১৬ মার্চ, ২০২০ ০৩:৪৫ পিএম

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের সময়ে বাইরে ঘোরাফেরা করা যাবে না: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের সময়ে বাইরে ঘোরাফেরা করা যাবে না: শিক্ষামন্ত্রী

মেডিভয়েস রিপোর্ট: শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে নিরাপদ থাকতে আগামী বুধবার (১৭ মার্চ) থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে,  বন্ধের দিনগুলোতে সকল শিক্ষার্থীদের নিজ বাড়িতে থাকতে হবে। বন্ধের সুযোগে বাইরে ঘোরাফেরা করা যাবে না।

সোমবার (১৬ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জরুরি এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশে জরুরি অবস্থা সৃষ্টি না হলেও অভিভাবক-শিক্ষার্থী ও জনমানুষের উদ্বেগ থেকে মন্ত্রী পরিষদের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সাময়িক বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বন্ধের পুরো সময়টা নিজ বাড়িতে থেকে পড়ালেখা করার বিষয়টি অভিভাবকদের নিশ্চিত করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

ডা. দীপু মনি বলেন, বিশ্বের অনেক দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ মহামারি আকারে ধারণ করলেও আমাদের দেশে তেমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি। এ কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ না করার সিদ্ধান্ত ছিল। কিন্তু অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের উদ্বেগ থেকে মন্ত্রী পরিষদের সভায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে।

তিনি বলেন, মঙ্গলবার মুজিবশতবর্ষে যেসব কর্মসূচি ছিল তা আগেই বাতিল করা হয়েছে। শুধুমাত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও শিক্ষকদের সমন্বয়ে পালিত হবে। এতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিত হওয়ার প্রয়োজন নেই।

মন্ত্রী আরও বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আবারো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালু করা হবে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে স্কুল-কলেজ বন্ধের সময়সীমা বাড়ানো হবে। একই সঙ্গে গ্রীষ্মের ছুটি ঘোষণা করা হবে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে নতুন করে দুই শিশুসহ আরো তিন জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। এনিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮ জনে। সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইইডিসিআরের নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা এ তথ্য জানান। 

সেব্রিনা ফ্লোরা জানান, আক্রান্তদের মধ্যে এক নারী ও দুই শিশু রয়েছেন। আক্রান্তরা দ্বিতীয় দফায় শনাক্ত হওয়া দুজনের মধ্যে এক জনের পরিবারের সদস্য। আক্রান্ত দুজেনেই সম্প্রতি বিদেশ থেকে বাংলাদেশে এসেছিলেন।

মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, "একজন রোগীর পরিবারের সদস্য ছিল। তাদের যেহেতু কন্ট্রাক্ট ট্রেসিং করার সময় ওই রোগীর পরিবারের সদস্যদের মধ্যে উপসর্গ পাওয়া যায়। পরে তাদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হলে ওই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়"।

সারা বিশ্বে মহামারী হিসেবে ছড়িয়ে পরা এ  ভাইরাসে এখন পর্যন্ত ১ লক্ষ ৬৯ হাজার ৩৮৭ জন রোগী আক্রান্ত হয়েছে এবং ৬ হাজার ৫১৩ জন মৃত্যুবরণ করেছে।

  ঘটনা প্রবাহ : করোনাভাইরাস
  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি
জাতীয় ওষুধনীতি-২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন

নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি