০৪ মে, ২০২১ ০৬:০৭ পিএম
চূড়ান্ত হচ্ছে আইন

বেসরকারি মেডিকেলে ১০ শিক্ষার্থীর বিপরীতে থাকতে হবে একজন শিক্ষক

বেসরকারি মেডিকেলে ১০ শিক্ষার্থীর বিপরীতে থাকতে হবে একজন শিক্ষক
ছবি: সংগৃহীত

মেডিভয়েস রিপোর্ট: দেশের সব বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের জন্য ‘বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ও ডেন্টাল কলেজ আইন-২০২১’ পাস করতে যাচ্ছে সরকার। প্রত্যেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১০ জন শিক্ষার্থীর জন্য একজন শিক্ষক থাকার বাধ্যবাধকতা রাখা হচ্ছে নতুন আইনে।

সোমবার (৩ মে) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার ভার্চুয়াল বৈঠকে এ আইনের খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম জানন, ২০২০ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর এ আইনের খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।

চূড়ান্ত অনুমোদিত খসড়ায় বলা হয়েছে, ‘প্রত্যেক মেডিকেল বা ডেন্টাল কলেজে কমপক্ষে ৫০ জন শিক্ষার্থী থাকতে হবে। মহানগর এলাকায় মেডিকেল কলেজের নামে দুই একর, ডেন্টাল কলেজের নামে এক একর এবং অন্যান্য এলাকায় মেডিকেল কলেজের জন্য চার একর ও ডেন্টাল কলেজের জন্য দুই একর জমি থাকতে হবে। মেডিকেল কলেজের নামে তফসিলি ব্যাংকে তিন কোটি টাকা এবং ডেন্টাল কলেজের নামে দুই কোটি টাকা সংরক্ষিত তহবিল হিসেবে জমা থাকতে হবে। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের অনুপাত হতে হবে ১:১০। শিক্ষার্থীদের ফি সরকার নির্ধারণ করে দেবে। মেডিকেল বর্জ্য অপসারণ বিজ্ঞানসম্মতভাবে প্রক্রিয়া করতে হবে।’

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, মেডিকেল কলেজের একাডেমিক কার্যক্রমের জন্য কমপেক্ষ এক লাখ বর্গফুট, হাসপাতাল পরিচালনার জন্য আরও এক লাখ বর্গফুট কন্সট্রাকশন সুবিধা থাকতে হবে। আর ডেন্টাল হাসপাতালের জন্য ৫০ হাজার বর্গফুট থাকতে হবে।

এছাড়াও মেডিকেল বা ডেন্টাল কলেজে পরিদর্শনের ব্যবস্থা থাকবে। অ্যাকাডেমিক অনুমোদনপ্রাপ্ত প্রত্যেক বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজকে কোনো একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্ট হিসেবে থাকতে হবে। কেউ আইন ভঙ্গ করলে দুই বছরের কারাদণ্ড, ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান প্রস্তাবিত আইনে রাখা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি
জাতীয় ওষুধনীতি-২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন

নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি