২৩ অক্টোবর, ২০১৯ ০১:১৭ পিএম
আপডেট: ২৩ অক্টোবর, ২০১৯ ০৬:৪৭ পিএম

‘জনসংখ্যার আধিক্যের কারণে বাংলাদেশে প্রতিভাবানের সংখ্যাও বেশি’

‘জনসংখ্যার আধিক্যের কারণে বাংলাদেশে প্রতিভাবানের সংখ্যাও বেশি’

২০১৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ঘুরে গেলেন Devidsons Principles and Practice of Medicine বইয়ের অন্যতম সম্পাদক প্রফেসর ব্রায়ান আর ওয়াকার। সেদিন সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজের লেকচার গ্যালারিতে একটি ক্লাসে অংশ নেন তিনি। অসাধারণ দক্ষতায় প্রায় দুই ঘণ্টা মোহগ্রস্ত করে রাখেন প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থীকে। পরে তাঁর সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে মিলিত হয় মেডিভয়েস। আন্তরিক ও হৃদ্যতাপূর্ণ এ আলাপচারিতায় উঠে আসে এ দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা, মেডিকেল শিক্ষার্থীদের করণীসহ আরও অনেক কিছু। মেডিভয়েসের পাঠকদের জন্য রইলো সাক্ষাৎকারের চুম্বক অংশ।

মেডিভয়েস: স্যার আপনাকে স্বাগতম। প্রথমেই আপনার সম্পর্কে জানতে চাচ্ছি।
প্রফেসর ওয়াকার: আমি একজন স্কটিশ। জন্মগ্রহণ করেছি গ্লাসগোতে। সেখানেই স্কুলে পড়েছি, তারপর এডিনবরাতে যাই গ্রাইজুয়েশন করতে। এটা একটু অস্বাভাবিক যে, গ্লাসগোর শিক্ষার্থী হয়ে এডিনবরাতে যাওয়া; এর কারণ এই দুই জায়গার মধ্যে একটা প্রতিযোগিতার মানসিকতা আছে। আমি তবু গিয়েছিলাম। এরপর স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করে আবার কিছুদিন গ্লসগোতে কাজ করি। পরে আবার এডিনবরাতে ফিরে আসি। এখানে আমি এন্ডোক্রাইনোলজির বিখ্যাত প্রফেসর ক্রিস্টোফার এডওয়ার্ডের সাথে কাজ করি। তিনে আমাকে এন্ডোক্রাইনোলজিতে কাজ করতে দারুণভাবে উৎসাহ যোগন ও আমিও শেষ পর্যন্ত এখানেই স্থায়ী হয়ে যাই। অথচ এর আগে আমি ঠিক করিনি, কোথায় কাজ করব। এখানে আমি অনেক দীর্ঘ একটি সময় গবেষণায় কাটিয়েছি।

মেডিভয়েস: আপনার গবেষণার ক্ষেত্র কোনটি?
প্রফেসর ওয়াকার: আমি গ্লকোকর্টিকয়েড এর উপর গবেষণা করছি। এটা আমার একটি ভাল লাগার ক্ষেত্র।

মেডিভয়েস: আপনি কী এর আগে কখনো বাংলাদেশে এসেছিলেন?
প্রফেসর ওয়াকার: না। তবে ২০০৬ সালে ভারতে এসেছিলাম একবার। আজকের ঢাকা মেডিকেল কলেজের অনুষ্ঠানটি আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে। এত বেশি শিক্ষার্থী ছিল, যা আমি কখনোই আশা করিনি। এই অনুপেরণার জন্য ডেভিডসনের আরেকটি সংস্করণের জন্য কষ্ট করা যায়।

মেডিভয়েস: আপনার অনুপ্রেরণার উৎস কী?
প্রফেসর ওয়াকার: মানুষের অন্তর্গত সত্তা তো একটি উৎস হিসেবে কাজ করেই। এছাড়াও মিলিয়ন পাঠকের কথা মাথায় থাকলে কাজটা করা অনেক সহজ হয়। আর যদি ব্যক্তিগত উৎসের কথা জিজ্ঞেস করো, তাহলে তা আমি তোমাকে বলবো কেন (হাসি)। 

মেডিভয়েস: আপনি আজকে বাংলাদেশে এসে ট্রাফিক জ্যাম দেখেছেন, অনেক দরিদ্র মানুষ দেখেছেন, আমাদের সীমাবদ্ধতাগুলো দেখেছেন। কি মনে হয়েছে আপনার? 
প্রফেসর ওয়াকার: দেখ, আমি বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাঘুরি করেছি। তোমাকে এটা মেনে নিতে হবে, প্রত্যেকটি জায়গারই কিছু ভাল খারাপ দিক আছে। যেমন, আমাদের স্কটল্যান্ডে প্রচণ্ড ঠাণ্ডা ও স্যাঁতস্যাঁতে। যদিও তোমাদের রাস্তাগুলো অনেক ধীর গতির তাও আমি তা বেশ উপভোগ করেছি। 

মেডিভয়েস: আপনি কি কখনো কোনো বাংলাদেশির সঙ্গে কাজ করেছেন? কেমন লেগেছে আপনার?
প্রফেসর ওয়াকার: হ্যাঁ। আমার রিসার্চ টিমে একজন সদস্য ছিল বাংলাদেশি। সে এখন মালয়েশিয়ায় আছে। দারুণ প্রতিভাবন। আসলে তোমাদের দেশের ভাল দিকগুলোর একটি হচ্ছে তোমাদের মানুষ অনেক। তাই প্রতিভাবান মানুষের সংখ্যাও বেশি। প্রয়োজন হচ্ছে, এই প্রতিভাগুলোর বিকাশে সুযোগ তৈরি করা।

মেডিভয়েস: বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা সম্পর্কে আপনার অভিজ্ঞতা?
প্রফেসর ওয়াকার: এবারই যেহেতু প্রথম এসেছি, তাই খুব বেশি কিছু জানি না। তবে একটা ব্যাপারে খুবই অবাক হয়েছি, তোমাদের অধিকাংশ প্রফেসরই জেনারেল ফিজিশিয়ান হিসেবে প্রাকটিস করেন। এটা আমাদের দেশে নেই। অবশ্য কোন দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা নিখুঁত নয়। তবে তোমাদের একটা দিক খুবই ভালো—এখানে রোগীর সংখ্যা প্রচুর। ইংল্যান্ডে জনসংখ্যা কম। এখানে অনেক ধরনের রোগ আমরা পাই না বললেই চলে। মাঝে মাঝে এসব রোগ সর্ম্পকে জানতে আমরা অন্য দেশগুলোতে যাই। যেমন: আমাদের কিছু শিক্ষার্থী সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকায় গিয়েছে। 

মেডিভয়েস: লন্ডনে আমাদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ কেমন?
প্রফেসর ওয়াকার: সম্প্রতি আমাদের অভিবাসন আইনে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এখন এটা বলতে গেলে বেশ কঠিন করে ফেলা হয়েছে, যা অবশ্যই কাম্য নয়। এছাড়া মেডিকেল ট্রেনিং করার মানসিকতা বেড়েছে।

মেডিভয়েস: মেডিসিনের ক্ষেত্রে ডেভিডসন একটি আশীর্বাদের মতো। এখানে খুব অল্প পরিসরে মেডিসিনের সব কিছু বেশ গোছানো, চিত্র ও ছক দিয়ে বোঝানো আছে। যারা উচ্চশিক্ষা নিতে উচ্ছুক তাদের জন্য এটা খুবই সহায়ক। কিন্তু সার্জারি কিংবা পেডিয়াট্রিকস এই বিষয়গুলোতে এমন বই কেন আপনারা প্রকাশ করছেন না? 

প্রফেসর ওয়াকার: দেখো, আমি মেডিসিনে কাজ করা লোক। এ ক্ষেত্রে এলসেভিয়ার কর্তৃপক্ষ ভাল বলতে পারবে। প্রফেসর গর্টনের লেখা সার্জারির উপর ভাল একটা বই আছে। তারপরেও ইলাস্ট্রেসনের যে কথা বললে এটা আমি তাকে বলবো। বাস্তবতা হচ্ছে, এখন যেই আধুনিক ডেভিডসন তোমরা দেখছো, এটা শুরু হয়েছে মাত্র ১৮তম সংস্করণ থেকে এর আগে এটাও বেশ নিরস ছিল। একটা ব্যাপার ভাল লেগেছে, তোমরা আমাকে এই কথাটা বলেছো। এর আগে এ কথা কেউ বলেনি। আর ডেভিডসনে এই ব্যাপারগুলো যুক্ত করাটা কঠিন। কিছুদিন আগে আমরা ভাবছিলাম, প্রেগনেন্সি ও পেডিয়াট্রিক সর্ম্পকিত কিছু অধ্যায় যোগ করবো। কিন্তু পরে সিদ্ধান্ত নিলাম, এগুলো ওদের স্ব স্ব বিভাগের জন্যই তোলা থাক। সবকিছু ডেভিডসনে দিয়ে দেয়া সম্ভব না। অল্প কিছু ছক আমরা যুক্ত করেছি। তবে আমি যেহেতু ডেভিডসনের আধুনিকীকরণের শুরু থেকে ছিলাম তাই বলতে পারি কাজটা বেশি কঠিন।

মেডিভয়েস: আজকে সকালের ক্লাস কেমন উপভোগ করলেন?
প্রফেসর ওয়াকার: আমি আগেই বলেছি, ব্যাপারটা খুব উপভোগ্য ছিল। অনেকেই স্বতঃস্ফূর্তভাবে উত্তর দিচ্ছিল। আমার ধারণা, এদেশের শিক্ষার্থীরা যথেষ্ট চটপটে অন্য দেশের মতো লাজুক নয়। তবে একটা ব্যাপার আমার খুব বোকামি হয়েছে, সাউন্ড সিস্টেমটা ভাল কাজ করেনি। এটা আমি বুঝতে পারিনি। পেছনের অনেকেই শুনতে পায়নি। ব্যাপারটা আমি বুঝতে পারি ক্লাসের শেষে। তবে ক্লাসের পর আমার সাথে সবার সেলফি তোলার আগ্রহ দেখে আমি দারুণ মজা পেয়েছি।

মেডিভয়েস: আপনার পরিবার সম্পর্কে বলুন।
প্রফেসর ওয়াকার: আমার স্ত্রীও একজন ডাক্তার। সে রেডিওলোজিস্ট এবং এই এডিনবরাতেই কাজ করে। আমার দুই ছেলে মেয়ে। একজন ইউনিভার্সিটি অব এবারডিনে মেডিকেল সাইন্স নিয়ে পড়ছে আর একজন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার সে টাটা স্টিলে চাকরি করছে। 

মেডিভয়েস: স্যার আপনি আপনার মেয়েকে ডাক্তারি পড়তে বাধ্য করেছিলেন?
প্রফেসর ওয়াকার: অবশ্যই না। সে বলত সে কখনই ডাক্তার হবে না। একদিন খাবার টেবিলে নিজেই ঘোষণা দিল সে ডাক্তার হতে চায় তবে তার বাবা-মা দুজনেই ডাক্তার এ জন্যে নয়, তার ইচ্ছা হয়েছে! তোমরা শুনে অবাক হবে, আমার বাবা, দাদা, ভাই-বোন এবং পরিবারের আরো অনেক সদস্যই ডাক্তার।

মেডিভয়েস: এদেশে অনেক ক্ষেত্রে ডাক্তারদেরকে দ্বিতীয় ইশ্বরের মর্যাদা দেওয়া হয়; যদিও এখন অবস্থার কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে। আপনাদের দেশে ব্যাপারটা কেমন?
প্রফেসর ওয়াকার: তাই! আমাদের দেশে অতটা সম্মান না দিলেও একজন গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক হিসেবে যথাযোগ্য মর্যাদা দেওয়া হয়। জনসাধারণ যথেষ্টই কৃতজ্ঞতা পোষণ করেন আমাদের প্রতি।

মেডিভয়েস: স্যার আমাদের দেশে একেকজন ডাক্তারকে অনেক সময়ই প্রচুর রোগী দেখতে হয়। বিশেষ করে সরকারি মেডিকেল কলেজগুলোর বহির্বিভাগে। মাঝে মাঝে এটা ১০০ এর বেশি। আপনাদের দেশে রোগীর চাপ কেমন?
প্রফেসর ওয়াকার: আমাদেরও জেনারেল প্রাকটিসনারদের ভালই চাপ থাকে। তারা রোগী প্রতি সর্বোচ্চ ৩-৫ মিনিট সময় ব্যয় করেন। অবশ্য যেসব রোগীর হাসপাতালে রেফার করতে হয়, তাদের ক্ষেত্রে প্রায় আধা ঘণ্টা সময় নিয়ে পরীক্ষ-নিরীক্ষা করেন তারা।

মেডিভয়েস: ডাক্তার-রোগী সম্পর্কটি আপনারা কিভাবে দেখেন?
প্রফেসর ওয়াকার: রোগীরা যথেষ্টই শ্রদ্ধা করে আমাদের। তবে আমাদের দেশে কর্তৃত্ব নিয়ে কোনো কিছু রোগীদের উপর চাপিয়ে দেই না আমরা। তাদের সামনে চিকিৎসার নির্দেশনাগুলো দিয়ে থাকি, তারা নিজেরা নিজেদের ভালোটা পছন্দ করে নেয়। সিদ্ধান্তগুলো বলতে গেলে দুপক্ষ মিলেই নিয়ে থাকে। অবশ্য দেশ ভেদে অবস্থা ভিন্ন হতেই পারে। তোমাদের যেহেতু অনেক বেশি রোগী নিয়ে কাজ করতে হয়, এক্ষেত্রে তোমাদের এই সুযোগটা কম। তবু ডেভিডসনের প্রথম অধ্যায়ে আমর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে যুক্ত করেছি। অবশ্যই আমাদের শেখা উচিত একজন রোগীর সঙ্গে কিভাবে কথা বলতে হয়। 

মেডিভয়েস: বাংলাদেশে কতদিন আছেন? এরপর কোথায় যাওয়ার পরিকল্পনা আপনার?
প্রফেসর ওয়াকার: মাত্র একদিনের জন্য এখানে এসেছি আমি। আগামীকাল দিল্লি যাবো। এই যাত্রায় আমি প্রথমে মুম্বাই এসেছিলাম, তারপর ব্যাঙ্গালোর। পরে কলকাতা হয়ে তোমাদের দেশে এসেছি। 

মেডিভয়েস: আমাদের অনুরোধ, আপনি আবার বাংলাদেশে আসবেন আমাদের চিকিৎসা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করে এর উন্নয়নে অবদান রাখবেন। তবে আপনাকে একটি দারুণ তথ্য জানাতে চাই এ দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে একজন কপর্দকশূন্য দরিদ্র রোগীকেও যদি কেউ ফেলে রেখে যায় সে সঠিক চিকিৎসাটুকুই পায়। যদি তার কোনো স্বজন নাও থাকে। 
প্রফেসর ওয়াকার: অসাধারণ। আমি ব্যাপারটি জেনে খুবই আনন্দিত হলাম। তোমরা জানো, ইউএসএতে একজন রোগী কখনোই বিনামূল্যে চিকিৎসা পায় না। সেখানে উচ্চব্যয়ের কারণে অনেকেই চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হয়। এর তুলনায় তোমরা যথেষ্টই ভাল করছো। এটা নিয়ে তোমরা গর্ব করতে পারো। 

মেডিভয়েস: বাংলাদেশে এসে কোনো মজার অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন কী? 
প্রফেসর ওয়াকার: একটা ব্যাপারে আমি খুবই অবাক হয়েছি, তোমাদের অনেকের কাছেই ডেভিডসনের ফটোকপি করা পাইরেটেড ভার্সন আছে। তবে সবচেয়ে মজা পেয়েছি, যখন সবাই অটোগ্রাফ নিতে আমার কাছে এলো এর মধ্যে সেই ফটোকপি বইগুলোও কেউ কেউ আমার দিকে বাড়িয়ে দিয়েছে! এটা এলসেভিয়ার জন্য মন খারাপ করা ব্যাপার। যদিও আমি তাদের মাধ্যমে তোমাদের সাথে দেখা করতে এসেছি। তবু বলছি, এতে আমি মোটেও চিন্তিত নই। আমরা খেয়াল রাখার চেষ্টা করি, কি করলে তোমরা ভাল শিখতে পারবে। ব্যবসায়িক ব্যাপারগুলো নিয়ে আমরা ভাবি না। আমি অবশ্য তোমাদের নীলক্ষেতও কয়েকটি দোকান ঘুরে দেখেছি। 

মেডিভয়েস: স্যার আপনি তো অনেক বিখ্যাত। চিকিৎসাখাত সংশ্লিষ্ট এ দেশের অনেক শিক্ষার্থী কৌতুহল নিয়ে আপনাকে দেখতে এসেছিল, যারা আপনার সরাসরি শিক্ষার্থী তারা আপনাদের কিভাবে দেখে?
প্রফেসর ওয়াকার: দেখো, এডিনবরাতে অনেক বিখ্যাত বিখ্যাত বইয়ের লেখকেরা আছেন। শিক্ষার্থীরা এসব দেখে অভ্যস্ত। ওদের ভাবটা এমন—হ্যাঁ বুঝলাম, তুমি ডেভিডসনের এডিটর। তো কী হয়েছে? হা.. হা.. হা..

মেডিভয়েস: আপনার মতো একজন কিংবদন্তীর সান্নিধ্য পেয়ে আমরা ধন্য। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ আমাদের এই সুযোগটুকু দেওয়ার জন্য। আর আমাদের এ পত্রিকায় সর্ম্পকে কি কিছু বলবেন?
প্রফেসর ওয়াকার: তোমাদের এ পত্রিকাটা যদিও আমি পড়তে পারছি না। তবুও আমার খুব ভালো লেগেছে। আমি শুনেছি, এর আগে তোমরা ম্যাকলিয়ড ক্লিনিকাল এক্সামিনেশনের লেখক প্রফেসর কলিন রবার্টসনের সাক্ষাৎকারও নিয়েছো। আমি খুবই গৌরববোধ করছি। সাক্ষাৎকারটা ছাপা হওয়ার পর আমাকেও এক কপি ই-মেইল করে দিও। তোমাদের সঙ্গে কথা বলে আমারও অনেক ভাল লাগল। ধন্যবাদ তোমাদেরকেও।

সাক্ষাৎকার গ্রহণে: ডা. তুহিন মুশফিক, ময়ূখ মামুন ও মাহমুদ আব্দুল্লাহ।

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত