১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২০ ০৩:৫১ পিএম

লেখালেখি ও চিকিৎসা, দুটো সত্তাই আমাকে স্পন্দিত করে: অধ্যাপক ডা. মোহিত কামাল

লেখালেখি ও চিকিৎসা, দুটো সত্তাই আমাকে স্পন্দিত করে: অধ্যাপক ডা. মোহিত কামাল

অধ্যাপক ডা. মোহিত কামাল বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ও মনোশিক্ষাবিদ। তিনি চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল থেকে এসএসসি, চট্টগ্রাম কলেজ থেকে এইচএসসি এবং সিলেট এম.এ.জি. ওসমানী মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন।

শিশু সাহিত্য বিষয়ে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ তিনি ১৪১৮ বঙ্গাব্দে শিশু একাডেমি প্রদত্ত শিশু সাহিত্য পুরস্কার এবং কথাসাহিত্যে অবদানের জন্য ২০১৮ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। এবার অমর একুশে গ্রন্থমেলায় কথাসাহিত্যিক মোহিত কামালের নতুন দুটি উপন্যাস প্রকাশিত হয়েছে। সম্প্রতি মেডিভয়েসের সাথে একান্ত আলাপচারিতায় উঠে এসেছে তার তার নতুন দুটি বইসহ লেখক ও ব্যক্তি জীবনের বিভিন্ন দিক। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন তানভীর সিদ্দিকী।

মেডিভয়েস: কেমন আছেন?

অধ্যাপক ডা. মোহিত কামাল: ভালো আছি। ধন্যবাদ।

মেডিভয়েস: এই বইমেলায় আপনার কী কী বই এসেছে?

অধ্যাপক ডা. মোহিত কামাল: এই বইমেলায় আমার নতুন দুটি উপন্যাস ‘হ্যাঁ’ ও ‘ঈর্ষার ঘোরমগ্ন সময়’ প্রকাশিত হয়েছে। সবমিলিয়ে এ পর্যন্ত আমার মোট ৫৩টি বই প্রকাশিত হয়েছে।

মেডিভয়েস: স্যার, নতুন বই দুটি সম্পর্কে কিছু বলুন।

অধ্যাপক ডা. মোহিত কামাল: বই দুটির মধ্যে ‘হ্যাঁ’ একটি পারিবারিক উপন্যাস। দাম্পত্য-সংকট আর কাঁটা বিছানো পথে কন্যাসন্তানের বেড়ে ওঠার উপাখ্যান। এর আগে আমার ‘না’ নামের যে উপন্যাস রয়েছে তার বিপরীত কথা বলবে ‘হ্যাঁ’। জীবনের শুভ ঘটনাকে ‘হ্যাঁ’ বলতে হবে। যথার্থ সময়ে ‘হ্যাঁ’ বলতে পারলে মনে যুতসই পরিবর্তন ঘটতে থাকে, আত্মবিশ্বাস বাড়ে। এই উপন্যাসের চরিত্রগুলোর যাপিতজীবনের আন্তঃসম্পর্ক ও কথামালার ভেতর দিয়ে জটিল দ্বন্দ্ব-সংঘাত, অবিশ্বাস-হানাহানি ‘হ্যাঁ’-এর উজ্জ্বল রোশনিতে আলোকিত হতে থাকে। সমকালীন জীবন-সংকটের জালে জড়াতে থাকে চরিত্রগুলো। আর ‘ঈর্ষার ঘোরমগ্ন সময়’ উপন্যাসের মাধ্যমে সহজ ভাষায় গল্প-বয়ানের মধ্য দিয়ে মানবমনের গূঢ়তত্ত্ব বের করে সাহিত্যে তুলে ধরা হয়েছে।

মেডিভয়েস: স্যার, লেখালেখি আর চিকিৎসা পেশা, দুটোকে কীভাবে সমন্বয় করেন?

অধ্যাপক ডা. মোহিত কামাল: অনেকেই আমাকে এই প্রশ্নটা করেন যে, কীভাবে আমি দুটোকে সমন্বয় করি? কীভাবে ৫৩ টা বই লিখেছেন? এই বয়সে কিভাবে এতো কাজ সম্ভব? তাদের উদ্দেশ্যে আমি বলছি যে, আসলে সবকিছুর মূলে হলো ডিসিপ্লেন লাইফ। আমি খুবই শৃঙ্খলাবদ্ধ ও গোছানো থাকতে পছন্দ করি। আমি সকালে উঠে ১ ঘন্টা লিখি, ১ ঘন্টা হাঁটি তারপর অফিসে চলে যাই। আবার যখন বাসায় ফিরি, রেস্ট নেই। এইভাবে আমি আমার দিনটাকে ঘন্টায় নয়, মিনিটে মিনিটে ভাগ করে নিতে পেরেছি এবং সময়কে ব্যবহার করতে পেরেছি। ৬০ বছর বয়সে এস আমি খুবই পরিতৃপ্তির সাথে লক্ষ্য করছি যে, আমি অনেক কিছুই পেয়েছি। হয়তো মাঝপথে অনেক কষ্ট যন্ত্রনা পেয়েছি, সেগুলোকে আমি আড়ালে রেখে কী সফলতা এসেছে, সেটাকে আমি ধারণ করেছি। আমি শিক্ষক হিসাবে কাজ করেছি, ক্লিনিশিয়ান হিসাবে কাজ করেছি, আবার সবকিছুর মধ্যেই আমার লেখালেখি চালিয়ে গেছি।

মেডিভয়েস: লেখালেখির পাশাপাশি পরিবারকে কিভাবে সময় দেন?

অধ্যাপক ডা. মোহিত কামাল: আমার সুন্দর একটা পরিবার আছে। আমি খুবই পরিবারমুখী এবং পরিবারকে খুবই ভালোবাসি। আমার থেকে একটা মানুষ খুব বেশি বঞ্চিত হয়ে, সে হলো আমার স্ত্রী। আমি যখন লেখায় থাকি, তখন লেখাতেই মগ্ন থাকি। এদিকে সে তো বিরক্ত হয়ে যায়। অনেক সময় সে কোন একটা কথা বললো, আমি হয়তো শুনলাম না। একসময় চা দিয়ে গেলো, কিন্তু খাওয়া হয়নি, ঠান্ডা হয়ে গেলো। আবার একটা সামাজিক অনুষ্ঠান হচ্ছে, আমি চেষ্টা করি কিভাবে এটাকে এভয়েড করা যায়, সে আবার এগুলো বুঝে ফেলে, পরে আর আমাকে এসে জ্বালায় না। কিন্তু মনে তো ঠিকই কষ্ট পায়। সে মনে করে আমি অনেকটা অসামাজিক হয়ে গেছি, আত্মকেন্দ্রীক হয়ে গেছি, কিন্তু আমি তো এই সময়টাকে আমার লেখালেখির কাজে ব্যায় করেছি। এজন্যই আমার ৫৩টা বই লেখা হয়েছে। আল্লাহর রহমতে আমি দেশজুড়ে প্রসংশিত হয়েছি।

মেডিভয়েস: আপনি তো একজন চিকিৎসক, একইসঙ্গে একজন সাহিত্যিক। কোন পরিচয়টা দিতে আপনি সবচেয়ে বেশি স্বাচ্ছন্দবোধ করেন?

অধ্যাপক ডা. মোহিত কামাল: আমি চিকিৎসক হয়েছি ২৫ বছর পরে, মনোবিধ হয়েছি ৩৫ বছর পরে। আর আমার সাহিত্য সত্তাটা শিশুকাল থেকে। এ জন্য কেউ যদি আমাকে কথাসাহিত্যিক মোহিত কামাল বলে, তাহলে আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। তারপরও আমি মনোবিধ হিসাবে বিশ্বজুড়ে যে সুনাম, প্রসংশা অর্জন করেছি, সেটাকেও আমি উপভোগ করি। এটাও আমার আলাদা একটা সত্তা। কিন্তু যখন বই মেলায় আসি, লেখালেখিতে বা সাহিত্য জগতে আসি, তখন আমার সাহিত্য সত্তাটা আমাকে অনেক বেশি স্পন্দিত করে, আলোড়িত করে। আর যখন আমি প্রফেশনাল ক্ষেত্রে যাই, তখন আমি একজন চিকিৎসক, অধ্যাপক বা একজন শিক্ষক। এক কথায়, বই আর পেশা দুটো সত্তাই আমার কাছে সমানভাবে বেগবান।

মেডিভয়েস: জন্ম-পরিচয়, শিক্ষাজীবন ও কর্মজীবন নিয়ে কিছু বলুন।

অধ্যাপক ডা. মোহিত কামাল: আমার জন্ম ১৯৬০ সালের ২ জানুয়ারি চট্টগ্রাম জেলার সন্দ্বীপে। বাবার নাম আসাদুল হক এবং মায়ের নাম মাসুদা খাতুন। শৈশব-কৈশোর কেটেছে চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ ও খুলনার খালিশপুরে। চার ভাই এক বোনের মধ্যে আমি চতুর্থ। আমি চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল থেকে এসএসসি এবং চট্টগ্রাম কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করি। পরবর্তীতে সিলেট এম.এ.জি. ওসমানী মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করি।

আমি পেশায় একজন মনোচিকিৎসক, মনোশিক্ষাবিদ, সাইকিয়াট্রিস্ট ও সাইকোথেরাপিস্ট। পাশাপাশি শব্দঘর নামের নিয়মিত প্রকাশিত একটি সাহিত্য-সংস্কৃতির মাসিক পত্রিকার সম্পাদক। সর্বশেষ আমি জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলাম।  আমি বাংলা একাডেমির জীবন সদস্য এবং ‘প্রবাল কচি-কাঁচার মেলা’র সাবেক পরিচালক। আমি কথাসাহিত্যে অবদানের জন্য ২০১৮ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছি। এর আগে, শিশু একাডেমি প্রদত্ত শিশু সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছি।

আমি ওয়ার্ল্ড সাইকিয়াট্টিক অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত জাপানে ১২তম ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস অব সাইকিয়াট্রির ফেলোশিপ প্রোগ্রামে বিশ্বের প্রথম সেরা ফেলো নির্বাচিত হয়েছিলাম। আমার মনস্তত্ত্ব বিষয়ক গ্রন্থ মানব মনের উদ্বেগ ও বিষন্নতা (বিদ্যাপ্রকাশ, ২০০৫) ২০১২ সালে কলকাতার রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘সাইকোলজি, কাউন্সেলিং অ্যান্ড গাইডিং’ বিষয়ক পাঠ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

মেডিভয়েস: স্যার, আপনার শৈশব নিয়ে জানতে চাই নিয়ে জানতে চাই।

অধ্যাপক ডা. মোহিত কামাল: আমার জন্ম চট্টগ্রাম জেলার সন্দ্বীপে। শৈশব-কৈশোর কেটেছে চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ ও খুলনার খালিশপুরে। আমার শৈশবটা ছিলে খুব আনন্দময়, একই সাথে বেদনারও। আনন্দের কথাগুলো যদি বলি, শিশুকাল থেকেই আমার ভিতরে একটা সাহিত্য সংস্কৃতির বুনিয়াদ ঘেরে বসেছিলো। যেখানে আমরা থাকতাম, সেখানে নবাঙ্কুর কচিকাঁচা মেলা ছিলো, সেখানে কেন্দ্রীয় কচিকাঁচা মেলা ব্যক্তিত্ব রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই তিনি যেতেন, তার প্রভাব আমার উপরে পড়েছে। শিশুকালে ছড়া লেখা থেকে শুরু করে নানা সংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলাম। তখন থেকেই আমার বুনিয়াদ গড়া। এরপর অনেক চড়াই উৎরাই ছিলো, কিন্তু আমি লেগেই ছিলাম।

যখন আমি হাইস্কুলে পড়ি আমাদের আলী আকবর স্যার আমাদের বাংলা পড়াতেন। তিনি একদিন পড়াচ্ছিলেন যে, কবি নজরুল ধূমকেতু নামের একটি পত্রিকা বের করেছিলো। কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর উদ্বোধনী সংখ্যায় একটা ছড়া লিখে পাঠিয়েছিলেন- “আয় রে আয় ধূমকেতু, উড়িয়ে তোর বিজয় কথন” শিরোনামে। এটা ক্লাসে স্যার এমনভাবে বললো, তখন আমার মনে রোপিত হয়ে গেলো যে, আমি যদি একটা পত্রিকা বের করি তখন রবীন্দ্রনাথের মতো আমাকেও কেউ এরকম কবিতা লিখে পাঠাবে। তখন থেকেই আমার মনে সাহিত্যিক, সম্পাদক হওয়ার ইচ্ছে জাগে। চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুলে ক্লাসের সেরা ছাত্র ছিলাম। ক্লাস এইটে যখন বৃত্তি পরীক্ষা দেই, তখন আমাদেরকে একটা ভাবসম্প্রসারণ লিখতে দেয়া হয়েছিলো “সম্মুখে ঠেলিছে মোরে পশ্চাতের আমি”। আমি সবার আগে লিখে জমা দিয়ে দিলাম। তখন স্যার বললেন- “এই, তুই এতো তাড়াতাড়ি কী লিখে জমা দিয়ে দিলি?” আমি বললাম- “স্যার, আমি তো লিখে ফেলেছি।” তখন স্যার আমার লেখা দেখে তো মুগ্ধ। তারপর তিনি আমার দিকে অনেক্ষণ চুপ করে তাকিয়ে থেকে বললো যে, “তুই বড় হয়ে কী হবি?” আমি বললাম- “ স্যার, আমি তো যগদীশ চন্দ্র বসু হবো।” তারপর সাথে সাথে তিনি আমাকে কানমলা দিয়ে বেঞ্চের নিচে ঢুকিয়ে দিলেন। অনেক্ষণ পর বেঞ্চের নিচ থেকে বের করে যখন দেখলেন আমার চোখ টকটকা লাল হয়ে গেছে। তখন তিনি আমাকে বুকে জড়িয়ে ধরে আদর করে দিলেন। তিনি বললেন- “আমি দোয়া করি তুই বড় হয়ে বড় সাহিত্যিক হবি, বড় বিজ্ঞানী হবি।”

আমি বড় হয়ে বিস্ময়করভাবে দেখি- আমি মনস্তত্ববীদ হয়েছি, আমার সাবজেক্টে আমি একজন অধ্যাপক, আমার সাবজেক্টে সর্বোচ্চ পদ থেকে সরকারি পদে কর্মরত ছিলাম। জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরিচালক ছিলাম। এখন অবসরে এসেছি। আমি কথা সাহিত্যে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পেয়েছি। শিশু সাহিত্যে শিশু একাডেমি পুরস্কার পেয়েছি। এককথায় আমার ছোটবেলার লক্ষ্যগুলো পূরণ হয়েছে।

আমার এতোসব সফলতার মধ্যেও ছোটবেলায় আমাকে অনেক ঝড় ঝঞ্ঝা অতিক্রম করতে হয়েছে। আমি যখন দশম শ্রেণীতে পড়ি, এসএসসি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করি, তখন পরীক্ষার পূর্ব মুহূর্তে আমার বাবা মারা যান। আমি আমার স্কুলে সেরা ছাত্র ছিলাম, সবাই ভেবেছিলেন আমি বোর্ডে স্ট্যান্ড করবো, কিন্তু আমি কোন রকমে ফার্স্ট ডিভিশন পেলাম। বাবা মারা যাওয়ার পর যখন আমি ইন্টারমিডিয়েটে পড়ি, তখন আমার পড়াশোনা চালানোসহ থাকা খাওয়াটা কঠিন হয়ে গিয়েছিলো। মেডিকেলে পড়াশোনার সময় আমার বন্ধুরা আমাকে হেল্প করেছিলো। মহান আল্লাহর অসীম দয়ায় আমার পড়াশোনাসহ উচ্চতর কোর্সগুলো শেষ করতে পেরেছি। এখন সবাই আমাকে আলাদাভাবে চেনে, আমি মানসিকভাবে খুবই তৃপ্ত। আমি মনে করি আমার ছোটবেলা আমার বড় হওয়ার বুনিয়াদটা গড়ে দিয়েছিলো।

মেডিভয়েস: তরুণদের প্রতি ও মা-বাবাদের প্রতি আপনার কী পরামর্শ?

অধ্যাপক ডা. মোহিত কামাল: শিশুকালটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই শিশুকালে কাদামাটির বয়সে আমরা যে চাপ ফেলবো, সেই চাপটাই আমাদেরকে একসময় বড় করবে। আমি তরুণদেরসহ মামা বাবাকে বলবো, আপনার সন্তানকে নিয়ে বই মেলায় আসুন। বই মেলামুখী প্রজন্ম গড়ে তুলুন। আমি আমার ছোট শিশুকে কাঁধে করে বইমেলায় ঘুরে বেড়িয়েছি। এখন সে নিজেই ভালো লেখক হয়ে গেছে। আমি মনে যে, প্রত্যেকটা পরিবারকে তার সন্তানগুলোকে কিভাবে মানুষ করবে এটা নিয়ে ভাবা উচিত। সুতরাং শৈশবটাকে খুবই গুরুত্বের সাথে ব্যবহার করতে হবে।

অধ্যাপক ডা. মোহিত কামালের প্রকাশিত কয়েকটি গ্রন্থ:

উপন্যাস: চোরাগলি (প্রথমা প্রকাশন, ২০১৮), দুমুখো আগুন (বিদ্যাপ্রকাশ, ২০১৮), সুস্মিতার বাড়ি ফেরা (প্রথমা প্রকাশন, ২০১৭) , বিষাদনদী (অন্যপ্রকাশ, ২০১৭), তবুও বাঁধন (বিদ্যাপ্রকাশ, ২০১৭), চন্দন রোশনি (বিদ্যাপ্রকাশ, ২০১৫), পথভ্রষ্ট ঘূর্ণির কৃষ্ণগহ্বর (বিদ্যাপ্রকাশ, ২০১৪), আঁধারে আলোর ঢেউ (বিদ্যাপ্রকাশ, ২০১৪)।

কিশোর উপন্যাস: দুরন্ত দুখু (অনিন্দ্য, ২০১৮), দুখু দ্বিতীয় খণ্ড (অনিন্দ্য, ২০১৭), দুখু (অনিন্দ্য, ২০১৬), জাদুর বাকসে সোনার মোহর (অনিন্দ্য, ২০১৫), স্বর্ণজয়ী নীলচোখ (তাম্রলিপি- ২০১৪, অনিন্দ্য- ২০১৫),  উড়াল বালক (রোদেলা প্রকাশনী- ২০১২, অনিন্দ্য- ২০১৬), বাবার শত্রু কম্পিউটার গেমস ছেলের শত্রু সিগারেট (বিদ্যাপ্রকাশ- ২০১১, অনিন্দ্য- ২০১৬)।

মনস্তত্ত্ব ও গবেষণা বিষয়ক গ্রন্থ: শিশুর মনোজগৎ, শিশুর সৃজনশীল বেড়ে ওঠা (বিদ্যাপ্রকাশ, ২০০২), শিশুর বুদ্ধি ও স্মরণশক্তি কীভাবে ধারালো করা যাবে (বিদ্যাপ্রকাশ, ১৯৯৯), টিনএজ মন-২ স্বপ্ন ও দুঃস্বপ্ন (অনিন্দ্য, ২০১৫), টিনএজ মন (তাম্রলিপি, ২০১০), টিনএজ মন-১ অন্ধকার ও আলো(অনিন্দ্য,  ২০১৫), কিশোর-কিশোরীর মনে ঝড় (সময় প্রকাশন, ২০০৪), মানবমনের গতি-প্রকৃতি (বিদ্যাপ্রকাশ, ২০০১), গল্পবিজ্ঞান, মানবমনের উদ্বেগ ও বিষণ্নতা (বিদ্যাপ্রকাশ, ২০০৫), মনোসমস্যা মনোবিশ্লেষণ (অবসর, ২০০৫), গল্পবিজ্ঞান।

 

 

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
আন্তর্জাতিক এওয়ার্ড পেলেন রাজশাহী মেডিকেলের নার্স
জীবাণু সংক্রমণ প্রতিরোধে অসামান্য অর্জন

আন্তর্জাতিক এওয়ার্ড পেলেন রাজশাহী মেডিকেলের নার্স