২৮ জুন, ২০২০ ১০:১৬ এএম

র‌্যাপিড টেস্ট কিট দিয়ে করোনাভাইরাস শনাক্ত নয়: ওষুধ প্রশাসন

র‌্যাপিড টেস্ট কিট দিয়ে করোনাভাইরাস শনাক্ত নয়: ওষুধ প্রশাসন

মেডিভয়েস রিপোর্ট: র‌্যাপিড টেস্ট কিট দিয়ে করোনাভাইরাস শনাক্ত করা যাবে না বলে জানিয়েছেন ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. সালাউদ্দিন। তিনি জানান, এটি ব্যবহার হবে ভাইরাসের বিরুদ্ধে শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে কিনা, তা পরীক্ষার জন্য। তবে এই কিট ব্যবহার হবে কিনা সে ব্যাপারে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

রোববার (২৮ জুন) ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর থেকে গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানানো হয়।

অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. সালাউদ্দিন বলেন, আরটিপিআর টেস্ট হচ্ছে করোনা শনাক্তের জন্য আর অ্যান্টিবডি টেস্ট হচ্ছে কারও শরীরে ইতোমধ্যে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে কিনা তা দেখার জন্য, একইসঙ্গে এটা প্লাজমা থেরাপির জন্যও প্রয়োজন হতে পারে। আমরা কেবল এখন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উত্তরের অপেক্ষায়। এখনো যেহেতু স্বাস্থ্য অধিদপ্তর অ্যান্টিবডি সর্ম্পকে এবং এর ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা সর্ম্পকে আমাদেরকে জানায়নি, যদি তারা এর প্রয়োজন সর্ম্পকে জানায়, তাহলে আমরা দিয়ে দেবো।

তিনি বলেন, এর আগেও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে এ সর্ম্পকে জানানো হয়েছিল এবং তখন পর্যন্ত তারা এই কিটের দরকার নেই বলে জানিয়েছিল। এখন জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর যদি মনে করে সার্ভিলেন্সের জন্য অ্যান্টিবডি পরিমাপ করা উচিত, তাহলে শিগগিরই আমরা অনুমোদন দেওয়া শুরু করবো।

তিনি বলেন, আমরা ক্রাইটেরিয়া ঠিক করেছি, কোন কোন শর্ত পূরণ করতে পারলে আমরা কোন প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দেবো। ক্রাইটেরিয়া নির্ধারণ জরুরি হয়ে পরায় বিশেষজ্ঞ কমিটি একটা নীতিমালা চূড়ান্ত করেছে। কিটের জন্য ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের কাছে প্রায় ২০ থেকে ২৫টি কোম্পানির আবেদনপত্র জমা হয়েছে। এগুলো আমরা মূল্যায়ন করবো।

প্রসঙ্গত, ইতোমধ্যে অ্যান্টিবডি টেস্ট কিটের ক্রাইটেরিয়া ঠিক করেছে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের বিশেষজ্ঞ কমিটি। এছাড়াও এর স্ট্যান্ডার্ড, কোন কোন জায়াগায় ব্যবহার হবে ও এর লেভেলে কোন বিষয়গুলো উল্লেখ করা হবে তা নির্ধারণ করেছে। অন্যদিকে স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে শিগগিরই কিটের বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি
জাতীয় ওষুধনীতি-২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন

নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি