১৬ অক্টোবর, ২০১৯ ১০:৪৭ এএম

পুষ্টিকর খাদ্যেই হবে আকাঙ্ক্ষিত ক্ষুধামুক্ত পৃথিবী

পুষ্টিকর খাদ্যেই হবে আকাঙ্ক্ষিত ক্ষুধামুক্ত পৃথিবী

মেডিভয়েস ডেস্ক: আজ বিশ্ব খাদ্য দিবস। ‘আমাদের কর্মই আমাদের ভবিষ্যৎ, পুষ্টিকর খাদ্যেই হবে আকাঙ্ক্ষিত ক্ষুধামুক্ত পৃথিবী’—এ প্রতিপাদ্যকে সামনে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও নানা আনুষ্ঠানিকতায় দিবসটি উদযাপিত হচ্ছে। 

কৃষি মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয় এবং জাতিসংঘ খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) উদ্যোগে প্রতি বছরের মতো এ বছরও বাংলাদেশেও যথাযথ গুরুত্ব সহকারে পালিত হচ্ছে বিশ্ব খাদ্য দিবস-২০১৯। 

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আলাদা বাণী দিয়েছেন। 

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ তার বাণীতে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের পাশাপাশি পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতের বিষয়ে নজর দেয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে পুষ্টিকর খাবারের পাশাপাশি নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে আরো প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

দিবসটি উপলক্ষে বুধবার বিভিন্ন সংগঠন নানা কর্মসূচির আয়োজন করেছে। 

এছাড়াও বেতার ও টেলিভিশনে বিশেষ অনুষ্ঠান সম্প্রচার, মাসিক কৃষিকথার বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ, জাতীয় দৈনিকে বিশেষ ক্রোড়পত্র, পোস্টার প্রকাশনা ও বিতরণ, মোবাইল ফোনে এসএমএস’র মাধ্যমে সর্বস্তরের জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়েছে।

খাদ্য দিবসের ইতিহাস

দারিদ্র্য ও ক্ষুধা নিবৃত্তির লক্ষ্যে ১৯৪৫ সালের ১৬ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয় জাতিসংঘ খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও)। হাঙ্গেরির তৎকালীন খাদ্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. প্যাল রোমানি ১৯৭৯ সালে বিশ্ব এফএও’র সাধারণ সভায় বিশ্বব্যাপী এই দিনটি উদযাপনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৮১ সাল থেকে সংস্থাটির প্রতিষ্ঠার এ দিন থেকে বিশ্বের ১৫০টিরও বেশি দেশে এই দিনটি গুরুত্বের সঙ্গে পালিত হয়ে আসছে।

খাদ্য নিরাপত্তা 

একটি দেশের নাগরিকের মৌলিক চাহিদাগুলোর মধ্যে খাদ্য অন্যতম। তাই গত কয়েক দশকে পৃথিবীর আবহাওয়া পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে চাষযোগ্য জমি সংরক্ষণ, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, কৃত্রিম বনায়ন, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে পৃথিবীর সবগুলো উন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশ, বৃহৎ ও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলো খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে ব্যস্ত। বৈশ্বিক উষ্ণতা এবং আরও কয়েকটি বিষয়ের পাশাপাশি খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এখন সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যের একটি।

খাদ্য নিরাপত্তা বলতে খাদ্যের সহজ লভ্যতা এবং মানুষের খাদ্য ব্যবহারের অধিকারকে বোঝায়। কোনো পরিবারকে তখনই ‘খাদ্য নিরাপদ’ বলে মনে করা হয়, যখন এর সদস্যরা ক্ষুধামুক্ত কিংবা খাদ্যে স্বয়ং সম্পূর্ণ থাকেন। 

বিশ্ব খাদ্য সম্মেলন (১৯৯৬) অনুযায়ী ‘খাদ্য নিরাপত্তা তখনই আছে বলে মনে করা হয় যখন সকল নাগরিকের সব সময়ের জন্যে যথেষ্ট পরিমাণে, নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য প্রাপ্তির প্রত্যক্ষ ও অর্থনৈতিক নিশ্চয়তা থাকে, যা তাঁদের সক্রিয় ও সুস্থ জীবন নিশ্চিতকরণে পর্যাপ্ত পরিমাণ খাদ্যের চাহিদা পূরণ করে।’

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি
জাতীয় ওষুধনীতি-২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন

নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি