ঢাকা শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৯, ৩ কার্তিক ১৪২৬,    আপডেট ৩ ঘন্টা আগে
১৬ জুন, ২০১৯ ১৫:৫৫

ভারতে তাপদাহে ৪০ জনের মৃত্যু 

ভারতে তাপদাহে ৪০ জনের মৃত্যু 

মেডিভয়েস ডেস্ক: ভারতে তাপদাহে কমপক্ষে ৪০ জন মারা গেছেন। শনিবার উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য বিহারে এ ঘটনা ঘটে। অন্যদিকে চলতি মাসে এ রাজ্যের মুজাফফরপুরে এনসেফালাইটিসে আক্রান্ত হয়ে কমপক্ষে ৮০টি শিশু মারা গেছে। এতে মানুষের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার। প্রত্যেকের পরিবারকে ৪ লাখ রুপি করে দেয়ার ঘোষণা দেন তিনি। 

তাপদাহে আওরঙ্গবাদ, গয়া ও নওদায় বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। শুধুমাত্র আওরঙ্গবাদে কমপক্ষে ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আওরঙ্গবাদে সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক ডা সুরেন্দ্র প্রসাদ সিং বলেন, এই জেলায় মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে বহু মানুষকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, যেসব মানুষ মারা গেছেন, তারা উচ্চ তাপমাত্রাজনিত কারণে জ্বরে ভুগছিলেন। 

এনডিটিভি জানিয়েছে, দিল্লি, রাজস্থানের চারু, উত্তর প্রদেশের বানদা ও এলাহাবাদে তাপমাত্রা ৪৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে উঠে গেছে।  

গয়াতে নিহতের সংখ্যা ১২। এখানে মৃত্যুর ঘটনাকে ‘দুর্ভাগ্যজনক’ বলে আখ্যায়িত করেছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ড. হর্ষবর্ধন। তিনি বলেছেন, মানুষ হিটস্ট্রোকে মারা গেছেন, এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। 

তাপমাত্রা না কমা পর্যন্ত লোকজনকে বাড়িতে অবস্থানের পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, তীব্র গরমে ব্রেনের ওপর প্রভাব ফেলে এবং তা থেকে বিভিন্ন রকম স্বাস্থ্যগত সমস্যা দেখা দেয়। 

প্রসঙ্গত, এ বছর ভারতে সবচেয়ে ভয়াবহ তাপপ্রবাহ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে উত্তর ভারতের চারটি শহরে তা রেকর্ড পরিমাণ উচ্চ তাপমাত্রায় পৌঁছেছে। এ শহরগুলো হলো দিল্লি, রাজস্থানের চারু, উত্তর প্রদেশের বানদা ও এলাহাবাদ। এসব শহরে তাপমাত্রা পৌঁছে গেছে ৪৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তারও উপরে।

বিহারের মুজাফফরপুরে অ্যাকিউট এনসেফালাইটিস সিনড্রোমের প্রাদুর্ভাব বড় স্বাস্থ্যগত উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুধু এই এক মাসে এই ভয়াবহ ভাইরাস সংক্রমণে আক্রান্ত হয়ে এখানে মারা গেছে ৭৩টি শিশু। স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধণ এই এলাকা পরিদর্শন করেছেন। রাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগ এসব মৃত্যুর কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে হাইপোগ্লিসেমিয়া নামের একটি অবস্থাকে। এ অবস্থায় রক্তে চিনির পরিমাণ একেবারে সর্বনিম্ন অবস্থায় চলে আসে। এটাই মৃত্যুর প্রধান কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। 
 

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত