১৬ অক্টোবর, ২০১৯ ১০:৫৮ পিএম
আপডেট: ১৭ অক্টোবর, ২০১৯ ০১:৪৯ পিএম

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় যে কারণে ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা এগিয়ে

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় যে কারণে ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা এগিয়ে

তানভীর সিদ্দিকী: এমবিবিএস প্রথম বর্ষের ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষ ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. আবুল কালাম আজাদ ফল ঘোষণা করেন। ঘোষিত ফলাফলে দেখা গেছে, এ বছর এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন রেকর্ড সংখ্যক ৪৯ হাজার ৪১৩ জন। এদের মধ্যে মেয়ে শিক্ষার্থী রয়েছেন ২৬ হাজার ৫৩১ জন। আর ছেলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২২ হাজার ৮৮২ জন। অর্থাৎ প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে ছেলেদের চেয়ে তিন হাজার ৬৪৯ জন মেয়ে এগিয়ে রয়েছেন।

অন্যান্য পরীক্ষার মতো মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় ছেলেদের থেকে মেয়েরা এগিয়ে থাকাকে বিশেষজ্ঞরা ইতিবাচক হিসাবেই দেখলেও ছেলেদের ব্যাপকহারে পিছিয়ে পড়াকে নেতিবাচক হিসাবেই দেখছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, পড়াশোনার বাইরে ছেলেরা নানা ধরণের নেতিবাচক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ায় মেয়েদের চেয়ে পিছিয়ে পড়ছে। এছাড়াও ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের পরিশ্রমপ্রিয়তা, লক্ষ্যের প্রতি অবিচলতা, দৃঢ় মনোবল আর প্রতিজ্ঞাকেই এগিয়ে যাওয়ার কারণ হিসাবে দেখছেন।

তবে শিক্ষার্থীরা বলছেন, অন্যান্য পড়াশোনার থেকে মেডিকেলের পড়াশোনা অনেক জটিল ও কঠিন আর সেইসঙ্গে দীর্ঘ সময় সাপেক্ষ হওয়ায় ছেলেরা মেডিকেলের তুলনায় অন্য ক্ষেত্রগুলোতে বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছেন।

এ ব্যাপারে এ বছর (২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষ) ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জন করা রাগীব নূর মেডিভয়েসকে বলেন, “ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা ভালো করার একমাত্র কারণ হলো মেয়েরা বেশি পড়াশোনা করে। ছেলেরা বেশিরভাগ সময়েই বাইরে থাকে, বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেয়, যে কারণে পড়াশোনার প্রতি একরকম উদাসীন হয়, তাই রেজাল্টের দিক থেকে পিছিয়ে থাকে।” আপনি একজন ছেলে হয়ে কীভাবে সবাইকে ছাড়িয়ে মেধা তালিকায় প্রথম হলেন, এমন প্রশ্নের জবাবে রাগীব বলেন, “মেডিকেল পরীক্ষায় ভাগ্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। তবে কেউ যদি পরিশ্রম করে, তবে ভাগ্য তার কাছে অবশ্যই হার মানবে। আমি পরিশ্রম করেছি, মা-বাবাসহ আমার প্রতিষ্ঠান আমাকে সর্বোচ্চ সাপোর্ট দিয়েছে, একারণেই সম্ভবত আমি পেরেছি।”

আগামীতে মেডিকেল ভর্তিচ্ছুদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “অনেক বেশি পরিশ্রম করতে হবে, তবেই ভাল কিছু করা সম্ভব। এ জন্য সবার উচিত, এইচএসসি পরীক্ষার জন্য বসে না থেকে একটু একটু করে দুই বছর ধরে প্রস্তুতি নেওয়া। এটাই তাকে সফলতা এনে দেবে। তবে, একঘেয়ে জীবন নয়, পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলাও করতে হবে শুধু পড়াশোনা করলেই হবে না। যেমন আমি রংপুর ক্যাডেট কলেজে থাকা অবস্থায় বাস্কেট বল খেলতাম। সবার মাঝেমধ্যে খেলা উচিত। কারণ খেলাধুলা করলে মন ফ্রেশ থাকে এবং পড়াশোনা ভালো হয়।”

এ বছরের ভর্তি পরীক্ষায় মেধা তালিকায় তৃতীয় স্থান অর্জন করা সুইটি সাদেক মেডিভয়েসকে বলেন, “বেশিরভাগ মেয়েদের বাবা মা-ই তাদের মেয়েদের মেডিকেলে পড়াতে চায়, এছাড়া মেয়েদেরও মেডিকেলের ভর্তির প্রতি আলাদা একটা আগ্রহ থাকে, যা ছেলেদের বেলায় এতোটা থাকে না। আমি যতটুকু জানি, বেশিরভাগ ছেলেরাই বুয়েটের জন্য পড়াশোনা করে। এর কারণ হিসাবে আমি বলবো যে, মেডিকেলে পড়াশোনাটা অনেক সময় সাপেক্ষ, শুরু করলে আর শেষ হতে চায় না, আর ছেলেরাও এটা নিয়ে দীর্ঘ সময় পরে থাকতে চায় না। এজন্যই ছেলেরা মেডিকেলের জন্য খুব বেশি গুরুত্ব দিয়ে প্রিপারেশন নেয় না, ফলে পাসের সংখ্যায় মেয়েরাই বেশি এগিয়ে যায়।”

তিনি বলেন, “আমার মনে হয় মেডিকেলে পড়াশোনাটা অনেকটাই মুখস্ত বিদ্যা টাইপ, আর ছেলেরা মুখস্ত বিদ্যা পড়ালেখার চেয়ে স্বাধীনভাবে পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বেশি থাকে। এছাড়া, মেয়েদের জন্য ডাক্তারি পেশাটাই আমার কাছে বেস্ট মনে হয়। আর বেশিরভাগ ছেলেরাই গবেষণাধর্মী পড়াশোনাটাকেই বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকে।”

কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী দিদারুল ইসলাম (২০১৭-১৮ সেশন) মেডিভয়েসকে বলেন, “বর্তমান মেডিকেলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৬৫-৭০% মেয়ে। এর পরিমাণ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর মূল কারণ হচ্ছে পছন্দ। যেমন, বর্তমানে মেধাবী মেয়ে শিক্ষার্থীদের ৮০-৯০% বা এর বেশি পছন্দ হচ্ছে চিকিৎসা পেশা। দেখা যায় যে, ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে মেয়েরা যেতে চায় না। মেধাবী ছেলেদের মধ্যে মেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং পছন্দ ৫০/৫০। কিন্তু মেয়েদের ক্ষেত্রে মেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং পছন্দ ৯০/১০। যার দরুণ দেখা যায়, ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে মেয়েদের সংখ্যা নগন্য কিন্ত মেডিকেলে তার অনেক গুণ বেশি।

তিনি বলেন, মেয়েদের মেডিকেল পছন্দ নির্ভর করে তাদের পরিবার এবং পেশার সাচ্ছন্দতার উপর। সাধারণত মেয়েরাও চায় না ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে, কারণ ইঞ্জিনিয়ারিং মূলত হার্ডওয়ার্ক বা ফিল্ডওয়ার্ক। আর ইঞ্জিনিয়ারিং ক্যারিয়ার গড়তে সব মেয়েরা স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে না।

দিদারুল ইসলাম বলেন, মেয়েদের পরিবারের কেউ চায় না তার মেয়ে দিন শেষে কল-কারখানাতে জব করুক। এখানে বলে রাখা উচিত, ইঞ্জিনিয়ারিং মূলত কল-কারখানা বেইজড প্রফেশন। তাই দেখা যায়, দেশের ৮৫ থেকে ৯০% মেধাবী মেয়ে শিক্ষার্থীরা মেডিকেলের প্রিপারেশন নেয়। যার কারণে তাদের সংখ্যাই বেশি চান্স পায়।

এ বিষয়ে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালের মনোরোগবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ডা. তাজুল ইসলাম মেডিভয়েসকে বলেন, “দিনদিন ছেলেরা শুধু মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় নয়, অন্যান্য সকল পরীক্ষাতেই মেয়েদের থেকে পিছিয়ে আছে। এসএসসি/এইচএসসি পরীক্ষার রেজাল্টেও ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা এগিয়ে থাকেন। এটার কারণ হিসাবে আমি বলবো, ছেলেদের থেকে মেয়েরা যেকোন বিষয়েই একটু বেশি সিরিয়াস থাকে। সেটা হোক পড়াশোনা বা অন্য যেকোন বিষয়। আর ছেলেদের ক্ষেত্রে শুধু পড়াশোনাই নিয়েই থাকে তা নয়, তারা রুমের ভিতরের জগতের চেয়ে বাহিরের জগতটাতেই থাকতে বেশি পছন্দ করে। বিশেষ করে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেয়া, বাইরে ঘুরাফেরা করা, অর্থাৎ বহির্মুখীতাই তাদের ধরে বসে, যার ফলে পড়াশোনার সাথে তাদের বিশাল একটা গ্যাপ হয়ে যায়। আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো, মেয়েরা তাদের লক্ষ্য স্থির করে ভালো। যেমন, আমি এটা করবো, আমি এটা হবো বা আমাকে এটা করতে হবে এবং সেই লক্ষ্যের প্রতি তাদের অবিচলতা, অনড় আর অটল থাকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞা থাকে। ছেলেরা এদিকটায় মেয়েদের থেকে পিছিয়ে।”

তিনি বলেন, “ছেলেরা যে লক্ষ্য স্থির করে না, তা নয়। তারাও একটা নির্দিষ্ট লক্ষ্য স্থির করে, কিন্তু বাস্তবায়নের জন্য যতটুকু প্ররিশ্রম, যতটুকু লেগে থাকার প্রয়োজন হয়, সেটা তারা করতে পারে না। কিন্তু মেয়েরা এদিক থেকে শতভাগ সতর্ক থাকে।”

তিনি আরও বলেন, “ছেলেদের তুলনায় মেয়েরাই বেশি মেডিকেলে আসতে চায়। মেডিকেলের শিক্ষকতায় আসতে চায়, চিকিৎসক হতে চায়। তাছাড়া অন্য পেশার চেয়ে মা বাবা ও তার আত্মীয় স্বজনরা মনে করে যতো টাকাই লাগুক, আমারে মেয়েকে ডাক্তার বানাবো।” এর কারণ হিসাবে ডা. তাজুল ইসলাম বলেন, আমাদের দেশে এখনও মেয়েদেরকে উচ্চশিক্ষার জন্য ওভাবে ছাড়তে চায় না। আর কিছু কিছু ফ্যামিলি ছাড়লেও মেয়ে কোন চাকরি করবে বা কোনটা করতে পারবে না, এ ব্যাপারে খুবই নাখোশ ভাব আছে। ফ্যামিলির ধারণা, শিক্ষকতা এবং ডাক্তারি পেশায় মেয়েরা যে মর্যাদা পাবে, নিরাপত্তা পাবে, সংসার-ধর্ম করতে পারবে, সেটা অন্য পেশাগুলোতে পাবে না। মেয়েদের স্বামী বলেন বা শ্বশুর বাড়ি লোকজন বলেন, সবাই ভাবে অন্যসব চাকরিগুলো থেকে শিক্ষকতা আর চিকিৎসা পেশায় একটু ভালো সুযোগ সুবিধা পায়, যে কারণে অভিভাবকরাও তাদের মেয়েদের সুরক্ষিত রাখতে চায়।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. সেলিম মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর মেডিভয়েসকে বলেন, “পড়াশোনায় বা পরীক্ষায় ছেলেদের থেকে মেয়েদের এভাবে এগিয়ে যাওয়াটা আমার খুবই ইতিবাচক মনে হয়। ছেলেরা মেয়েদের থেকে পিছিয়ে পড়ার প্রকৃত কারণ হলো, তারা মেয়েদের তুলনায় কম মনযোগী। মেয়েরা যেমন পড়াশোনায় অবিচল বা লেগে থাকে, ছেলেরা সেটা পারে না। এছাড়া ছেলেদের চেয়ে মেয়েদেরও মেধা কম নয়, ছেলেরা যথাযথ ব্যবহার করতে পারে না, কিন্তু মেয়েরা মেধার যথাযথ ব্যাবহার করে। মেয়েদের ক্ষেত্রে আরেকটা ভালো দিক হলো, পড়াশোনায় ছেলেদের থেকে মেয়েদের প্রতিযোগিতাটা একটু বেশিই থাকে। সবমিলিয়ে বলা যায়, ছেলদের তুলনায় মেয়েদের পড়াশোনাটা একটু বেশি অর্গানাইজড (সাজানো-গোছানো) থাকে।”

তিনি বলেন, “একটা সময়ে যখন লেখা-পড়ার যুগ ছিলো না, তখর মেয়েরা পড়াশোনায় পিছিয়ে থাকেতো। এখন শহর থেকে একেবারে গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত মেয়েরা শতভাগ লেখাপড়া করছে। পড়াশোনার মাধ্যমে তারা নিজেরাই নিজেদের ভালোটা বাছাই করে নিচ্ছে। সবমিলিয়ে আগের তুলনায় মেয়েরা এখন অনেক অগ্রসর হচ্ছে। তাছাড়া মেয়েরা সময় গুছিয়ে পড়াশোনা করে, ছেলেদের থেকে মেয়েরা কম সময় নষ্ট করে। এসব ক্ষেত্রে আমি মেয়েদের অভিভাবকদেরকেই বেশি ক্রেডিট দিবো।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের দেশে ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের মেডিকেলে পড়ার প্রবণতাটা একটু বেশি। কারণ, একটা মেয়ে মেডিকেল সাইন্সে পড়লে কর্মক্ষেত্রে একটু বেশি সুযোগ সুবিধা পায়। সরকারি বেসরকারি মিলে কর্মক্ষেত্রে মেডিকেলের সুযোগ সুবিধা অন্যান্যদের থেকে একটু বেশিই। এছাড়া অন্য যেসব প্রফেশন আছে, সেগুলো থেকে মেয়েরা শারীরিক বা মানসিক দিক থেকে মেডিকেল সাইন্সটাকেই স্বাচ্ছন্দ বা স্বস্তি অনুভব করে। সেকারণেই মেয়েদের চিকিৎসা পেশার প্রতি আলাদা ঝোক রয়েছে।”

মাগুরা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. অলোক কুমার সাহা মেডিভয়েসকে বলেন, “এ ধরণের পরীক্ষায় আনুপাতিক হারে মেয়েরা ভালো করে আসছে। তবে ছেলেরা ঘরের বাইরের কাজে বেশি জড়িয়ে পড়ায় কিছুটা পিছিয়ে পড়ছে বলে মনে হচ্ছে। এছাড়া মেয়েদের ক্ষেত্রে অভিভাবরা এখন অনেক বেশি সচেতন। তারা প্রযুক্তি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও কম সক্রিয়। অথচ ছেলেরা আড্ডাবাজি কিংবা প্রযুক্তিতে বেশি সময় ব্যয় করছেন। এসব কারণেই মেয়েদের তুলনায় ছেলেরা পিছিয়ে পড়ছে।”

চলতি বছরের ঘোষিত ফলাফলে দেখা গেছে, এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার জাতীয় মেধা তালিকায় প্রথম হয়েছেন রাগীব নূর অমিয়। দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন তৌফিকা রহমান। আর তৃতীয় হয়েছেন সুইটি সাদেক। এছাড়া মেধাতালিকায় শীর্ষ দশে রয়েছেন যথাক্রমে, মাসুমা রহমান, রাফসান রহমান খান, নাফিস ফুয়াদ নিবির, নিয়াজ রহমান, সাবরিনা মুশতারী, সৈয়দ ফাহিম আহমেদ, খাইরুন নাহার আন্নি। সবমিলিয়ে প্রথম দশজনে পাঁচ জনই মেয়ে। পড়োশোনায় মনোযোগী থাকা এবং প্রযুক্তি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে মেয়েদের দূরে থাকার কারণে এ ফল অর্জন সম্ভব হয়েছে বলে অনেকে মনে করছেন।

গত ১১ অক্টোবর এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষায় ১০ হাজার ৪০৪ আসনের বিপরীতে অংশ নেন ৬৯ হাজার ৪০৫ জন। মেধাক্রম অনুযায়ী, সরকারি মেডিকেলে এমবিবিএস প্রথমবর্ষ ভর্তিপ্রক্রিয়া শুরু হবে আগামী ২২ অক্টোবর। এ প্রক্রিয়া শেষ হবে আগামী ৩১ অক্টোবর। এরপরই বেসরকারি মেডিকেলগুলোয় এমবিবিএস প্রথমবর্ষের ভর্তি  প্রক্রিয়া শুরু হবে।

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত