১১ জানুয়ারী, ২০২০ ০১:০৩ পিএম

রয়ে গেছে ডেঙ্গুর রেশ, প্রতিরোধে এখনই পদক্ষেপের পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের 

রয়ে গেছে ডেঙ্গুর রেশ, প্রতিরোধে এখনই পদক্ষেপের পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের 

মেডিভয়েস রিপোর্ট: ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখা এ বছরের শুরুতেও শূন্যে নেমে আসেনি। গত বছরের রেশ এখনও রয়ে গেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা একদিন কমছে তো পরদিনই তা বেড়ে যাচ্ছে।

আর ডেঙ্গু প্রতিরোধে এখন থেকে পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, মশানিধন কার্যক্রম বছরজুড়ে চালানোর পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাও নিতে হবে।

সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) জানিয়েছে, চলতি বছরের ২ জানুয়ারি হাসপাতালে রোগী ছিল ২২ জন। এর মধ্যে তার আগের ২৪ ঘণ্টায় অর্থাৎ ১ জানুয়ারি সকাল ৮টা থেকে ২ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত রোগী ভর্তি হয়েছিল ১৭ জন। বাকি পাঁচ জন আগে থেকেই ভর্তি ছিল। তার ঠিক দুই দিন (৪ জানুয়ারি) পর হাসপাতালে নতুন ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা ছিল ২১ জন। 

আর গত ৮ জানুয়ারি হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগীর সংখ্যা ছিল ৯৮ জন। অথচ গত বছরের জানুয়ারিতে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ৩৮ জন। ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে এ সংখ্যা ছিল ১৫ জন্। ২০১৫ সালে জানুয়ারিতে রোগীর সংখ্যা শূন্য থাকলেও ২০১৬ সালে ১৩ জন, ২০১৭ সালে ৯২ জন ও ২০১৮ সালে ছিল ২৬ জন।

আর শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন্স সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে জানা গেছে, নতুন বছরের প্রথম ১০ দিনে হাসপাতালে ভর্তি আছে ১১৮ জন রোগী। আর হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়েছে ৬৮ জন রোগী।

আইইডিসিআরের তথ্য মতে, গত বছর দেশে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ১৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে বেসরকারি হিসেবে এই সংখ্যা আরও বেশি।

নিয়ম অনুযায়ী বছরজুড়েই মশানিধন অভিযান চালানোর পরামর্শ দিয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মৌসুমভিত্তিক করলে ভালো ফল আসবে না। আর রোগীর সংখ্যা যদি একটা লেভেল পর্যন্ত রাখা যায়, তাহলে কখনোই নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাবে না।

মশানিধনে বছরব্যাপী কার্যক্রম চালানোর পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা জরুরি বলেও মনে করেন তারা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. সানিয়া তহমিনা ঝোরা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, গত ১৭ থেকে ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত ঢাকা শহরে সর্বশেষ মশা জরিপ করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, গত বছর এই সময়ে যে পরিমাণ লার্ভা ছিল, এ বছর তার চেয়ে কম।

রাজধানীর বড় প্রকল্প এলাকার লার্ভা বা মশা নিধন করা দুরুহ উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, এ বছর ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে গণপূর্ত বিভাগ, আবহাওয়া অধিদপ্তরসহ সবার সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন। এজন্য দরকার বাড়তি তহবিলও।

মেডিভয়েসের প্রধান উপদেষ্টার মৃত্যুতে শোক

বিএসএমএমইউ স্থাপনে অধ্যাপক তাহিরের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল

মেডিভয়েসের প্রধান উপদেষ্টার মৃত্যুতে শোক

বিএসএমএমইউ স্থাপনে অধ্যাপক তাহিরের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি
জাতীয় ওষুধনীতি-২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন

নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি