১৯ নভেম্বর, ২০১৯ ১১:০২ পিএম
আপডেট: ১৯ নভেম্বর, ২০১৯ ১১:১১ পিএম

‘স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইনটি ৫৭ ধারার মতো প্রহসনমূলক আইনে পরিণত হবে’

‘স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইনটি ৫৭ ধারার মতো প্রহসনমূলক আইনে পরিণত হবে’

মেডিভয়েস রিপোর্ট: স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইনটি ঘষামাজা করতে গেলে ৫৭ ধারার মতো একটি প্রহসনমূলক আইনে পরিণত হবে বলে মন্তব্য করেছেন দেশের প্রখ্যাত সাংবাদিক গোলাম মর্তুজা।

তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে ডাক্তার ও সাধারণ মানুষ প্রতিপক্ষ হয়ে গেছে। এরকম আইন করার সময় রাজনৈতিক স্বার্থের দিকে নজর রেখে আমলারা কিংবা অ-ডাক্তাররা আইনটি করে ফেলে। আপনারা জোর দাবি তুলে ধরেন এ আইন বাতিল করে নতুন আইন প্রণয়ন করার জন্য। যেখানে আপনাদের উপস্থিতি থাকবে। কেননা এটা করতে গেলে ৫৭ ধারার মতো সাংবাদিক দমন আইনের ন্যায় ডাক্তার দমনের একটি আইন প্রণীত হবে।

মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে এফডিএসআর আয়োজিত ‘প্রস্তাবিত স্বাস্থ্য সেবা ও সুরক্ষা আইন-২০১৮ নিরাপত্তা রোগের চিকিৎসক: বাংলাদেশ প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

গোলাম মর্তুজা বলেন, ডাক্তার সমাজের পক্ষ থেকে যদি এই আইনটিকে পুরোপুরি অস্বীকার করা না হয়, যদি বলা না হয় যে আমরা এ আইনের খসড়া আমরা মানি না, এই খসড়ার কোন ধারা আমরা বিশ্বাস করি না, তাহলে আরেকটি প্রহসন আপনাদের সাথে হতে চলেছে। সুতরাং আসুন আমরা সবাই মিলে একটি আইন করবো, যে আইনে আমাদের সবার অংশগ্রহন থাকবে। এই বিষয়গুলো নিয়ে আপনাদের সুদৃঢ় ভূমিকা নিতে হবে। নয়তো আপনাদের মুরুব্বী সংগঠনকে মিঠিংয়ে ডাকা হবে এবং তারা সেখানে গিয়ে মিনমিন করবে। আপনারা যা চাইছেন, যে ভাষায় বলছেন, আপনাদের সে ভাষা আর চাওয়ার কোন প্রতিফলন হবে না। আর যেহেতু আপনাদের ভাষার প্রতিফলন হবে না, সেহেতু টুকটাক ঘষামাজা করেই এই আইনটি এখন যা আছে এর দুইয়েকটি বাক্য এদিক-সেদিক করে ৫৭ ধারার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মতো ঠিক একিরকম পরিণতি নিয়ে আসবে। সুতরাং এই আইনটি ঘষামাজা থেকে আপনাদের বেড়িয়ে আসতে হবে এবং নতুন আরেকটি খসড়া তৈরি করতে হবে।

তিনি বলেন, নতুন আইনে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনার সাথে ডাক্তারদের সম্পৃক্ততা থাকবে কিনা সেটা পরিস্কার থাকতে হবে। যদি ডাক্তারদের  সম্পৃক্ততা থাকে, তাহলে সেটি পরিস্কার করতে হবে। ডাক্তাররা যদি ব্যবস্থাপনার সঙ্গে থাকে, তৃতীয় কিংবা চতুর্থ শ্রেণীর কোন কর্মচারীর মাধ্যমে একটা হাসপাতাল পরিচালিত হতে পারবে না। সেখানে নীতিনির্ধারক পর্যায়ে সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে ডাক্তারদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে। আর ডাক্তাররা যদি মনে করে না আমরা ব্যবস্থাপনার এ জটিল জায়গায় যেতে চাই না, তাহলে ব্যবস্থাপনার পুরো জায়গাটা আপনাদের ছেড়ে দিতে হবে। আর ব্যবস্থাপনার জন্য সম্পূর্ণ আলাদা লোক এখানে নিয়োগ দেন। আপনারা ডাক্তারি করবেন, আবার ব্যবস্থাপনার কিছু অংশের সাথে সম্পৃক্ত থাকবেন, আপনাদের উপরে একজন সেনাবাহিনীর লোক এসে বসে থাকবে, আর আপনারা তার সামনে গিয়ে কথা বলতে পারবেন না, এটা কেমন কথা? মন্ত্রণালয়ের লোকজন ঠিক করবে কি জিনিস কেনা হবে, আর ডাক্তাররা দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে সেখানে গিয়ে স্বাক্ষর করবেন, আর ৩ কোটি টাকার জিনিস ১৩ কোটি টাকা দিয়ে কেনা হবে, আপনি দায়িত্বপ্রাপ্ত ডাক্তার, আপনারও সেখানে স্বাক্ষর আছে, আর পরে বলবেন না..না আমার এটা সম্পৃক্ততা ছিলো না, এটা হবে না। আপনি দ্বায় নিলে পুরোটার নিতে হবে, নয়তো নেয়া যাবে না -এই জায়গাটি পরিস্কার হওয়া দরকার।

সাপ্তাহিক সম্পাদক বলেন, বাংলাদেশে তৃতীয়-চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারি দ্বারা হাসপাতাল পরিচালনা হবে আর আপনি সুচিকিৎসা পাবেন, রোগীর স্বার্থ সুরিক্ষিত থাকবে এই অবস্থা কোনভাবেই সম্ভব নয়। এটি আমাদের ঠিক করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ডাক্তার এবং রোগীরা মুখোমুখী অবস্থানে চলে গেল কেন এটা খুঁজে বের করতে হবে। ডাক্তারদের প্রায়ই কিছু বদনামের অংশীদার হতে হয়। এই জায়গাগুলোতে ডাক্তারদের একটা সুস্পষ্ট ভূমিকা থাকা দরকার। বর্তমানে ডাক্তারদের বিরুদ্ধে প্রচলিত একটা অভিযোগ হলো- ডাক্তারের কাছে কোন রোগী আসলেই তাকে ১০/১২ টা টেস্ট করার জন্য পাঠিয়ে দেয় এবং সে টেস্টের ৪০ শতাংশ কমিশন নাকি পায় ডাক্তার। এই যে একটা বিষয় নিয়ে সাধারণ মানুষ বিশ্বাস গড়ে উঠেছে, এই বিশ্বাসের সত্যতা কতোটা? যদি সত্যতা থেকে থাকে, তাহলে ডাক্তারদের এ বিষয়টা উপলব্ধি করা দরকার যে আমরা কিভাবে এর থেকে বের হয়ে আসবো। আর যদি সত্যতা না থেকে থাকে, তাহলে সিদ্ধান্ত নেয়া দরকার যে এই অভিযোগটি আমি খন্ডন করবো কিভাবে? কেন সাধারণ মানুষ ধারনা করবে যে আমি ১০০ টাকা খরচ করে একটা টেস্ট করালাম এর থেকে ৪০ টাকা ডাক্তার নিয়ে যাবে? এই যে ডাক্তারের ভাবমূর্তিগত একটা ব্যাপার, এখান থেকে আমাদের বের হয়ে আসা দরকার।

‘চিকিৎসক সংগঠনগুলো স্বাস্থ্যসেবা সুরক্ষা আইন নিয়ে কথা বলছে না’

চিকিৎসকদের পেশাজীবী সংগঠনগুলো স্বাস্থ্যসেবা সুরক্ষা আইন নিয়ে কথা বলছে না বলে মন্তব্য করেছেন দেশের প্রখ্যাত সাংবাদিক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা।

তিনি বলেন, মন্ত্রণালয় জানিয়েছে স্বাস্থ্যসেবা সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করার সময় বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনসহ (বিএমএ) স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) নেতারা উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু আইনের বিষয়ে তারা কোন কথা বলছে না।

গাজী টিভির এডিটর ইন চিফ ইশতিয়াক রেজা বলেন, স্বাস্থ্যখাতকে একটি বাজার হিসাবে দেখি, তাহলে এখানে মেজর স্টকহোল্ডার হলেন রোগীরা। তার চেয়ে বড় ব্যাপার হলো এখানে সবচেয়ে বড় খেলোয়ার কারা? আমরা দেখছি এই বাজারে সবচেয়ে বেশি খেলছে বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন (বিএমএ), যারা চিকিৎসকদের স্বার্থরক্ষায় কাজ করার কথা। এছাড়াও সরকারিভাবে যেদলই ক্ষমতায় থাকুক ড্যাব অথবা স্বাচিপ স্বার্থরক্ষায় কাজ করার কথা। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে দেখছি যে, এ মুহুর্তে স্বাচিপ এবং বিএমএ কোন ভূমিকা রাখছে না। আপনারা ইয়াং ডাক্তাররা একটা সংগঠন করেছেন এফডিএসআর, আমি আপনাদেরকে ধন্যবাদ জানাই। আপনাদের আরও বেশি সোচ্চার হতে হবে।

বিএমডিসিকে স্বাস্থ্যখাতে নজর দেওয়ার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, বিএমডিসি সাধারণত ভুয়া ডাক্তারদের সনাক্ত করবে, ডাক্তারদের রেজিস্ট্রেশন, ডাক্তারদের অধিকার নিয়ে কথা বলবে, কিন্তু আজ পর্যন্ত বিএমডিসি ডাক্তারের কোন অসাদচরণ বা অডাক্তারি কোন আচরণের জন্য কোন চিকিৎসককে কোন শাস্তি দিয়েছে? অথচ বিএমডিসি যদি মনে করে স্বাস্থ্যখাতে আমরা একটা শৃঙ্খলা চাই, তাহলে বিএমডিসি এদিকে নজর দিতে পারে।

তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্যখাতের আইনটি ১৭ কোটি মানুষের জন্য একটি আইন। দেশে কতোগুলো আইন থাকে খুব বিশেষায়িত, এরমধ্যে এই একটি আইন মানুষকে স্পর্শ করছে। সেকারণেই আমি মনে করি স্বাস্থ্যখাতে সামগ্রিকভাবে একটা সুশাসনের অভাব দেখছি। একসময়ে আমাদের শ্লোগান ছিলো ‘সবার জন্য স্বাস্থ্য’ কিন্তু এখন এটি হয়েছে- ‘সবার জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্য’। এখন মানসম্মত স্বাস্থ্য চাইতে গেলে মানসম্মত চিকিৎসকের দরকার, আবার মানসম্মত চিকিৎসক চাইলে তার জন্য মানসম্মত তার একটা লাইফস্টাইল দরকার। যেন সে স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করতে পারে এমন একটা পরিবেশ দরকার। সেই জায়গা থেকে আপনারা ডাক্তারদের সুরক্ষা চাচ্ছেন, আমরা আপনাদের সাথে আছি।

ইশতিয়াক রেজা আরও বলেন, স্বাস্থ্যখাতে কিছু কিছু জায়গায় সংস্কারের প্রয়োজন আছে। ঢাকা মেডিকেল হাসপাতাল ঢাকা শহরের নাম্বার ওয়ান হাসপাতাল, কিন্তু এখানে রেফারেল সিস্টেম চালু নাই। ফলে ছোটখাটো রোগ নিয়েও সব রোগীরা এখানে আসে। ঢাকায় আমাদের জন্য কোন প্রাইমারি হেলথ কেয়ার নাই। এটা নিয়ে আপনাদের ডাক্তারদের থেকে আওয়াজ তোলা উচিত যে, এতো মানুষ ঢাকা মেডিকেল কলেজে কেন আসবে? একটা রোগীর তো প্রথমত কোন প্রাইমারি কেয়ার পাওয়া উচিত, তারপর ঢাকা মেডিকেলে আসা উচিত।

স্বাস্থ্যসেবা ও সুরক্ষা আইন নিয়ে উচ্চ আদালতে যাবে এফডিএসআর

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রস্তাবিত ‘স্বাস্থ্যসেবা ও সুরক্ষা আইন ২০১৮’ খসড়াকে অযৌক্তিক হিসেবে উল্লেখ করেছে ফাউন্ডেশন ফর ডক্টরস সেফটি অ্যান্ড রাইটস (এফডিএসআর)। এই আইন সংশোধনে প্রয়োজনে উচ্চ আদালতে রিট বা আইনি প্রক্রিয়ায় যাবে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

বৈঠকে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন সংগঠনের উপদেষ্টা মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ডা. আব্দুন নূর তুষার। তিনি জানান, এ বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে আলাপ করেছে এফডিএসআর। মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, ‘আইন প্রণয়ন করার সময় বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনসহ (বিএমএ) স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এ বিষয়ে তখন তারা কোনো মন্তব্য করেননি। তাদের মতে এ আইন ঠিকঠাক মতোই প্রস্তুত করা হয়েছে।’ কিন্তু তৃণমূল পর্যায়ের চিকিৎসকদের সঙ্গে এসব বিষয়ে আলাপ-আলোচনা করা হয়নি। ফলে চিকিৎসকদের জন্য উপকারী কোনো আইন প্রণীত হয়নি।

তিনি বলেন, ডাক্তারের নিরাপত্তা বলতে এখানে বোঝানো হয়েছে, তিনি যেন কোনো ধরনের হামলার শিকার না হন। এছাড়া আর কিছু উল্লেখ নেই।  সাধারণত হামলার শিকার হলে ফৌজদারি মামলা করলে বিচার পাবে। এজন্য আলাদা কোনো আইনের দরকার ছিল না।

ডা. তুষার বলেন, সারাদেশে লাখ লাখ ভুয়া ডাক্তার অপচিকিৎসার মাধ্যমে প্রতিনিয়ত জনসাধারণের সাথে প্রতারণা করে চলছে। অথচ প্রস্তাবিত স্বাস্থ্যসেবা সুরক্ষা আইনে ভুয়া চিকিৎসকদের শনাক্তকরণ এবং এদের বিরুদ্ধে কোন শাস্তিমূলক ব্যবস্থার কথা বলা হয়নি। এ ব্যাপারে আমরা হতাশ এবং ক্ষুব্ধ।

বিএমডিসি’র রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. লিয়াকত বলেন, স্বাস্থ্যসেবা ও সুরক্ষা আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে বিএমডিসি এখন পর্যন্ত কোনো মান-এ আসেনি বা তাদের এখানে রাখা হয়নি। অথচ এক্ষেত্রে বিএমডিসির অনেক বড় অবদান থাকার কথা ছিল। নিবন্ধন ছাড়াও এই প্রতিষ্ঠানটির আরও অনেক কাজ রয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য একটি বিশেষ সেল গঠন করা আছে। প্রয়োজনে অনৈতিক আচরণের জন্য চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. সানিয়া তাসনিম বলেন, প্রস্তাবিত আইনে ডাক্তার ও রোগীদের সম্পর্কটি সঠিকভাবে বিবেচনা করা হয়নি। চিকিৎসাসেবা নিতে এসে রোগীর প্রশ্ন হতে পারে যে, চিকিৎসা ঠিকমতো হচ্ছে কিনা। কিন্তু জানার পরেও কোনো জটিলতা সৃষ্টি হলে তখন তারা সবকিছু অস্বীকার করে ডাক্তারদের দোষারোপ করে। তারা বলে আমরা জানিনা বা বুঝিনা।

‘যেমন- রোগী বা রোগীর স্বজনদের অনুমতি না পেলে গর্ভাবস্থায় সিজার করা যায় না বা আমরা করতে পারি না। সিজারের পর কোনো জটিলতা সৃষ্টি হলে তখন রোগীর স্বজনরা আমাদেরকেই দোষারোপ করে। এরকম একটি জটিল বিষয় কিংবা চিকিৎসকদের নিরাপত্তার ব্যাপারে সেরকম কিছুই বলা হয়নি। চিকিৎসা ক্ষেত্রে কী তথ্য সংরক্ষণ করতে পারবে, সেই ব্যাপারেও কিছু বলা হয়নি।’

বিএমএ’র সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডা. রশীদ-ই-মাহবুব বলেন, আমাদের দেশের জনগণের বিদেশে যাওয়ার প্রবণতা একেবারেই কমেনি। সবকিছু ঠিকঠাক করতে হলে সাধারণ জনগণকে অনেক সচেতন হতে হবে। দেশের কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে ডাক্তার থাকে না, সেখানে হেলথ প্রোভাইডার থাকেন। তারা বেআইনিভাবে প্রেসক্রিপশন করে। এসব বিষয় নজরে আনা দরকার ছিল।

এফডিএসআরের মহাসচিব ডা. শেখ আব্দুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- সংগঠনটির কোষাধ্যক্ষ ডা. ফরহাদ মঞ্জুর, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. জাহিদুর রহমান, আইন বিষয়ক সম্পাদক ডা. নোমান চৌধুরী, মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিকেশন্স বিষয়ক সম্পাদক ডা. শাহেদ ইমরান প্রমুখ।

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত