২৫ জানুয়ারী, ২০২০ ০৭:০১ পিএম

পুষ্টিগুণে ভরপুর খেজুর

পুষ্টিগুণে ভরপুর খেজুর

মেডিভয়েস ডেস্ক: খেজুর খুবই পুষ্টিকর একটি ফল। খেজুরকে প্রাকৃতিক শক্তির উৎস বলা হয়।  খেজুরে রয়েছে ভিটামিন, ফাইবার, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও জিঙ্ক যা স্বাস্থের জন্য খুবই উপকারি।

খেজুরের পুষ্টি উপাদান সম্পর্কে বলা হয়- চারটি বা ৩০ গ্রাম পরিমাণ খেজুরে আছে ৯০ ক্যালোরি, এক গ্রাম প্রোটিন, ১৩ মি.লি. গ্রাম ক্যালসিয়াম, ২.৮ গ্রাম ফাইবার এবং আরও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান।খেজুর শক্তির একটি ভালো উৎস। তাই খেজুর খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই শরীরের ক্লান্তিভাব দূর হয়। আছে প্রচুর ভিটামিন বি। যা ভিটামিন বিসিক্স মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।

অসাধারণ পুষ্টিগুণে ভরপুর এই খেজুর আমাদের শারীরিক নানা সমস্যা দূর করতে বিশেষভাবে কার্যকরী। তাহলে আসুন জেনে নেই খেজুরের উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে-

১. ডায়াবেটিস রোগীরা নিয়মিত খেজুর খেলে ১ বা ২টি খেতে হবে। স্বাভাবিক খাবারের পাশাপাশি মিষ্টির বিকল্প হতে পারে খেজুর। মূল খাবার নয়।

২. খেজুর দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। খেজুরের মধ্যে রয়েছে জিয়াজেন্থিন ও লিউটিন নামক উপাদান যা ম্যাকুলার ও রেটিনার স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতে ভূমিকা রাখে। তাই চোখের সমস্যায় ভোগা রোগীরা সচ্ছন্দে খেতে পারেন খেজুর।

৩. খেজুরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার যা আমাদের পরিপাক ক্রিয়া দ্রুত হতে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে।

৪. খেজুরে প্রচুর মাত্রায় প্রাকৃতির অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা একাধিক রোগকে দূরে রাখার পাশাপাশি শরীরের গঠনে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। যকৃতের সংক্রমন, গলা ব্যথা, বিভিন্ন ধরনের জ্বর, সর্দি, এবং ঠান্ডায় খেজুর উপকরী। 

৫. খেজুর আয়রন সমৃদ্ধ ফল যারা রক্তস্বল্পতায় ভুগছেন, তাদের খাদ্যতালিকায় খেজুর রাখা প্রয়োজন। এটি শরীরের প্রতিদিনের আয়রনের চাহিদার ১১ ভাগ পূরণ করে। আয়রন রক্তস্বল্পতার সমস্যা কমাতে সাহায্য করে। তাই খেজুর অ্যানিমিয়ার মতো রোগকে দূরে রাখতে বিশেষ ভুমিকা পালন করে।

৬. খেঁজুরের মধ্যে রয়েছে অধিক পরিমাণ পটাশিয়াম এবং কম পরিমাণ সোডিয়াম। যা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে উপকারী। এটি মস্তিষ্কের স্নায়বিক কার্যক্রম ভালো রাখে। অধিক পরিমাণ পটাশিয়াম স্ট্রোকের আশঙ্কা প্রতিরোধ করে।

৭. খেজুরে সেলেনিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, কপার এবং ম্যাগনেশিয়াম রয়েছে। হাড় শক্ত রাখে এবং হাড়ের ক্ষয়ও রোধ করে। 

৮. যাদের ওজন মাত্রাতিরিক্ত হারে কমে যেতে শুরু করেছে। খেজুর শরীরে ভাঙন রোধ করে ওজন বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৯. খেজুর ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফাইবার, ভিটামিন ও ম্যাগনেসিয়ামের চমৎকার উৎস।

এ ছাড়া স্মৃতিশক্তি সতেজ রাখে খেজুর। খেঁজুরের মধ্যে রয়েছে ফসফরাস। এটি মস্তিষ্কের জন্য ভালো। পটাশিয়াম থাকায় হৃদস্পন্দন ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাই আমাদের উচিত শুধুমাত্র রোজার মাস ছাড়াও সারা বছরে নিয়মিত খেজুর খাওয়া। তবে দিনে তিন থেকে চারটি খেজুরের বেশি খাবেন না কারন খেজুরে প্রচুর ক্যালরি থাকে যা আপনার ওজন বাড়িয়ে দিতে পারে।

সিন্ডিকেট মিটিংয়ে প্রস্তাব গৃহীত

ভাতা পাবেন ডিপ্লোমা-এমফিল কোর্সের চিকিৎসকরা

প্রস্তুতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

অক্টোবর-নভেম্বরে ২য় ধাপে করোনা সংক্রমণের শঙ্কা

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
বেশিদিন ওমিপ্রাজল খেলে হাড় ক্ষয়ের ঝুঁকি বাড়ে 
কিডনি পাথরের ঝুঁকি বাড়ায় নিয়মিত অ্যান্টাসিড সেবন 

বেশিদিন ওমিপ্রাজল খেলে হাড় ক্ষয়ের ঝুঁকি বাড়ে