১৪ মার্চ, ২০২০ ০২:৪১ পিএম

হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন, চলবে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত

হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন, চলবে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত

মো. মনির উদ্দিন: জাতীয় হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। আজ শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর শ্যামলীতে শিশু হাসপাতালে এ ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন তিনি। ১৮ মার্চ থেকে ক্যাম্পেইন চলবে আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত। 

এ সময় মন্ত্রী বলেন, সারা বাংলাদেশে ৯ মাস থেকে ১০ বছর বয়স্ক প্রায় সাড়ে তিন কোটি শিশুকে এ টিকা দেওয়া হবে।

জাহিদ মালেক বলেন, হাম রোগ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে ২০০৬ সালে ক্যাচ আপ এবং ২০১০ সালে ফলো আপ ক্যাম্পেইন করার ফলে এর প্রভাব বহুলাংশে কমে গিয়েছিল। ২০১২ সাল থেকে রুবেলা নিয়ন্ত্রণে হামের টিকার সাথে রুবেলা টিকা সংযোজন করে এমআর টিকা দেওয়া হচ্ছে। পরবর্তীতে ২০১৪ সালে হাম-রুবেলা দূরীকরণে এমআর ক্যাম্পেইন পরিচালিত হয়। কিন্তু রোগ নিরীক্ষণ তথ্য অনুযায়ী ২০১৭ সাল থেকে দেশব্যাপী হাম রোগের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় পাঁচ বছর পর সারাদেশে এ ক্যাম্পেইন শুরু হচ্ছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, তিন সপ্তাহব্যাপী হাম-রুবেলা এ ক্যাম্পেইন চলাকালে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত শিশুদের টিকা দেওয়া হবে। এ সময় শিশুদের টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে আসার জন্য অভিভাবকদের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি। 

টিকাদানে বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে রয়েছে জানিয়ে জাহিদ মালেক বলেন, বাংলাদেশে প্রায় ১০টি রোগের প্রতিষেধ হিসেবে টিকা দেওয়া হয়।টিকদান কর্মসূচির সফলতার কারণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভ্যাকসিন হিরু হিসেবে খেতাব পেয়েছেন।

মন্ত্রী জানান, দেশে করোনাভাইরাস দুর্যোগ চলার কারণে সকল অনুষ্ঠান ছোট এবং সীমিত পর্যায়ে করা হচ্ছে। জমায়েত ছোট করা হচ্ছে। টিকা যেখানে দেওয়া হবে সেখানে যেন ছোট পরিসরে শিশুদেরকে টিকা দেওয়া হয়। সারাদেশে এই নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি যথাযথভাবে প্রচারের জন্য গণমাধ্যম কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল ইউনিটের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, ঢাকা শিশু হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. সৈয়দ সফ আহমেদ মুয়াজ, এমএনসিঅ্যান্ডএএইচের লাইন ডিরেক্টর ডা. মো. শামসুল হক, সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডা. মওলা বকস চৌধুরী এবং উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ইউনিসেফ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধিরা।  

রিজেন্ট ও জেকেজির প্রতারণার বিষয়ে ব্যাখ্যা

‘মহতী উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করতে গিয়ে প্রতারিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তর’

কঠোর পদক্ষেপের আহ্বান বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

বিশ্বে করোনা পরিস্থিতির অবনতি: একদিনে সর্বোচ্চ ২,২৮,১০২ আক্রান্ত

রিজেন্ট ও জেকেজির প্রতারণার বিষয়ে ব্যাখ্যা

‘মহতী উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করতে গিয়ে প্রতারিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তর’

কঠোর পদক্ষেপের আহ্বান বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

বিশ্বে করোনা পরিস্থিতির অবনতি: একদিনে সর্বোচ্চ ২,২৮,১০২ আক্রান্ত

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি
জাতীয় ওষুধনীতি-২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন

নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি