১১ নভেম্বর, ২০১৯ ০৫:১৭ পিএম
আপডেট: ১১ নভেম্বর, ২০১৯ ০৫:২১ পিএম

এবার ন্যাশনাল ইয়ুথ লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত ডা. ঈশিতা

এবার ন্যাশনাল ইয়ুথ লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত ডা. ঈশিতা

মেডিভয়েস রিপোর্ট: দেশ ও সামাজিক কার্যক্রমে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ ‘ন্যাশনাল ইয়ুথ লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড ২০১৯’ পেয়েছেন ডা. ইশরাত রফিক ঈশিতা। 

গত শনিবার (৯ নভেম্বর) রাজধানীর বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র মিলনায়তনে 'ন্যাশনাল ইয়ুথ লিডারশিপ সামিট ২০১৯' অনুষ্ঠানে তাকে এ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। 

অনুষ্ঠানটি আয়োজন করেন ঢাকা ওয়াকিং ক্লাব (ডিডব্লিউসি) ও ঢাকা ওয়াকিং সোসাইটি (ডিডব্লিউএস)।

ঢাকা ওয়াকিং ক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট ফারুক হোসেন তরপদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান এমপি। তবে বৈরি আবহাওয়ার কারণে এতে হিসেবে উপস্থিত হতে পারেননি। তিনি টেলিফোনে অনুষ্ঠানের সার্বিক খোঁজ-খবর নেন। এমন উদ্যোগের জন্য আয়োজকদেরকে ধন্যবাদ জানান তিনি। 

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা ওয়াকিং ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ডা. আবু নোমান মো. আতাহার আলী, দৈনিক বাংলা ৭১ ও উত্তরাধিকার ৭১ নিউজের সহকারী সম্পাদক এবং বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতা মো. রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ এবং বিশিষ্ট লেখক ইফতেখার মাহমুদ। প্রধান বক্তা ছিলেন জাতীয় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. ফারুক আহমেদ। 

অনুষ্ঠানে বক্তারা জাতীয় উন্নয়নে যুবকদের ক্ষমতায়নের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব আরোপসহ দেশে কর্মঠ, মেধাবী ও নেতৃত্ব স্থানীয় যুবসমাজ গঠনের মাধ্যমে সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুবকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার তাগিদ দেন।

এবারের সম্মেলনে সারা দেশের শতাধিক নেতৃত্ব স্থানীয় যুবক অংশগ্রহণ করেন। যারা বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত থেকে দেশের মানুষের সেবা করে যাচ্ছেন।

এর পূর্বে ডা. ঈশিতা ইয়াং সাইন্টিস্ট গ্রান্ট অ্যাওয়ার্ড ২০১৮, গ্লোবাল ইয়ুথ লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড (হেলথ) ২০১৯, ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস অ্যান্ড একাডেমিক একসেলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০১৯ এর ‘রিসার্চ এচিভমেন্ট অ্যাওয়ারর্ড’ ক্যাটাগরিতে সম্মামনা অর্জন করেছেন। 

এছাড়াও এ বছরই তিনি এশিয়ার সেরা মহিলা নেতা ব্যক্তিত্ব হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন (Wedu Global Rising Star)।

বেড়ে ওঠার গল্প

ডা. ইশরাত রফিক ঈষিতার গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইল হলেও তাঁর জন্ম ময়মনসিংহ জেলায়। তিনি ৩ অক্টোবর ১৯৯৩ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর শৈশবের বেশিরভাগ সময়ই কেটেছে ময়মনসিংহ জেলায়। তাঁর বাবা খন্দকার রফিকুল ইসলাম সিনিয়র ফ্যাকাল্টি মেম্বার, বিকেবি এবং মা হেলেন রফিক, এমএমসি ঢাকা ইউনিভার্সিটি। একমাত্র বড় বোন পিএইচডি করছেন এমআইটি বোস্টন আমেরিকাতে।

ডা. ঈষিতা ২০০৮ সালে বিদ্যাময়ী গভর্মেন্ট গার্লস হাই স্কুল ময়মনসিংহ থেকে এসএসসি পাস করেন। ২০১০ সালে মমিনুন্নেসা গভমেন্ট গার্লস কলেজ ময়মনসিংহ থেকে এইচএসসি পাস করেন। এইচএসসি পাস করে তিনি কমিউনিটি বেজড মেডিকেল কলেজে এমবিবিএসে ভর্তি হন। সেখান থেকে তিনি ২০১৬ সালে এমবিবিএস পাস করেন। ২০১৮ সালে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমপিএইচ ডিগ্রি অর্জন করেছেন। 

বর্তমানে তিনি আমেরিকান সেক্সুয়াল হেলথ অ্যাসোসিয়েশন অ্যাম্বাসেডর, ন্যাশনাল সার্ভিকাল ক্যান্সার কোয়ালিশন অ্যাম্বাসেডর এবং গ্লোবাল গুডউইল অ্যাম্বাসেডর হিসেবে কাজ করছেন।

আরও পড়ুন: 

বেস্ট রিসার্চ অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড পেলেন ডা. ইশরাত রফিক

গ্লোবাল ইয়ুথ লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছেন বাংলাদেশের ডা. ঈষিতা

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত