ঢাকা      সোমবার ২৬, অগাস্ট ২০১৯ - ১০, ভাদ্র, ১৪২৬ - হিজরী

‘ইউজিসি প্রফেসরশিপ’ মনোনীত অধ্যাপক ডা. এবিএম আবদুল্লাহ

মেডিভয়েস রিপোর্ট: আগামী দুই বছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের ‘ইউজিসি প্রফেসরশিপ’ পেলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) মেডিসিন অনুষদের সাবেক ডিন এবং মেডিসিন বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহকে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়। 

এছাড়া এই তালিকায় আরো তিনজনকে নিযুক্ত করা হয়েছে। তাঁরা হলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ফকরুল আলম ও নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক খোরশেদ আহম্মদ কবির এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও প্ল্যান্ট প্যাথলজি বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক আবদুল মান্নান আকন্দ। 

ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. মো. আখতার হোসেন, প্রফেসর ড. এম. শাহ্ নওয়াজ আলি, প্রফেসর ড. দিল আফরোজা বেগম, প্রফেসর ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন এবং প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর।

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শিক্ষকতা, গবেষণা ও প্রকাশনা ক্ষেত্রে অনন্য অবদান রাখাসহ বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপকদের মধ্যে যারা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে শিক্ষা, গবেষণা, প্রকাশনা অব্যাহত রাখতে ইচ্ছুক তাঁদের মধ্য থেকে ইউজিসির নীতিমালা অনুযায়ী এই ‘ইউজিসি প্রফেসরশিপ’ প্রদান করা হয়। গত জুন মাসে এই প্রফেসরশিপের জন্য আগ্রহীদের মনোনয়ন আহ্বান করা হয়েছিল।

নীতিমালা অনুযায়ী, একজন সিলেকশন গ্রেডপ্রাপ্ত প্রফেসর সর্বোচ্চ যে সুযোগ সুবিধাপ্রাপ্ত হন ইউজিসি প্রফেসরগণও একই সুযোগ সুবিধা প্রাপ্ত হবেন। ইউজিসি প্রফেসরগণ তাঁদের পছন্দানুযায়ী যে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় অথবা গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযুক্ত থেকে গবেষণা কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে পারবেন।

এ ব্যাপারে অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ মেডিভয়েস বলেন, ‘এটি একটি সম্মানিত পোস্ট, এমিরেটাস ধরনের। সব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দেওয়া হয়। বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমাকে মনোনীত করেছে ইউজিসি। যারা অবসরে যায়, তাদেরকে দেওয়া হয়। আমাকে বঙ্গবন্ধুতেই পদায়ন করা হবে। এ সংক্রান্ত একটি চিঠি আসার কথা। হয়তো ঈদের পরে চলে আসবে। উচ্চ পর্যায়ের জ্যেষ্ঠ শিক্ষাবিদদের প্রদান করে ইউজিসি।’

এর আওতায় নিজের বিষয়ে গবেষণা চালাতে পারবেন জানিয়ে তিনি বলেন, এছাড়াও ছাত্রদের ক্লাস, পড়াশোনা ও গবেষণা অব্যাহত থাকবে।

এ রকম শীর্য মর্যাদায় ভূষিত হওয়ায় আপনার অনুভূতি কী, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটা চিন্তাও করিনি। আমি জানতামও না এটি আমাকে দেওয়া হবে। খুবই ভালো লাগছে। কাজের পরিধি আরও বাড়লো। ’

সংবাদটি শেয়ার করুন:

 


ক্যাম্পাস বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

চলে গেলেন ডা. আবু তারেক বাবু

চলে গেলেন ডা. আবু তারেক বাবু

মেডিভয়েস রিপোর্ট: গণস্বাস্থ্য সমাজ ভিত্তিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ডা.…

আরো সংবাদ














জনপ্রিয় বিষয় সমূহ:

দুর্যোগ অধ্যাপক সায়েন্টিস্ট রিভিউ সাক্ষাৎকার মানসিক স্বাস্থ্য মেধাবী নিউরন বিএসএমএমইউ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢামেক গবেষণা ফার্মাসিউটিক্যালস স্বাস্থ্য অধিদপ্তর