক্ষা দেওয়া আমাদের জন্য অনেক কষ্টকর। থাকা-খাওয়া, নতুন পরিবেশে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে অনেক বিঘ্ন ঘটবে।’

শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, ‘নতুন পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নিতেও সময় লাগে। এর সাথে পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া আমাদের জন্য কঠিন হয়ে যাবে।’

জানতে চাইলে চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. সাহেনা আক্তার মেডিভয়েসকে বলেন, ‘দুটি কেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভায় হয়েছে। কোনো মেডিকেলে পরীক্ষার্থী আছেন মাত্র একজন, আবার কোনো মেডিকেলে আছেন পাচঁজন পরীক্ষার্থী। এর আগেও একবার সিদ্ধান্ত হয়েছিল কোনো মেডিকেলে ১৮ জনের কম পরীক্ষার্থী থাকলে, তাদেরকে ওই বিভাগের বড় মেডিকেলে গিয়ে পরীক্ষা দিবে হবে। আর একজন বা পাঁচজন শিক্ষার্থীর জন্য পরীক্ষার কেন্দ্র দেওয়া সম্ভব নয়। কারণ একটি কেন্দ্র সাজাতে অনেকগুলো ব্যাপার জড়িত রয়েছে। এছাড়া কারো কোনো অসুবিধা বা অভিযোগ থাকলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি বরাবর আবেদন করতে পারেন।’ 

শিক্ষার্থীদের থাকা-খাওয়া ও করোনাকালে স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে জানতে তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের থাকা-খাওয়া বিষয়ে মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষরা সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে যোগাযোগ করবেন। কলেজের হোস্টেলে থাকার ব্যবস্থা করবেন। আর করোনাকালে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা শতভাগ নিশ্চিত করার জন্য আমরা কাজ করছি।’

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান medivoice[email protected] এ।
  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি
জাতীয় ওষুধনীতি-২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন

নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি