ঢাকা      সোমবার ২৪, জুন ২০১৯ - ১০, আষাঢ়, ১৪২৬ - হিজরী



ডা. কাওসার উদ্দিন

সহকারী সার্জন

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।


এমন সমস্যার জন্য আউটডোরেই আসবেন

অমুক ছুটি, তমুক ছুটি, আজ কিন্তু সরকারী ছুটি! সকাল থেকে এ অবধি রোগীর কিন্তু শেষ নাই। গুনে গুনে ৫০টা রোগী দেখেছি, যার অধিকাংশই বহির্বিভাগের। সাধারণ মানুষ বোঝে না কোন সমস্যাটা বেশি জরুরী, আর কোনটা কম। তাদের কাছে সব সমস্যাই গুরুতর, এবং হাসপাতালে আসার আগে তারা অতশত চিন্তা করে না, ভাবে না আজ কি বার বা ছুটি আছে কিনা।

এখন আপনি যদি নিয়মের কথা বলে এটা তাদের বুঝাতে চান, আপনার সমস্যা জরুরী না, এখন দেখা যাবে না, আউটডোরে যেদিন খোলা সেদিন দেখাবেন, সেটা তারা সহজভাবে নিবে না। অনেকে আসবে ভিআইপি নিয়ে, আতি পাতি নেতা সাংবাদিক তো আছেই।

সেবার জন্য আছি, সমস্যা যাই হোক, যে সময়ই এসে উপস্থিত হোক না কেন, জরুরী বিভাগের ডাক্তারকে চাহিবামাত্র সেবা দিতে হবে। সেই হিসেবে অলিখিতভাবে প্রতিটি ছুটির দিনেই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আউটডোর খোলা! ছুটির দিন, সকালে উঠে ভাবি আজ হয়তো কষ্ট একটু কম হবে, কিন্তু এদিনেই কষ্ট বেশি হয়। কারণ, অন্য দিনে মেডিকেল এসিট্যান্ট ফার্মাসিস্ট অনেকে থাকে ওষুধ লেখার জন্য, কিন্তু এসব দিনে জরুরী বিভাগের একমাত্র ডাক্তার হলেন সবেধন নীলমনি।

তাকে একটা প্যাড নিয়ে বসতে হয় ওষুধ লিখে দিতে, কারণ ছুটির দিনে টিকেট বন্ধ। আবার গলা ফাটিয়ে এটাও বারবার বুঝিয়ে দিতে হয় যে 'আজ ছুটির দিন, ফ্রি ওষুধ নাই', না হলে আবার এসে হাজির হবে 'ওষুধ তো দিলেন না!' এ সমস্যার কোন সমাধান নাই মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধি ছাড়া, তাই চিকিৎসা দিয়ে এতটুকু বলে শুধু শান্তি পাই, 'এরপর থেকে এমন সমস্যার জন্য আউটডোরেই আসবেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন:

 


পাঠক কর্নার বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এতোদিন ভাবতাম ডাক্তার হিসাবে আমি ‘ব্যতিক্রম’

এতোদিন ভাবতাম ডাক্তার হিসাবে আমি ‘ব্যতিক্রম’

আজ ১৭ই জুন, ২০১৯। সর্বভারতে আজ চিকিৎসক ধর্মঘট। পশ্চিমবঙ্গের নীলরতন সরকার হাসপাতালের…



জনপ্রিয় বিষয় সমূহ:

দুর্যোগ অধ্যাপক সায়েন্টিস্ট রিভিউ সাক্ষাৎকার মানসিক স্বাস্থ্য মেধাবী নিউরন বিএসএমএমইউ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢামেক গবেষণা ফার্মাসিউটিক্যালস স্বাস্থ্য অধিদপ্তর