২১ জানুয়ারী, ২০২০ ১১:৪৩ এএম

মমেক হাসপাতালে ফেব্রুয়ারিতে চালু হচ্ছে সর্বাধুনিক ক্যাথল্যাব

মমেক হাসপাতালে ফেব্রুয়ারিতে চালু হচ্ছে সর্বাধুনিক ক্যাথল্যাব

মেডিভয়েস রিপোর্ট: প্রতিষ্ঠার ৫৭ বছরের মাথায় হার্টে রিং পরানোর সর্বাধুনিক মেশিন ক্যাথল্যাব স্থাপন করা হয়েছে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। আগামী ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই চালু হচ্ছে এই ক্যাথল্যাবের কার্যক্রম।

সোমবার (২০ জানুয়ারি) রাতে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মো. নাছির উদ্দিন আহমেদ এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, জন্মের ৫৭ বছর পর আগামী ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে হাসপাতালে ক্যাথল্যাবের কার্যক্রম শুরু হবে। ইতিমধ্যে ক্যাথল্যাব স্থাপন করা হয়েছে।

মমকে পরিচালক বলেন, হার্টের নিজস্ব রক্তনালির রক্তচলাচল কি অবস্থায় আছে সেটি দেখার পদ্ধতির নাম এনজিওগ্রাম। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ক্যাথল্যাবে এটি করা হবে। এই মেশিন দিয়ে হৃদরোগ বিষেশজ্ঞগন হার্টের নিজস্ব রক্তনালির রক্তচলাচল কেমন আছে তা সরাসরি দেখতে পারেন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী বন্ধ রক্তনালির রক্তচলাচল বেলুন ও রিংয়ের (স্টেন্ট) মাধ্যমে সচল করে দিতে পারেন। এছাড়াও এর মাধ্যমে হার্ট অ্যাটাকের রোগীগন পুনরায় স্বাভাবিক জীবন ফিরে পান।

ডা. মো. নাছির উদ্দিন আহমেদ বলেন, সরকারি হাসপাতালে সরকার নির্ধারিত এনজিওগ্রামের ফি রয়েছে। এছাড়া এনজিওপ্লাস্টির জন্য অর্থাৎ রিং বা স্টেন্ট পরানোর জন্য প্রয়োজনীয় বেলুন, স্টেন্ট, ক্যাথেটারসহ অন্যান্য উপকরণের সরকার নির্ধারিত মূল্য রয়েছে। এগুলো সংশ্লিষ্ট রোগীকে বহন করতে হবে। মূল্য তালিকা কার্ডিওলজি বিভাগে দেয়া থাকবে। এছাড়াও টেম্পোরারি পেসমেকার, পার্মানেন্ট পেসমেকার স্থাপন করার কাজও চলবে সরকারি মূল্যেই। তবে গরীব রোগীদের হতাশ হবার কারণ নেই। যথাযথ প্রমান সাপেক্ষে ফ্রী এনজিওগ্রাম এবং প্রয়োজনে ফ্রী স্টেন্ট পরানোর ব্যবস্থা করা হবে। যতদিন আল্লাহ আমাকে তৌফিক দেন।

তিনি আর বলেন, আপনাদের হাসপাতাল। এর সকল সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। আমি চলে গেলেও এ হাসপাতালের স্বাভাবিক গতির জন্য আপনাদের সবার দায়িত্ব আছে; যাতে হাসপাতাল দুর্বৃত্তদের আস্তানা না হয়। আমি ৪ বছর ৩ মাস নিরলসভাবে আপনাদের সহযোগিতায় যতটা সম্ভব করেছি। আপনারা হাসপাতালকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাবেন।

উল্লেখ্য, ৮শ শয্যা বিশিষ্ট ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের কপালে জুটে না হৃদরোগের পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা। বিশেষ করে ক্যাথল্যাবের অভাবে জটিল রোগীদের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে স্থানান্তর করা হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালসহ অন্য সব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। অথচ এ হাসপাতালে বৃহত্তর ময়মনসিংহের ৬ জেলার পাশাপাশি সিলেট, সুনামগঞ্জ, কুড়িগ্রাম, গাজীপুরের একাংশের মানুষ এখানে চিকিৎসা সেবা নেন। এ হাসপাতালের ২০ শয্যার হৃদরোগ বিভাগে প্রতিদিন গড়ে ১৭০ থেকে ১৮০জন রোগী ভর্তি থাকে। কিন্তু ক্যাথল্যাব মেশিন না থাকায় পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসার সুযোগ বঞ্চিত হচ্ছেন রোগীরা। তবে, অত্যাধুনিক এই ক্যাথল্যাব কার্যক্রম চালু হলে রোগীদের এই ভোগান্তি অনেকটাই কমে যাবে বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

দাবি পেশাজীবী সংগঠনের, রিট পিটিশন দায়ের

‘বেসরকারি মেডিকেলের ৮২ ভাগের বোনাস ও ৬১ ভাগের বেতন হয়নি’

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি
জাতীয় ওষুধনীতি-২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন

নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি