২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২০ ১২:০৩ পিএম

একুশে পদক গ্রহণ করলেন কিংবদন্তি চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. সায়েবা আখতার

একুশে পদক গ্রহণ করলেন কিংবদন্তি চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. সায়েবা আখতার
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে একুশে পদক গ্রহণ করছেন অধ্যাপক ডা. সায়েবা আখতার। ছবি: সংগৃহীত

মেডিভয়েস রিপোর্ট: চিকিৎসায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এবারের একুশে পদক গ্রহণ করেছে অধ্যাপক ডা. সায়েবা আখতার। বৃহস্পতিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে তিনি এ পদক গ্রহণ করেন। 

এছাড়া বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য একুশে পদক পেয়েছেন দেশের আরও ১৯ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠান।

পুরস্কারপ্রাপ্ত হিসেবে ৩ তোলা ওজনের ১৮ ক্যারেট সোনার তৈরি একটি স্বর্ণপদক, পুরস্কারের অর্থের চেক এবং একটি সম্মাননাপত্র প্রদান করা হয় ।

সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি সচিব ড.মো.আবু হেনা মোস্তফা কামাল স্বাগত বক্তৃতা করেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বিজয়ীদের সাইটেশন পাঠ করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সদস্যবৃন্দ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাবৃন্দ, বিচারপতিবৃন্দ, সংসদ সদস্যবৃন্দ, তিন বাহিনী প্রধানগণ, সরকারের উর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যগণ, কবি, সাহিত্যিক, লেখক, শিল্পী, সাংবাদিক সহ বিশিষ্ট নাগরিকবৃন্দ, অতীতে একুশে পদক বিজয়ীগণ, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও সংস্থার প্রধান এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা।

এক নজরে ডা. সায়েবা আখতার

অধ্যাপক ড. সায়েবা আক্তারের জন্ম চট্টগ্রামে। তবে পিতা টাঙ্গাইলের করটিয়া সাদত কলেজের শিক্ষক হওয়ার সুবাদে ওই ক্যাম্পাসেই বেড়ে ওঠা। তিনি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস সম্পন্ন করার পর সেখানেই কর্মজীবনের শুরু করেন।

ডা. সায়েবা আখতারের স্বামী ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর কবির একজন কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ এবং ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কিডনি ডিজিজ অ্যান্ড ইউরোলজির সাবেক পরিচালক।

তিন মেয়ে এক ছেলের মধ্যে বড় মেয়েটিও ডাক্তার।

চিকিৎসকায় ডা. সায়েবা আখতারের অবদান 

অবসর গ্রহণের পর রাজধানীর নিউ ইস্কাটনে 'মামস ইনস্টিটিউট অব ফিস্টুলা অ্যান্ড ওমেনস হেলথ' গড়ে তোলেন তিনি। এটি মূলত বিশ শয্যার দাতব্য হাসপাতাল।

নারী শিক্ষায়ও ভূমিকা রাখছেন ড. আক্তার, এজন্য স্বল্প আয়ের পরিবারের মেয়েদের কর্মমুখী শিক্ষা দেবার জন্য ঢাকা ও গাইবান্ধায় দুটি প্রতিষ্ঠান চালাচ্ছেন তিনি।

একুশে পদক পেলেন যারা-

ভাষা আন্দোলনে মরণোত্তর মরহুম আমিনুল ইসলাম বাদশা।

শিল্পকলায় (সংগীত) বেগম ডালিয়া নওশিন, শঙ্কর রায় ও মিতা হক।

শিল্পকলায় (নৃত্য) মো. গোলাম মোস্তফা খান।

শিল্পকলায় (অভিনয়) এম এম মহসীন।

শিল্পকলায় (চারুকলা) অধ্যাপক শিল্পী ড. ফরিদা জামান।

মুক্তিযুদ্ধে (মরণোত্তর) মরহুম হাজি আক্তার সরদার, মরহুম আব্দুল জব্বার, মরহুম ডা. আ আ ম মেসবাহুল হক (বাচ্চু ডাক্তার)।

সাংবাদিকতায় জাফর ওয়াজেদ (আলী ওয়াজেদ জাফর)।

গবেষণায় ড. জাহাঙ্গীর আলম, হাফেজ কারী আল্লামা সৈয়দ মোহাম্মদ ছাইফুর রহমান নিজামী শাহ।

শিক্ষায় অধ্যাপক ড. বিকিরণ প্রসাদ বড়ুয়া।

অর্থনীতিতে অধ্যাপক ড. শামসুল আলম।

সমাজসেবায় সুফি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।

ভাষা ও সাহিত্যে ড. নুরুন নবী, মরহুম সিকদার আমিনুল হক (মরণোত্তর) ও বেগম নাজমুন নেসা পিয়ারি।

প্রতিষ্ঠান হিসেবে গবেষণায় বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট এবারের একুশে পদক অর্জন করেছে।

রিজেন্ট ও জেকেজির প্রতারণার বিষয়ে ব্যাখ্যা

‘মহতী উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করতে গিয়ে প্রতারিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তর’

কঠোর পদক্ষেপের আহ্বান বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

বিশ্বে করোনা পরিস্থিতির অবনতি: একদিনে সর্বোচ্চ ২,২৮,১০২ আক্রান্ত

রিজেন্ট ও জেকেজির প্রতারণার বিষয়ে ব্যাখ্যা

‘মহতী উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করতে গিয়ে প্রতারিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তর’

কঠোর পদক্ষেপের আহ্বান বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

বিশ্বে করোনা পরিস্থিতির অবনতি: একদিনে সর্বোচ্চ ২,২৮,১০২ আক্রান্ত

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি
জাতীয় ওষুধনীতি-২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন

নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি