২৪ অক্টোবর, ২০১৯ ০৬:৪১ পিএম

অস্ত্রোপচার পরবর্তী ৯০ ভাগ সংক্রমণই প্রতিরোধযোগ্য: বিএসএমএমইউ উপাচার্য 

অস্ত্রোপচার পরবর্তী ৯০ ভাগ সংক্রমণই প্রতিরোধযোগ্য: বিএসএমএমইউ উপাচার্য 

মেডিভয়েস রিপোর্ট: অবস এন্ড গাইনির সিজারসহ যেকোনো অপারেশনের অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে ৯০ ভাগ সংক্রমণ প্রতিরোধ করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া। 

বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় বিএসএমএমইউতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস অ্যান্ড গাইনি বিভাগের আয়োজনে অস্ত্রোপচার পরবর্তী বিভিন্ন ধরণের সংক্রমণ বিষয়ে একটি কনটিনিউ মেডিক্যাল এডুকেশন (সিএমই) অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। 

অবস এন্ড গাইনী বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. তৃপ্তি রাণী দাসের সভাপতিত্ব অনুষ্ঠিত গুরুত্বপূর্ণ এ সিএমই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সম্মানিত উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. শহীদুল্লাহ সিকদার, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ রফিকুল আলম। 

অনুষ্ঠানে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অবস এন্ড গাইনী বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. কানিফ ফাতেমা ও সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ। 

রোগীদের অস্ত্রোপচারের স্থানে বিভিন্ন ধরণের সংক্রমণ প্রতিরোধ এবং সংক্রমিত স্থান সুচিকিৎসার মাধ্যমে নিরাময়ের উপর গুরুত্বারোপ করেন বিএসএমএমইউ উপাচার্য। তিনি বলেন, এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও নার্সসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক থাকতে হবে। 

উপাচার্য বলেন, বিদ্যা মুখস্ত করলেই চলবে না, তা প্রয়োগ করতে হবে। প্রায়োগিক শক্তি ও জ্ঞান অর্জনের উপর গুরুত্ব দিতে হবে। স্বাস্থ্যসম্মতভাবে অপারেশনস্থলে উপস্থিত হতে হবে। স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। 

তিনি আরো বলেন, অবস এন্ড গাইনির সিজারসহ যেকোনো ধরণের অপারেশন করার আগে পূর্ব প্রস্তুতি, অপারেশনের সময় প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন এবং অপারেশন পরবর্তী অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে ৯০ ভাগ সংক্রমণই প্রতিরোধ করা সম্ভব। 

অধ্যাপক ডা. তৃপ্তি রাণী দাস বলেন, রোগীর নিজের শারীরিক নানা সমস্যা ও ভিজিটরদের কারণে রোগী সংক্রমণের শিকার হয়ে থাকেন। এটা রোগীদেরকে দীর্ঘদিন ভোগ করতে হয়। এটা মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় সতকর্তা অবলম্বনসহ পূর্ব প্রস্তুতির বিকল্প নাই।

অনুষ্ঠানে অস্ত্রোপচারের পরবর্তী সংক্রমণের বিভিন্ন কারণ ও বিষয় তুলে ধরার পাশপাশি অপারেশনের স্থল সংক্রমিত হলে কীভাবে রোগীকে সুস্থ করা যায় সে বিষয়ে পর্যাপ্ত জ্ঞান অর্জন ও প্রায়োগিক দক্ষতা বৃদ্ধির উপর জোর দেয়া হয়। এতে অবস এন্ড গাইনি বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিভাগের সম্মানিত চেয়ারম্যানবৃন্দ, শিক্ষকবৃন্দ ও রেসিডেন্ট চিকিৎসক-ছাত্রছাত্রীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। 
 

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি
জাতীয় ওষুধনীতি-২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন

নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি