০৮ অগাস্ট, ২০২১ ০৪:৫৫ পিএম

বিধিনিষেধ শিথিল করে প্রজ্ঞাপন জারি, কার্যকর ১১ আগস্ট

বিধিনিষেধ শিথিল করে প্রজ্ঞাপন জারি, কার্যকর ১১ আগস্ট
ফাইল ছবি

মেডিভয়েস রিপোর্ট: কঠোর বিধিনিষেধ শিথিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। আজ রোববার (৮ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এই প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, চলমান বিধিনিষেধ শেষে আগামী ১১ আগস্ট (বুধবার) থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চলবে সব ধরনের গণপরিবহন। তবে সড়ক পথে স্বাভাবিকের চেয়ে অর্ধেক গাড়ি চলবে। খুলবে দোকান-শপিংমল।

এ ছাড়াও স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলা থাকবে সরকারি-বেসরকরি অফিস, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান। 

এ ছাড়া শপিংমল, মার্কেট ও দোকানপাট সকাল ১০টা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলা রাখা যাবে। সব শিল্প-কলকারখানা চালু থাকবে। আর খাবারের দোকান, হোটেল-রেস্তোরাঁয় অর্ধেক আসন খালি রেখে সকাল আটটা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা যাবে। আদালতের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে।

স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে অবহেলায় ব্যবস্থা

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সব ক্ষেত্রে মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করতে হবে এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে করতে হবে। গণপরিবহন, বিভিন্ন দপ্তর, মার্কেট ও বাজারসহ যেকোনো প্রতিষ্ঠান স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে অবহেলা করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে চলমান কঠোর বিধিনিষেধ গত মাসে একবার শিথিল করে সরকার। গত ১৪ জুলাই মধ্য রাত থেকে ২৩ জুলাই সকাল পর্যন্ত চলমান বিধিনিষেধ শিথিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এতে ২৩ দফা নির্দেশনা দিয়ে বলা হয়, ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত ফের কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে।

দেশে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু উদ্বেগজনকভাবে বাড়তে থাকায় গত ১ জুলাই থেকে সাত দিনের কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে সরকার। ৭ জুলাই মধ্যরাতে তা শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে এ সময়ের মধ্যে আশানুরূপ ফল না আসায় বিধিনিষেধ আরও এক সপ্তাহ বাড়িয়ে ১৪ জুলাই পর্যন্ত বাড়ানো হয়।

সম্প্রতি সারাদেশেও ছড়িয়ে পড়েছে ভারতীয় ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট। শুরুর দিকে দেশের সীমান্তবর্তী কয়েক জেলায় হানা দিলেও অল্প সময়ের ব্যবধানে সারাদেশে ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ে ভ্যারিয়েন্টটি। এর সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকার এ বছর প্রথমে ৫ এপ্রিল থেকে ধাপে ধাপে বিধিনিষেধ দিয়ে আসছে। দেশব্যাপী বিধিনিষেধের পাশাপাশি এবার স্থানীয় প্রশাসনও বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ বিধিনিষেধ জারি করে। কিন্তু এতেও ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে না আসায় শাটডাউনের সুপারিশ করে সংক্রমণ প্রতিরোধে কোভিড-১৯-সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটি। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১ জুলাই থেকে সারাদেশে কঠোর লকডাউন শুরু হয়। 

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  ঘটনা প্রবাহ : কঠোর লকডাউন
  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি
জাতীয় ওষুধনীতি-২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন

নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি