শাহীদুজ্জামান শাহীদ

শাহীদুজ্জামান শাহীদ

সাংগঠনিক সম্পাদক

সন্ধানী, সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ ইউনিট


১৮ নভেম্বর, ২০১৯ ০২:১২ এএম

সিওমেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. ময়নুল হকের সফলতার গল্প

  • সিওমেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. ময়নুল হকের সফলতার গল্প
  • সিওমেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. ময়নুল হকের সফলতার গল্প
  • সিওমেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. ময়নুল হকের সফলতার গল্প
  • সিওমেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. ময়নুল হকের সফলতার গল্প
  • সিওমেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. ময়নুল হকের সফলতার গল্প
  • সিওমেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. ময়নুল হকের সফলতার গল্প
  • সিওমেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. ময়নুল হকের সফলতার গল্প

সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. ময়নুল হক সিলেটের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। মরহুম মো. জুবেদ আলী ও জান্নাতুন্নেছা খাতুনের সাত সন্তানের মাঝে তিনি পঞ্চম। তার বাবা ১৯২৭ সালে আসামের ডিব্রুগড় থেকে চিকিৎসা বিজ্ঞানে পড়ালেখা করেন। তার তিন ভাই ও একমাত্র বোন ব্রিটিশ নাগরিক। 

বড় ভাই ডা. বদরুল হক রোকন একজন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ও সিলেটের পার্কভিউ মেডিকেল কলেজের অন্যতম পরিচালক। বদরুল হকের সহধর্মিণী প্রফেসর ডা. লুৎফুন্নাহার সিওমেকের ফার্মাকোলজি বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান।

অধ্যাপক ef. ময়নুল হক সিওমেক ১৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। ১৯৯৮ সালে তিনি সিওমেক এর মাইক্রোবায়োলজি বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন এবং পরবর্তীতে Queen Mary School of Medicine & Dentistry, University of London থেকে ক্লিনিক্যাল মাইক্রোবায়োলজি বিষয়ে এম.এস ডিগ্রি অর্জন করেন। তার রয়েছে একাধিক গবেষণাপত্র।

অধ্যাপক ময়নুলের রয়েছে বর্ণাঢ্য ছাত্ররাজনীতির ইতিহাস। ১৯৭৯-৮০ সালে তিনি সিলেটের এম.সি কলেজ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজে অধ্যয়নকালে ১৯৮৫ থেকে ১৯৮৭ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সিওমেক শাখার সভাপতি ছিলেন। একই সময়ে তিনি এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য পরিষদের আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন। 

তিনি সিলেট জেলা স্বাচিপের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য এবং স্বাচিপ ও বিএমএর আজীবন সদস্য।

প্রফেসর ময়নুল হক দীর্ঘদিন যাবৎ ওসমানী মেডিকেল কলেজের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হিসেবে দায়িত্বপালন রয়েছেন। 

২০১৮ সালের ২৪ ডিসেম্বর তিনি এই মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি হাতে নেন। BdRen এর সহযোগিতায় স্থাপন করেছেন Distance Learning Theatre, যার মাধ্যমে দেশী বিদেশী বিভিন্ন স্বনামধন্য মেডিকেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম পরিচালনা করার সুযোগ রয়েছে। শিক্ষার্থীদের মেধা ও মননের সঠিক বিকাশের লক্ষ্যে চালু রয়েছে সকল ধরনের সাহিত্য, সাংস্কৃতিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচী। তার পৃষ্ঠপোষকতায় সব ধরনের সেমিনার-সিম্পোজিয়াম আয়োজন হচ্ছে ক্যাম্পাসে।

তিনি একাধারে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব মেডিক্যাল সায়েন্সেস এবং সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের বেসিক ও প্যারাক্লিনিক্যাল অনুষদের ডীন হিসেবে কর্তব্যরত রয়েছেন।

ময়নুল হকের সহধর্মিণী ডা. নাসরীন আখতার সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজের অবস্ এন্ড গাইনী বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান। সাংসারিক জীবনে তিনি দুই কন্যা সন্তানের জনক। 

চিকিৎসা সেবায় বিশেষ অবদানের জন্য শেরেবাংলা স্মৃতি পুরস্কার-২০১৯ এর জন্য মনোনিত হয়েছেন সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. ময়নুল হক। 

এ উপলক্ষে আজ (১৮ নভেম্বর) ঢাকার শাহবাগস্থ কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির শওকত ওসমান মিলনায়তনে ‘বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা একই সূত্রেগাঁথা’ শীর্ষক একটি আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে এ সম্মাননা প্রদান করা হবে। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন গণতদন্ত কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি শামছুল হুদা। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য মোজাফ্ফর হোসেন পল্টু। 

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান ইসমত কাদীর গামা, অর্থমন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব পীরজাদা শহিদুল হারুন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন সংগঠনের উপদেষ্টা তুষার আহমেদ টুকু।  

প্রফেসর মো. ময়নুল হক সংক্ষিপ্ত অনুভূতি প্রকাশ করে জানান, তার এই শিক্ষকতা জীবনে হাজার হাজার ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে চিকিৎসা বিজ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করেছেন। অনুপ্রেরণা দিয়েছেন একজন ভালো ডাক্তার হওয়ার পাশাপাশি একজন সৎ ও যোগ্য মানুষ হওয়ার, সমাজের অবহেলিত জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার।

তার কৃতকর্মকে শেরে বাংলা সম্মাননায় ভূষিত করায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন শেরে বাংলা সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ফাউন্ডেশনের প্রতি। ভবিষ্যতে তিনি আরও সততা ও নিষ্ঠার সাথে সব কার্যক্রম পরিচালনা ও স্বাস্থ্যসেবাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

করোনা ভাইরাস থেকে সুরক্ষিত থাকতে গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম গুলো মেনে চলুন। সর্দি কাশি জ্বর হলে হাসপাতালে না গিয়ে স্বাস্থ্য সেবা দানকারী হটলাইন গুলোতে ফোন করুন। আইইডিসিআর হটলাইন- 10655, email: [email protected]
করোনা ও বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা

এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক

এক বছর প্রয়োগ হবে সেনা সদস্যদের দেহে

চীনে করোনার প্রথম ভ্যাকসিন অনুমোদন

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি
জাতীয় ওষুধনীতি-২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন

নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি