০৮ অগাস্ট, ২০১৯ ১২:০৪ পিএম

‘ডেঙ্গু মোকাবেলায় সরকার ও চিকিৎসকরা আন্তরিকভাবে কাজ করছে’

‘ডেঙ্গু মোকাবেলায় সরকার ও চিকিৎসকরা আন্তরিকভাবে কাজ করছে’

মেডিভয়েস রিপোর্ট: ডেঙ্গু মোকাবেলায় সরকারের পাশাপাশি চিকিৎসকরাও আন্তরিকভাবে ভাবে কাজ করছেন বলে মন্তব্য করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান।

বুধবার (৭ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিক্যাল কলেজ অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএমসিএ) আয়োজিত ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি। ডা. এনামুর রহমান এ সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক।

ডা. এনামুর রহমান বলেন, সরকার এবং চিকিৎসকদের আন্তরিক প্রচেষ্টার ফলেই ডেঙ্গুরোগ ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এখন সবাই যদি প্রত্যেকের বাসা-বাড়ি থেকে শুরু করে সকল ধরণের প্রতিষ্ঠান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখি, তাহলে গোটা দেশকে ডেঙ্গুমুক্ত করা যাবে।

কর্মসূচিতে টেলিফোন বার্তায় স্বাস্থ্য ও পরিবার-কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, সকল ডেঙ্গু রোগীর সুচিকিৎসার জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সম্ভাব্য সবকিছু করবে। সকলে যে যার অবস্থান থেকে এডিস মশার উৎপত্তিস্থল নির্মূলে সক্রিয় হোন।

বিপিএমসির সভাপতি এম এ মুবিন খান স্বাগত বক্তৃতায় বলেন, বিপিএমসিএর পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোতে মনিটরিং সেল গঠন, ডেঙ্গু কর্ণার স্থাপন, গরীব রোগীদের জন্য বিনামূল্যে চেকআপ ও চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, বিপিএমসিএর দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে ডেঙ্গু নিয়ে সারা বছর সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানো। বিশেষ করে মৌসুম শুরু হওয়ার দুই মাস আগে থেকে মেডিকেল কলেজের আশপাশের এলাকাগুলোতে মাইকিং করে সপ্তাহে অন্তত একদিন করে জানানো, যেন মানুষ বদ্ধ জায়গায় পানি জমিয়ে না রাখে। মশার ঔষধ ছিটিয়ে দেওয়া। অন্তত নিজ-নিজ বাসা-বাড়ি যেন পরিষ্কার রাখে। সারা বছর বিপিএমসিএ এ ধরণের সচেতনতামূলক কাজের মাধ্যমে মানুষকে উদ্বুদ্ধকরণ ও জনসচেতনতা গড়ে তুলবে।

অনুষ্ঠান শেষে কর্মসূচির অংশ হিসেবে এতে অংশ নেওয়া ঢাকা ও আশপাশের বেসরকারি মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণ থেকে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়েন এবং ঘরে ঘরে গিয়ে ডেঙ্গুর বিভিন্ন দিক নিয়ে জনসচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম শুরু করে।

কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম, জাতীয় অধ্যাপক ডা. শায়লা খাতুন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ, বিপিএমসিএর সাবেক সভাপতি ডা. মোয়াজ্জেম হোসেন, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের মহাসচিব ডা. এম এ আজিজ, ইউনিভার্সেল মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের চেয়ারম্যান পৃথী চক্রবর্তী প্রমুখ।

আর উপস্থিত ছিলেন গ্রীন লাইফ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. মাইনুল ইসলাম, বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডা. রেজওয়ানুল কবীর, তায়রুন্নেসা মেমোরিয়াল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক হাবিবুল হকসহ অনেকে।

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি
জাতীয় ওষুধনীতি-২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন

নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি