ঢাকা      রবিবার ১৮, অগাস্ট ২০১৯ - ৩, ভাদ্র, ১৪২৬ - হিজরী

‘ডেঙ্গুর বিষয়ে যখনই প্রয়োজন তখনই বরাদ্দ’

মেডিভয়েস রিপোর্ট: ডেঙ্গুর চিকিৎসা সামগ্রী এবং কিটসহ প্রয়োজনীয় সকল কিছুর জন্য জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নির্দিষ্ট হারে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ।

তিনি বলেন, এই বরাদ্দের বাইরেও যদি প্রয়োজন হয়, তবে যখনই প্রয়োজন হবে তখনই তাদেরকে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ দেয়া হবে।

আজ সোমবার (৫ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমআইএস অডিটোরিয়ামে ডেঙ্গু বিষয়ে বিশেষ মিডিয়া ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা বিশেষ এ ব্রিফিংয়ের আয়োজন করে।

আবুল কালাম আজাদ বলেন, ডেঙ্গুর চিকিৎসা সামগ্রী এবং কিটসহ যা কিছু লাগে তার জন্য প্রত্যাকটি জেলা হাসপাতালে ১০ লক্ষ টাকা করে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। আমাদেরকে চিঠি লিখতে হবে না, স্থানীয়ভাবে তাদেরকে সমস্ত ক্ষমতা দেয় হয়েছে। এছাড়া প্রত্যেকটি উপজেলা হাসপাতালের জন্য ২ লক্ষ করে টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, যে টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে সব হাসপাতালে তা কাজে নাও লাগতে পারে। কোনো কোনো জায়গায় বেশি লাগবে, আবার কোথাও কম লাগবে। তবে যেখানে বেশি লাগবে সেখানে পুনরায় বরাদ্দ দেয়া হবে। আর যেখানে কম লাগবে তাদেরকে টাকা অপচয় না করার জন্য বলা হয়েছে। এনএস১ এর জন্য বছরে যে বরাদ্দ থাকে তার সাথে এ টাকার সমন্বয় করা হবে।

সিটি কর্পোরেশনের সক্ষমতার কথা উল্লেখ করে আবুল কালাম আজাদ বলেন, একথা সত্য যে, সিটি কর্পোরেশনের যে সক্ষমতা থাকা দরকার ছিল প্রকৃতপক্ষে তা নেই। বিষয়টা হচ্ছে প্রয়োজন না হলে সক্ষমতা বাড়ে না। আগে হয়তো প্রয়োজন হয়নি। তবে এবার তারা সমস্যা সম্পর্কে অনুধাবন করতে পেরেছে। আমাদের বছরের প্রতিটি দিনই এ বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করতে হবে।

এনএস১ টেস্টের কিট সংকটের বিষয়ে সাংবাদিকদের করা এক প্রশ্নে জবাবে তিনি বলেন, এখন এনএস১ টেস্টের কিটের দাম আগের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে। এর কারণ হঠাৎ করে চাহীদা তৈরী হওয়া এবং স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে আমদানি করা।অর্থাৎ বিভিন্নভাবে আমদানি করতে হচ্ছে।

এনএস১ টেস্টের কিটের এক ধরনের অপচয় হচ্ছে বলে মনে করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। বলেন, ঢাকা মেডিকেলে ৬০০ রোগীর মধ্যে এনএস১ ধরা পড়ছে মাত্র ১৭ জনের। মুগদা হাসপাতালে ৯৫ জনের মধ্যে মাত্র ৬ জনের ডেঙ্গু ধরা পড়েছে। কিছু কিছু হাসপাতালে আরও কম। এটার অর্থ হলো, প্রয়োজন নাই কিন্তু টেস্ট করছি। এর ফলে অর্থের অপচয় হচ্ছে এবং কিটের সংকটও বেড়ে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের প্রধান কিটতত্ত্ববিদ ডা ভুপেন্দর নাগপাল, প্রখ্যাত সাংবাদিক ও কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. সানিয়া তহমিনা, ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গুর প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডা. এম এম আকতারুজ্জামানসহ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ।

সংবাদটি শেয়ার করুন:

 


জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেলের ডা. নাঈম আর নেই

ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেলের ডা. নাঈম আর নেই

মেডিভয়েস রিপোর্ট: ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের ফিজিওলজি বিভাগের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ডা. মোহাম্মদ…

ডা. রেজাউল ইসলাম রেজা আর নেই

ডা. রেজাউল ইসলাম রেজা আর নেই

মেডিভয়েস রিপোর্ট: শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজের অপথালমোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক…

চিকিৎসকদের জন্য বিদেশে উচ্চ শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

চিকিৎসকদের জন্য বিদেশে উচ্চ শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

মেডিভয়েস ডেস্ক: দেশের চিকিৎসা সেবাকে এগিয়ে নিতে সরকার সবধরনের উদ্যোগ নেবে বলে…

ফার্মেসি ব্যবসায়ীর পছন্দের ওষুধ না লেখায় চিকিৎসক লাঞ্ছিত

ফার্মেসি ব্যবসায়ীর পছন্দের ওষুধ না লেখায় চিকিৎসক লাঞ্ছিত

মেডিভয়েস রিপোর্ট: কর্মক্ষেত্রে চিকিৎসক লাঞ্ছিত যেন স্বাভাবিক বিষয়ে পরিণত হয়েছে। প্রতিনিয়তই হামলার…

ডেঙ্গু প্রতিরোধে রাজধানীতে এসে ডেঙ্গুতেই প্রাণ গেল স্বাস্থ্য সহকারীর

ডেঙ্গু প্রতিরোধে রাজধানীতে এসে ডেঙ্গুতেই প্রাণ গেল স্বাস্থ্য সহকারীর

মেডিভয়েস রিপোর্ট: ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারি আদেশে ঢাকা এসে ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন…

চট্টগ্রাম ন্যাশনাল হসপিটালের ডা. মুহাম্মদ রফিক আর নেই

চট্টগ্রাম ন্যাশনাল হসপিটালের ডা. মুহাম্মদ রফিক আর নেই

মেডিভয়েস রিপোর্ট: প্রিয়জনদের সাথে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করা হলো না ডা.…

আরো সংবাদ














জনপ্রিয় বিষয় সমূহ:

দুর্যোগ অধ্যাপক সায়েন্টিস্ট রিভিউ সাক্ষাৎকার মানসিক স্বাস্থ্য মেধাবী নিউরন বিএসএমএমইউ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢামেক গবেষণা ফার্মাসিউটিক্যালস স্বাস্থ্য অধিদপ্তর