০৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২০ ০৭:৪২ পিএম
২০২০ এর অমর একুশে গ্রন্থমেলা

গ্রন্থমেলায় চিকিৎসক ফারহানা মোবিনের দুইটি বই

গ্রন্থমেলায় চিকিৎসক ফারহানা মোবিনের দুইটি বই

মেডিভয়েস রিপোর্ট: এইবারের অমর একুশে বই মেলায় লেখক ও চিকিৎসক ফারহানা মোবিন এর লেখা শিশুতোষ গল্পের বই ‘‘গোলাপি রঙ পেন্সিল’’ এবং সামাজিক সমস্যা ও তার প্রতিকার বিষয়ক  বই ‘‘আমিও মানুষ’’ প্রকাশিত হয়েছে। 

লেখকের শিশুতোষ অন্য একটি গল্পের বই "উড়ে যায় মুনিয়া পাখি" (২০১৪ সালে প্রকাশিত)। শিশুতোষ বই দুইটি  পাওয়া যাবে ছোটদের বই প্রকাশনীর ৭৩৯ স্টলে। এছাড়া লেখকের ২০২০ সালে বিদ্যা প্রকাশনা র ব্যানারে ‘‘আমিও মানুষ’’ বইটি পাওয়া যাবে ২৬৬, ২৬৭, ২৬৮ ও ২৬৯ স্টলে। 

শিশুতোষ বই দুইটির প্রচ্ছদ ও অলংকরণ করেছেন চিত্র শিল্পী বায়েজীদ সোহাগ। প্রকাশক সালমা রেহানা। বই মেলা শেষ হলে বইগুলো রকমারি ডট কমে পাওয়া যাবে। শিশু উন্নয়ন মূলক বই দুইটি সহজ-সরল ভাষায় লেখা হয়েছে। 

ডা. ফারহানা মোবিন সাত বছর  ঢাকার পান্থপথের স্কয়ার হাসপাতালে স্ত্রী ও প্রসূতি বিভাগের  মেডিকেল অফিসার  হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পেশায় চিকিৎসক হলেও সামাজিক কাজ  কর্ম ও লেখালেখি করেন নিয়মিত। তার লেখালেখি শুরু হয় চতুর্থ শ্রেণী থেকে তাঁর লেখালেখির শুরু। শৈশব থেকেই শিল্প  সাহিত্য ও সংস্কৃতির সাথে জড়িত তিনি।

লেখকের স্বাস্থ্য বিষয়ক অন্য বইগুলো বিদ্যা প্রকাশনীর স্টালে পাওয়া যাবে। বই গুলো হলো- শরীর স্বাস্থ ও পুষ্টি (২০১২), সবার আগে স্বাস্থ্য (২০১৩) ও আসুন সুস্থ থাকি (২০১৮) ।

প্রসঙ্গত, লেখক ফারহানা মোবিনের জন্ম ২৭ জুন  রাজশাহী শহরে। তিন ভাই-বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়। মা ফেরদৌসী বেগম এবং পিতা মরহুম আবদুল মোবিন। সরকারি পিএন গার্লস হাইস্কুল থেকে এসএসসি ও রাজশাহীর নিউ গভ. ডিগ্রি কলেজ থেকে  এইচএসসি পাশ করেন। পরে ঢাকার শিকদার উইমেন্স মেডিকেল কলেজ এন্ড হসপিটাল থেকে এমবিবিএস পাশ করেন। তিনি উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনে এখনো লেখাপড়া  করছেন। পাবলিক হেলথ  এ গবেষণারত। বারডেম হাসপাতাল থেকে ডায়াবেটিস  এবং হার্ট  ফাউন্ডেশন হসপিটাল থেকে হৃদ রোগের উপর সার্টিফিকেট কোর্স সম্পন্ন  করেছেন। অসহায় মানুষের ফ্রী চিকিৎসা, সমাজ সচেতনতা মূলক লেখা, টিভি চ্যানেলে অনুষ্ঠান এবং বহুবিধ সামাজিক কাজের জন্য তিনি অর্জন করেন, " বিজেম সম্মাননা এওয়ার্ড  ২০১৯", " উইবিডি সম্মাননা এওয়ার্ড ২০১৮ ", " স্বাধীনতা সংসদ আলোকিত নারী সম্মাননা এওয়ার্ড ২০১৯ "।

চিকিৎসক ফারহানা মোবিন মরণোত্তর তাঁর দুই চোখ, হার্ট, লিভার, ফুসফুস, কিডনী ও প্যানক্রিয়াস দান করেছেন। এছাড়া নাবিধ সামাজিক কাজকর্মের সাথে সংযুক্ত তিনি।
 

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
স্ফিগমোম্যানোমিটার
ইন্সট্রুমেন্ট রিভিউ

স্ফিগমোম্যানোমিটার