‘ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় চিকিৎসক-নার্সরা মহতী ভূমিকা রেখেছে’


মেডিভয়েস রিপোর্ট: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া বলেছেন, ডেঙ্গুজ্বরের বিষয়ে গণমানুষের সচেতনতা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। যে কারণে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের হার পূর্বের তুলনায় কমের দিকে। কমেছে রোগীর ভর্তির সংখ্যাও।ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় চিকিৎসক, নার্স ও সহযোগী স্বাস্থ্যকর্মীবৃন্দ প্রশংসনীয় মহতী ভূমিকা রেখেছেন এবং তা অব্যাহত আছে ও থাকবে।

মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) সকালে উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া বহির্বিভাগ-১, বহির্বিভাগ ২ এবং কেবিন ব্লকের নিচতলায় ডেঙ্গু সেলের চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম সরেজমিনে পরির্শন করেন। রাউন্ড শেষে দুপুর ১২টায় কেবিন ব্লকের সামনে এক সংক্ষিপ্ত প্রেসব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. কনক কান্তি বলেন, বিএসএমএমইউতে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিষয়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক, নার্স, টেকনোলজিস্ট, টেকনিশিয়ান সহযোগী স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছেন। ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসার বিষয়ে কোনো সমস্যা হচ্ছে না।

ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা উল্লেখ করে উপাচার্য জানান, সোমবার (১২ আগস্ট) সকাল ৮ হতে মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) সকাল ৮টা পর্যন্ত (২৪ ঘণ্টায়) ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ভর্তি রোগীর সংখ্যা হলো ১৪০ জন। এর মধ্যে নতুন ভর্তি রোগী-২২, পূর্বের ভর্তি রোগী -১১৮ জন। গত ২৭ আগস্ট থেকে ১৩ আগস্ট (আজ) সকাল ৮টা পর্যন্ত ডেঙ্গু চিকিৎসা সেলে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৬৩৯ রোগী ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ৪৯৭ জন। মেডিসিন ওয়ার্ড, শিশু ওয়ার্ড, ডেঙ্গু চিকিৎসা সেল, কেবিন, আইসিইউ ও এসডিইউতে এসকল রোগী ভর্তি আছেন।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মোঃ শহীদুল্লাহ সিকদার, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ রফিকুল আলম, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল হান্নান, এ্যানেসথেশিয়া, এনালজেশিয়া এন্ড ইনটেসিভ কেয়ার মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ কে এম আখতারুজ্জামান, হেমাটোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল আজিজ, নিউরোসার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ডা. হারাধন দেবনাথ, অতিরিক্ত পরিচালক (হাসপাতাল) ডা. নাজমুল করিম মানিক প্রমুখ।