ঢাকা      মঙ্গলবার ২০, অগাস্ট ২০১৯ - ৫, ভাদ্র, ১৪২৬ - হিজরী

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে এডিসের বংশ বিস্তারের সহায়ক পরিবেশ!

মেডিভয়েস রিপোর্ট: এডিস মশা অতি ক্ষুদ্রাকার প্রাণী। তবে এর ভয়াবহতা জটিল। এই এডিস মশা থেকেই ছড়িয়ে থাকে ডেঙ্গু। ডেঙ্গুবাহী একমাত্র মশা এডিস। ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দুই চিকিৎসকসহ কমপক্ষে ১৫ জনের মৃত্যুর ঘটনায় বর্তমানে এ মশা নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। দেশের সরকার প্রধান থেকে শুরু করে মন্ত্রী, সচিব, ঢাকার মেয়র এমনকি বাংলাদেশে নিযুক্ত আমেরিকান রাষ্ট্রদূত, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)-- সবাই এখন মশা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি এ থেকে বাঁচতে দিচ্ছেন নানা পরামর্শ।

এই মৌসুমে ডেঙ্গুর আক্রমণ থেকে বাঁচতে যাদের দিকে তাকিয়ে রয়েছে দেশের জনগণ। সেই জনগণের চাওয়ার কতটুকু মূল্যায়ন করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। কারণ ডেঙ্গু নির্মূলে তারাই চরম অসেচতনতার পরিচয় দিচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ভবনের চারপাশে যেন এডিসের বংশ বিস্তারের সহায়ক পরিবেশ গড়ে তোলা হয়েছে।

অধিদপ্তরের প্রধান ফটকের সঙ্গেই রয়েছে এডিস বংশ বিস্তারের প্রধান উপাদান লার্ভার আঁধার, যা খুবই ভয়াবহ বিষয়। এর সামনেই একটি ফেলে দেয়া কমোডে জমে আছে স্বচ্ছ পানি। আর এর মধ্যেই কিলবিল করছে লার্ভা।

ডেঙ্গুবাহী এডিস মশা নিধন ও নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি ব্যাপক জনসচেতনতা গড়ে তোলার পরামর্শের বিপরীতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সচেতনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এই অধিদপ্তরের পার্কিংয়ের এক পাশে বেশ কয়েকটি পরিত্যক্ত গাড়ি রয়েছে। এসব গাড়িতে বৃষ্টির পানি জমে আছে, যা এডিস মশার বংশ বিস্তারে সহায়ক। এছাড়া বিভিন্ন জায়গায় স্তুপ করে রাখা আবর্জনা। যা মশার ঘর বাঁধার জন্য একবারে উপযুক্ত পরিবেশ।

এ প্রসঙ্গে অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান,অধিদপ্তরের মধ্যে যত্রতত্র পুরাতন গাড়ি রাখার কারণে মশা বেশি হয়। কারণ এখানে তো পানি জমে থাকে। মশার জন্য প্রতিদিন আতঙ্কে থাকতে হয়। এইগুলো আমাদের দিনের বেলায়ও কামড়ায়। এতে পা-হাত ফুলে যায়।

অধিদপ্তরের একজন গাড়ি চালক গণমাধ্যমকে বলেন,অধিদপ্তরের মধ্যে এমন নোংরা পরিবেশ নিয়ে তারা স্যারকে বলেন। কিন্তু তিনি তোয়াক্কা করেন না। তাদের গাড়ি চালাতে এবং এসব নিয়ে মাথা না ঘামাতে বলেন।

শুধু পরিত্যক্ত গাড়ি বা অবর্জনা নয়। বরং আশপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে এমন অনেক জিনিস যা এই মৌসুমে এডিসের বংশবৃদ্ধিতে সহায়ক। তারমধ্যে পরিত্যক্ত ক্যান, ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের বোতল রয়েছে। যেগুলো কখনও পরিচ্ছন্ন করা হয় না।

তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, এটা অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল। অধিদপ্তরের ডেঙ্গু প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডা. এম এম আখতারুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, তাদের অধিদপ্তর বা ডিপার্টমেন্টের আশপাশ পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব তাদেরই। যেহেতু তারা হাত দিয়েছেন সবকিছুই দ্রুত পরিষ্কার করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন:

 


জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেলের ডা. নাঈম আর নেই

ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেলের ডা. নাঈম আর নেই

মেডিভয়েস রিপোর্ট: ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের ফিজিওলজি বিভাগের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ডা. মোহাম্মদ…

চিকিৎসকদের জন্য বিদেশে উচ্চ শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

চিকিৎসকদের জন্য বিদেশে উচ্চ শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

মেডিভয়েস ডেস্ক: দেশের চিকিৎসা সেবাকে এগিয়ে নিতে সরকার সবধরনের উদ্যোগ নেবে বলে…

ফার্মেসি ব্যবসায়ীর পছন্দের ওষুধ না লেখায় চিকিৎসক লাঞ্ছিত

ফার্মেসি ব্যবসায়ীর পছন্দের ওষুধ না লেখায় চিকিৎসক লাঞ্ছিত

মেডিভয়েস রিপোর্ট: কর্মক্ষেত্রে চিকিৎসক লাঞ্ছিত যেন স্বাভাবিক বিষয়ে পরিণত হয়েছে। প্রতিনিয়তই হামলার…

ডেঙ্গু প্রতিরোধে রাজধানীতে এসে ডেঙ্গুতেই প্রাণ গেল স্বাস্থ্য সহকারীর

ডেঙ্গু প্রতিরোধে রাজধানীতে এসে ডেঙ্গুতেই প্রাণ গেল স্বাস্থ্য সহকারীর

মেডিভয়েস রিপোর্ট: ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারি আদেশে ঢাকা এসে ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন…

ভারতে চিকিৎসা নিতে গিয়ে ফিরেছেন লাশ হয়ে

ভারতে চিকিৎসা নিতে গিয়ে ফিরেছেন লাশ হয়ে

মেডিভয়েস ডেস্ক: ভারতের কলকাতায় চিকিৎসা নিতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরতে হলো মইনুল…

ডেঙ্গুজ্বরে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের সহকারী রেজিস্ট্রারপুত্রের মৃত্যু

ডেঙ্গুজ্বরে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের সহকারী রেজিস্ট্রারপুত্রের মৃত্যু

মেডিভয়েস রিপোর্ট: ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সহকারী…

আরো সংবাদ














জনপ্রিয় বিষয় সমূহ:

দুর্যোগ অধ্যাপক সায়েন্টিস্ট রিভিউ সাক্ষাৎকার মানসিক স্বাস্থ্য মেধাবী নিউরন বিএসএমএমইউ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢামেক গবেষণা ফার্মাসিউটিক্যালস স্বাস্থ্য অধিদপ্তর