১৪ মার্চ, ২০২০ ০৪:৩৩ পিএম

যথাসময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধে সিদ্ধান্ত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

যথাসময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধে সিদ্ধান্ত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। ছবি: সাহিদ

মো. মনির উদ্দিন: শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধে চিন্তা-ভাবনা চলছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, এ ব্যাপারে যথাসময়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। 

আজ শনিবার (১৪ মার্চ) স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের আয়োজনে রাজধানীর শ্যামলীতে শিশু হাসপাতালে তিন সপ্তাহব্যাপী হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। করোনা প্রাদুর্ভাবের বিষয়ে তারাও অবহিত। এবং যথাসময়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

হ্যান্ড স্যানিটাইজারসহ বিভিন্ন উপকরণের দাম বেড়ে যাওয়ার বিষয়ে আরেক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চাই এগুলো যেন সুভল মূল্যে পাওয়া যায়। ওষুধ প্রশাসনের মাধ্যমে একটি মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তারা সারাদেশে বিভিন্ন জায়গায় তদারকি করছে। র‌্যাব-পুলিশ ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে করা হচ্ছে। অনেক জায়গায় জেল-জরিমানাও করা হয়েছে।’ 

এ সময় জনসমাগম এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আমাদের বৈঠক হচ্ছে। আগামীকালও একটি বৈঠক হবে। বস্তি, সিনেমা ও ক্লাবগুলোর বিষয়ে চিন্তা-ভাবনা চলছে। এছাড়া আমাদের তৈরি পোশাক শিল্প কারখানার সুন্দর ব্যবস্থানার জন্য আগামীকাল বৈঠক ডাকা হয়েছে। একটি সুন্দর সমাধান বের হবে বলে আশা করছি।’ 

ফ্লাইটগুলো বন্ধ করার বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বিমানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সকল বিষয়ে অবহিত করে রাখছি। তারা পরিস্থিতি সম্পর্কে পুরোপুরি অবগত। উপযুক্ত সময়ে তারা সিদ্ধান্ত নেবেন।’ 

মন্ত্রী বলেন, হাম রোগ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে ২০০৬ সালে ক্যাচ আপ এবং ২০১০ সালে ফলো আপ ক্যাম্পেইন করার ফলে হামের প্রভাব বহুলাংশে কমে গিয়েছিল। ২০১২ সাল থেকে রুবেলা নিয়ন্ত্রণে হামের টিকার সাথে রুবেলা টিকা সংযোজন করে এমআর টিকা দেওয়া হচ্ছে। পরবর্তীতে ২০১৪ সালে হাম-রুবেলা দূরীকরণে এমআর ক্যাম্পেইন পরিচালিত হয়। কিন্তু রোগ নিরীক্ষণ তথ্য অনুযায়ী ২০১৭ সাল থেকে দেশব্যাপী হাম রোগের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পেয়েছে।  এ অবস্থায় পাচ বছর পর সারাদেশে এ ক্যাম্পেইন শুরু হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল ইউনিটের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, ঢাকা শিশু হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. সৈয়দ সফ আহমেদ মুয়াজ, এমএনসিঅ্যান্ডএএইচের লাইন ডিরেক্টর ডা. মো. শামসুল হক, সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডা. মওলা বকস চৌধুরী এবং উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ইউনিসেফ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধিরা। 
 

  ঘটনা প্রবাহ : করোনাভাইরাস
  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি
জাতীয় ওষুধনীতি-২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন

নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি