১৫ জুন, ২০১৯ ১০:১৭ এএম

মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ নিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ পাপনের

মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ নিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ পাপনের

মেডিভয়েস রিপোর্ট: কোম্পানীগুলো অবিক্রিত ও মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ পরিবর্তন কিংবা ফেরত নিয়ে মূল্য হস্তান্তর করে, তাই ফার্মেসীতে মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ থাকার কোন সুযোগ নেই। তারপরও কিছু মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুদ থেকে যেতে পারে। তবে তা গ্রাহকদের কাছে বিক্রি করা হয় না এবং এনিয়ে সাধারণ জনগণকে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বাংলাদেশ ওষুধ শিল্প মালিক সমিতির সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।

তিনি বলেন, ওষুধ মেয়াদোত্তীর্ণ হতেই পারে। এটা নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।

শুক্রবার (১৪ জুন) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসভবনে এক সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি একথা বলেন।

নাজমুল হাসান পাপন বলেন, মোট ওষুধের ৯৭ ভাগ দেশীয়ভাবে উৎপাদিত হয়। এটা বিশ্বে বিরল। শুধু উন্নত দেশ হলে হয় না, সিঙ্গাপুর কত উন্নত দেশ, তারপরও তারা ৮৮ শতাংশ ওষুধ বিদেশ থেকে আমদানি করে। আমদানি করা ওষুধের ক্ষেত্রে সংগঠনটি কোন দায় নেবেনা বলেও জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।

পাপন বলেন, ফার্মেসিতে যে তাপমাত্রায় ওষুধ রাখার কথা, সেই তাপমাত্রায় রাখা হয় না। বিদেশে যেভাবে ফার্মেসিতে ওষুধ রাখা হয়, সেসব ফার্মেসি আমাদের দেশে নেই। আর এজন্য অনেক ওষুধ নষ্ট হয়, কিন্তু নষ্ট হলে দোকানিদের কোনো ক্ষতি নেই। কোম্পানিকে ফেরত দিলে তারা ওষুধ পেয়ে যায়। কিন্তু তারা যদি সেই ওষুধ বিক্রি করে, তাহলেই সমস্যা। আমার জানা মতে, দোকানিরা এসব ওষুধ বিক্রি করার কথা নয়।

ওষুধ শিল্প মালিক সমিতির সভাপতি বলেন, যে ৯৩ শতাংশ দোকানে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের কথা বলা হচ্ছে, মনে হয় না এতো শতাংশ হবে। তবে ওষুধ মেয়াদোত্তীর্ণ হবে, এটা স্বাভাবিক। কিন্তু মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ দোকানে রাখার কথা নয়। সেটা নির্দিষ্ট জায়গায় স্টোর রুমে রাখার কথা। তাই অধিক মুনাফার আশায় কোনো দোকানি যাতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি না করে, সেটা নিশ্চিত করতে হবে। 

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত