০৪ জানুয়ারী, ২০২০ ১১:০৭ এএম

বছরজুড়ে হাসপাতালে হামলা, নিরাপত্তাহীনতায় চিকিৎসকরা

বছরজুড়ে হাসপাতালে হামলা, নিরাপত্তাহীনতায় চিকিৎসকরা
গত বছর চিকিৎসকদের ওপর হামলার খণ্ডচিত্র

মো. মনির উদ্দিন: নানা ঘটন-অঘটনের মধ্য দিয়ে বিদায় হলো একটি বছর। প্রায় সাড়ে চার হাজার চিকিৎসক নিয়োগ, ব্যাপক সংখ্যক চিকিৎসকের পদোন্নতির মতো বেশ কিছু যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে উল্টোপৃষ্ঠে তিক্ত অভিজ্ঞতাও রয়েছে স্বাস্থ্যখাতের প্রাণভোমরা চিকিৎসকদের। 

ঠুনকো কারণে গত বছরের শেষ ৬ মাসেই রোগীর স্বজন ও প্রভাবশালীদের হামলার শিকারের খবর বিভিন্ন সময় পত্রিকার শিরোনাম হয়েছে। এছাড়াও অনেক খবর প্রকাশও হয়নি বা হওয়ার গুরুত্ব পায়নি। 

দেশের মানুষকে রাত-দিন স্বাস্থ্য সেবা প্রদানকারীদের সুরক্ষার জন্য আলাদা আইন করা জরুরি বলে মনে করেন পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা। 

আর হামলার শিকার চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, হামলার ঘটনায় চিকিৎসদের চেয়ে রোগীরাই বেশি ক্ষতির মুখোমুখি হচ্ছেন। 

সিলেট নারী চিকিৎসককে হত্যা ও ধর্ষণের হুমকি!

সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের এক নারী চিকিৎসককে হত্যা ও ধর্ষণের হুমকি দেন স্থানীয় এক ছাত্র নেতা। এ সময় দায়িত্বরত নিরাপত্তা প্রহরী ও লিফটম্যানকেও লাঞ্ছিত করা হয়।

গত বছরের ৯ মে বিকালে ১০-১৫ জন ছাত্রলীগ নেতাকর্মী পেটের পীড়ায় ভোগা একজনকে সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। রোগীর সঙ্গে একজন থেকে বাকিদের বাইরে যেতে বলেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। কিন্তু তারা বাইরে যেতে অস্বীকৃতি জানায়। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে চিকিৎসকের ওপর চড়াও হন তারা।

এ সময় দক্ষিণ সুরমা উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি সারোয়ার হোসেন ওই চিকিৎসককে ছুরি প্রদর্শন করে হত্যা ও ধর্ষণের হুমকি দেন। 

ভোলায় চিকিৎসককে প্রাণনাশের হুমকি

ইমার্জেন্সিতে রোগী রেখে বাড়িতে গিয়ে (কলে) রোগী দেখতে অপারগতা প্রকাশ করায় ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মোবাশ্বির হাসান লিমনকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। গত বছরের ৯ জুন দুপুর দুইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

কর্মস্থলে তাঁর সঙ্গে এ অপ্রীতিকর ঘটনার বর্ণনা দিয়ে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের চতুর্থ ব্যাচের শিক্ষার্থী ডা. মোবাশ্বির মেডিভয়েসকে বলেন, ‘বেলা দেড়টার দিকে একজন লোক সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে তার সঙ্গে আমাকে কলে বাড়িতে নিয়ে যেতে চায়। ইমার্জেন্সিতে একমাত্র চিকিৎসক হিসেবে ডিউটি করার কারণে এবং আরও রোগী থাকায় তার সঙ্গে যেতে অপারগতা প্রকাশ করি। দুপুর দুইটার দিকে আমি হাসপাতালের গেটের বাইরে গেলে ওই সাংবাদিক অনেক মানুষের সামনে আমাকে গালাগালি শুরু করেন, হাসপাতালের বাহিরে পেলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেন।’

চাঁপাইনবাবগঞ্জে দুই চিকিৎসককে মারধর

চাঁপাইনবাবগঞ্জে চিকিৎসাধীন এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রীর গর্ভের মৃত বাচ্চাকে অপারেশনের মাধ্যমে অপসারণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চিকিৎসকসহ তিন জনকে মারধর করে পুলিশ সদস্যরা। তারা হলেন ডা. ময়েজ উদ্দিন ও ডা. ইসমাইল হোসেন। 

গত বছরের ১২ জুন রাত ৮টার দিকে জেলা শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।

ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গোয়েন্দা পুলিশের সদস্য খাদেমুল ইসলাম স্ত্রীর গর্ভে মৃত সন্তান নিয়ে ওই দিন বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের সেবা ক্লিনিকে ভর্তি হন। সন্ধ্যা ৬টার দিকে অস্ত্রপচারের মাধ্যমে মৃত শিশু অপসারণ করানো হয়। এর পর গোয়েন্দা পুলিশের পাঁচ-ছয় জন সদস্য ওই ক্লিনিকে গিয়ে অসদাচরণ শুরু করে। চিকিৎসক ও কর্মচারীর সঙ্গে ধাক্কাধাক্কির একপর্যায়ে দুই চিকিৎসক ও এক কর্মচারীকে মারধর করেন তারা। পরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহবুব আলম খান ও চিকিৎসক নেতারা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। 

পুলিশ ও চিকিৎসক নেতাদের দীর্ঘ রুদ্ধদার বৈঠকে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়।

নিহতের পাশে অবস্থান না করায় চিকিৎসকের ওপর হামলা

কিশোরের লাশ হাসপাতাল থেকে না নেওয়া পর্যন্ত নিহতের পাশে অবস্থান না করায় বরগুনা সদর হাসাপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. মশিউর রহমানের ওপর হামলা চালায় স্বজনেরা। গত ১৯ জুন রাত ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। 

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার সোহরাব উদ্দিন মেডিভয়েসকে বলেন, চিকিৎসাধীন সদর উপজেলার ৯ নম্বর ইউনিয়নের লাকুরতলার দ্বীন আলী হাওলাদারের কিশোর ছেলে আব্দুল্লাহর অবস্থা খারাপের দিকে যাচ্ছিল। পরে তাকে বরিশাল মেডিকেল কলেজে রেফার্ড করা হয়। কিন্তু রোগীর স্বজনেরা তাকে নিয়ে যায়নি। এ অবস্থায় ওই রাত ১১টার দিকে মারা যায় সে। এ সময় ডিউটিরত চিকিৎসক মন খারাপ করে তার কক্ষে চলে যান। পরে রোগীর কিছু আত্মীয়-স্বজনরা রুমে গিয়ে তার ওপর হামলা চালায়।

কাপাসিয়ায় জরুরি বিভাগে চিকিৎসকের ওপর হামলা 

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে হামলায় দায়িত্বরত চিকিৎসকসহ তিনজন আহত হয়েছেন। গত ২৯ ডিসেম্বর রাত ১০টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

দুপুরে ওই হাসপাতালে মাতৃমৃত্যু প্রতিরোধ কার্যক্রম পরিদর্শনে এসেছিলেন সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি হাসপাতাল থেকে চলে যাওয়ার ছয় ঘণ্টা পর এই হামলা হয়।

হামলায় আহতরা হলেন হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক গোলাম রসুল, চিকিৎসকের সহকারী মোহাম্মদ বাদল ও নৈশপ্রহরী আবুল কাশেম।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আব্দুস সালাম বলেন, রাত সাড়ে নয়টার দিকে বুকে ব্যথা অনুভব করা একজন রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন কয়েকজন। চিকিৎসক ওই রোগীকে অন্য জায়গায় রেফার্ড করেন। এর কিছুক্ষণ পরেই পাঁচ থেকে ছয়জন এসে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে হামলা চালায়। হামলায় চিকিৎসক গোলাম রসুল বেশি আহত হয়েছেন। তাঁর হাত কেটে গেছে। 

এছাড়া কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কেরানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, বরগুনার বামন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, খুলনার খালিশপুর, নাটোরের বাগাতিপাড়া ও পাবনার ঈশ্বরদীসহ বেশ কিছু জায়গায় চিকিৎসক লাঞ্ছিতের ঘটনা ঘটেছে। 

ভুক্তভোগী চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য প্রশাসকের বক্তব্য

গত বছর কর্মক্ষেত্রে হামলার শিকার রাজধানীর আনোয়ার খান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার মোশাররফ হোসেন সিজান মেডিভয়েসকে বলেন, ‘চিকিৎসকদের কর্মক্ষেত্র দীর্ঘদিন ধরে অনিরাপদ। এটা বন্ধে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের একটি জবাবদিহি থাকা উচিত। কারণ বেসরকারি হাসপাতালে হামলার সময় চিকিৎসক নিরাপত্তা ও হাসপাতালের নিরাপত্তা আলাদা বিষয় হয়ে যায়। পাশাপাশি মানুষকে সচেতন করতে হবে, হামলার ঘটনাগুলোর মাধ্যমে মূলত রোগীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। কারণ হালমার শিকার হওয়া চিকিৎসক অন্য জায়গায় চিকিৎসা দিতে গিয়ে সীমাহীন দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ে যান।’

তিনি বলেন, প্রস্তাবিত স্বাস্থ্য সেবা ও সুরক্ষা আইনটি যদি ভালোভাবে পর্যালোচনা করে রোগী-চিকিৎসকের নিরাপাত্তার পাশাপাশি হাসপাতালের সম্পদের নিরাপত্তা বিধান করা যায়, তাহলে এটি পূর্ণাঙ্গ হবে। কারণ সরকারি হাসপাতাল ভাঙচুরের বেলায় কোনো রকম জবাবদিহি থাকে না। এক্ষেত্রে চিকিৎসক আহত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রাষ্ট্রেরও বিরাট ক্ষতি হয়ে যায়।

কর্মস্থলে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা এখন সময়ে দাবি উল্লেখ করে পাবনা জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. মেহেদী ইকবাল মেডিভয়েসকে বলেন, ‘নতুন যারা নিয়োগ পেয়েছেন, তাদের ব্যাপারে ওপর থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়, তারা যেন নিরাপদে থাকে। কিন্তু এখানে এই যদি অবস্থা হয়, একজন নারী চিকিৎসকের ওপর যদি চড়াও হয়, তাহলে এটা তো দুঃখজনক।’

হামলা বন্ধে করণীয় কী? যা বলছেন চিকিৎসক নেতারা

চিকিৎসকদের ওপর হামলা বন্ধে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে জানতে চাইলে ফাউন্ডেশন ফর ডক্টরস সেফটি অ্যান্ড রাইটসের (এফডিএসআর) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. আবুল হাসনাত মিল্টন মেডিভয়েসকে বলেন, “বর্তমানে ‘স্বাস্থ্য সেবা ও সুরক্ষা’ নামে যে আইনটা হচ্ছে তাতে অনেক ইস্যু আনতে গিয়ে হ-য-ব-র-ল অবস্থা হয়ে গেছে। এজন্য দুটি ভিন্ন আইন করতে হবে। স্বাস্থ্য সেবা প্রদানকারীদের সুরক্ষার জন্য আলাদা আইন করতে হবে।”

তিনি বলেন, ‘প্রস্তাবিত আইনের খসড়ায় সেবরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে ১৯৮২ সালের করা বিদ্যমান আইনের সঙ্গে সুরক্ষার বিষয়টি জুড়ে দেওয়া হয়েছে। এটি অসম্পূর্ণ। এছাড়া সরকারি হাসপাতালের সেবা কিভাবে নিশ্চিত হবে সে ব্যাপারে অস্পষ্টতা আছে। এতে সবকিছু সংযুক্ত করতে গিয়ে কোনো কিছুই পরিষ্কার করা হয়নি।’

তিনি বলেন, “এতে না ডাক্তার উপকৃত হবেন, না রোগী। সুতরাং আমাদের দাবি, চিকিৎসক নির্যাতন কমাতে হলে আমাদের স্বতন্ত্র ‘চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য সেবা প্রদানকারী সুরক্ষা আইন’ করতে হবে। এ লক্ষ্যে নতুন বছরে আমাদের আন্দোলন চলবে।”

তিনি আরও বলেন, এফডিএসআর জন্মের পরে চিকিৎসক নির্যাতনের ঘটনা কিছুটা হলেও কমেছে। প্রতিটি হামলার ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ হয়েছে। কিন্তু আইন না হওয়া পর্যন্ত এর নিয়ন্ত্রণ সম্ভব না। এজন্য তারা স্বতন্ত্র সুরক্ষা আইনের ওপর জোর দিচ্ছেন। তারা চান, নতুন বছরে পুরো স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভালোভাবে চলুক। 

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ডক্টরস' ফাউন্ডেশনের (বিডিএফ) প্রধান উদ্যোক্তা ডা. নিরুপম দাশ মেডিভয়েসকে বলেন, ‘চিকিৎসক নির্যাতন বন্ধে বিডিএফের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রতিটি উপজেলায় একটি টিম যাবে। তারা চিকিৎসকদের সঙ্গে নিয়ে থানার ওসি, ইউএনও, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের সঙ্গে স্বাস্থ্য সেবা প্রদানকারীদের নিরাপদ কর্মস্থল নিশ্চিতের বিষয়ে কথা বলে আসবে। পরে স্থানীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে জনসাধারণের কথা শুনবে। বগুড়ার শাহজাহানপুর ও পিরোজপুরে পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে বছরব্যাপী এ কাজ শুরু হয়েছে।’

নিজেদের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এ লক্ষ্যে এরই মধ্যে ৬৪ জেলায় বিডিএফের লিগ্যাল টিম গঠিত হয়েছে। প্রতিটি জেলায় ১১ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি থাকবে। প্রতি উপজেলায় দুইজন করে অ্যাম্বাসেডর থাকবেন। পাশাপাশি প্রতিটি মেডিকেল কলেজে আমাদের একটি শাখা থাকবে।’

চিকিৎসকদের ওপর হামলা বন্ধে প্রস্তাবিত আইনটি তেমন ভূমিকা রাখতে পারবে না মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘প্রস্তাবিত আইনে হামলা বন্ধ করা কোনোভাবেই সম্ভব না। এজন্য আমরা মতামত দিয়েছি। কিছু পরিবর্তন করতে হবে। চিকিৎসক সুরক্ষা আর রোগী সুরক্ষার জন্য আলাদা আইন হতে হবে। আমাদের চাওয়া হলো, দুপক্ষই যেন উপকৃত হয়।’

সিন্ডিকেট মিটিংয়ে প্রস্তাব গৃহীত

ভাতা পাবেন ডিপ্লোমা-এমফিল কোর্সের চিকিৎসকরা

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা উপেক্ষা

অতিরিক্ত বেতন নিচ্ছে একাধিক বেসরকারি মেডিকেল

প্রস্তুতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

অক্টোবর-নভেম্বরে ২য় ধাপে করোনা সংক্রমণের শঙ্কা

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি
জাতীয় ওষুধনীতি-২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন

নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি