০৫ অগাস্ট, ২০১৯ ০৫:২৯ পিএম

‘চিকিৎসক-নার্সদের বিশ্রামের সুযোগ দিতে হবে’

‘চিকিৎসক-নার্সদের বিশ্রামের সুযোগ দিতে হবে’

মেডিভয়েস রিপোর্ট: দেশে যে হারে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে তাতে হাসপাতালগুলোতে তিল ধারনের ঠাই নাই। একই সাথে চিকিৎসক, নার্সসহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও বিশ্রামের সুযোগ নেই। তবে তারা যেন অসুস্থ্য না হয়ে পড়ে সে জন্য দেশের সকল সিভিল সার্জনদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ।

আজ সোমবার (৫ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমআইএস অডিটোরিয়ামে ডেঙ্গু বিষয়ে বিশেষ মিডিয়া ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা বিশেষ এ ব্রিফিংয়ের আয়োজন করে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, আজ  ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রত্যাকটি জেলার সিভিল সার্জনের সাথে মিটিয়ং করা হয়েছে। তাদেরকে সব বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। কিভাবে আমাদের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সেবা দান করবে সেটাও বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।

মহাপরিচালক বলেন, এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে, এই পরিস্থিতিতে একজন চিকিৎসক,নার্স বা কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রতদিন ২৪ ঘন্টা কাজ করছে, নিশ্চয় সে এক পর্যায়ে ক্লান্ত হয়ে অসুস্থ্য হয়ে পড়বে। সুতরাং তাদেরকে পর্যাপ্ত বিশ্রামের সুযোগ দোয়ার কথা সিভিল সার্জনদের বলে দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘এখন আমাদের সবচেয়ে বড় টার্গেট হচ্ছে জনগণের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা। আমরা সকল ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছি। আশা করি সকলে মিলে চেষ্টা করে এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি হতে পারবো।

ডেঙ্গু শুধু বাংলাদশেই হচ্ছে না উল্লেখ করে আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিশ্বের ১২৮টি দেশে ডেঙ্গু হচ্ছে। এসব দেশেও একই অবস্থা। কেউ আগে থেকে অনুমান করতে পারেনি।তবে আমরা এর জন্য যা করা দরকার তাই করছি।

তিনি বলেন, আমরা অনুমান করছি ঈদের সময় ঢাকায় ভর্তি রোগীর সংখ্যা কমে যেতে পারে। ফলে ঢাকার বাইরে বর্তমান সময়ের তুলনায় রোগীর চাপ বেড়ে যেতে পারে। তবে আশার কথা হলো, ঢাকার বাইরে এডিস মশার সংখ্যা এতো বেশি না।

দেশের সব জায়গায় সঠিক ব্যবস্থাপনা নেয়া হবে বলে মনে করেন তিনি।  

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, আমরা সবাইকে বলছি প্রথমে চিকিৎসকের কাছে যাবেন। কখন হাসপাতালে ভার্তি হতে হবে আর কখন হবে না সে বিষয়ে রোগীদের সঠিকভাবে বোঝাতে চিকিৎসকদেরকেও বলা হয়েছে। তদের পরামর্শ নিয়ে কাজ করতে হবে। আমাদের কিট সরবরাহের ক্ষেত্রে কিছুটা ঘাটতি রয়েছে, তবে এটাকে যদি সুষ্ঠুভাবে কাজে লাগাতে পারি সেটাই সবচেয়ে ভালো হবে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের প্রধান কিটতত্ত্ববিদ ডা ভুপেন্দর নাগপাল, প্রখ্যাত সাংবাদিক ও কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. সানিয়া তহমিনা, ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গুর প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডা. এম এম আকতারুজ্জামানসহ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ।

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত