০৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২০ ১১:৩৪ এএম

এমবিবিএস ভর্তিতে আসন ফাঁকা না রাখার নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

এমবিবিএস ভর্তিতে আসন ফাঁকা না রাখার নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

মেডিভেয়েস রিপোর্ট: চলতি সেশনে এমবিবিএস ভর্তিতে কোন আসন ফাঁকা না রাখার নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, কোনো মেধাবী শিক্ষার্থী যেন সরকারি মেডিকেল কলেজ ভর্তির সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হয়, একটি আসনও যেন শূন্য না থাকে।

বৃহস্পতিবার ২১ আসন শূন্য রেখেই ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে এমন সংবাদ প্রকাশিত হলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এই নির্দেশ দেন।

মন্ত্রী বলেন, আমি প্রতিবেদন দেখে সংশ্লিষ্ট দফতরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছি। আশা করছি, দ্রুত এই সমস্যার সমাধান হবে। আরও ২১ জন মেধাবী শিক্ষার্থী এই সেশনেই এমবিবিএসে ভর্তির সুযোগ পাবে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এএইচএম এনায়েত হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ২১টি আসন যেন ফাঁকা না থাকে সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা পেতে মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিএমডিসিকেও জানানো হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা পেলে আমরা পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, অপেক্ষমাণ তালিকায় শিক্ষার্থী থাকলেও বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে আসন শূন্য রেখে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে আসন শূন্য রয়েছে ২১টি। অপেক্ষমাণ তালিকায় রয়েছেন ২৪ শিক্ষার্থী।

উল্লেখ্য, দেশের সরকারি ৩৬ মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য ৪ হাজার ৬৮ জনকে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করা হয়। গত ১১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত লিখিত পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বর ও এসএসসি/সমমান, এইচএসসি/সমমান পরীক্ষার প্রাপ্ত জিপিএ মিলে অর্জিত স্কোরের ভিত্তিতে (মেধা ও পছন্দ) তাদের নির্বাচিত করা হয়। 

১৫ অক্টোবর মেডিকেল ভর্তির ফলাফল প্রকাশ করা হয়। ৪ হাজার ৬৮টি আসনের মধ্যে সাধারণ আসন ৩ হাজার ৯৬৬, মুক্তিযোদ্ধাদের ছেলে-মেয়ে এবং নাতি-নাতনির জন্য ৮২ এবং পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠীর জন্য ২০টি আসন সংরক্ষিত রাখা হয়। একই সঙ্গে মেধাভিত্তিক ৫০০ জনকে অপেক্ষমাণ তালিকায় রাখা হয়। আসন শূন্য হলে মেধা ও পছন্দ অনুযায়ী তারা ভর্তির সুযোগ পাবেন।

অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে প্রথম মাইগ্রেশনে ২৭০ জন শিক্ষার্থীকে ডাকা হয়। প্রথম মাইগ্রেশন থেকে ভর্তি শেষে দ্বিতীয় মাইগ্রেশনে ১৫৬ শিক্ষার্থীকে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে ডাকা হয়। আর সর্বশেষ তৃতীয় মাইগ্রেশনে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে ৬৯ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে ৬৯ জনকেই ডাকা হয়। আর এতে ভর্তি শেষে আসন ফাঁকা থাকে ২১টি।

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি
জাতীয় ওষুধনীতি-২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন

নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি