ঢাকা      সোমবার ২৪, জুন ২০১৯ - ১০, আষাঢ়, ১৪২৬ - হিজরী



কামারুজ্জামান নাবিল

ছাত্র, ডক্টর অব মেডিসিন, ইস্পাহান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ইরান


প্রাকৃতিক দুর্যোগে ইরানের মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা যা করেন

সম্প্রতি ইরানে কয়েকটি শহরে প্রবল বন্যা দেখা দিয়েছিল। এসব বন্যা দুর্গত এলাকায় ইস্পাহান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ইরান থেকে সে এলাকার মানুষদের সেবা দিতে কয়েকবার ক্যাম্প করা হয়েছিল।

সেই ক্যাম্পগুলোর প্রায় প্রতিটি সাজানো হয়েছিল কয়েকজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অথবা অন্য কোনো ফিল্ডের বিশেষজ্ঞ সাথে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ দিয়ে।

লক্ষ্যণীয় বিষয় হচ্ছে প্রতিটি ক্যাম্পে মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের অধিক গুরুত্ব দেয়া হয়েছিল। কিছু ক্যাম্প শুধুমাত্র মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়েই গঠিত হয়েছিল। বিষয়টি শুনে কৌতুহলী হয়েছিলাম এজন্য যে বন্যা দুর্গত এলাকায় আদৌ কি এত মনোরোগ বিশেষজ্ঞের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে?

সরাসরি বন্যা দুর্গত এলাকায় যাওয়া সম্ভব না হলেও যারা বন্যা দুর্গত এলাকায় সেবা দিতে ক্যাম্পে গিয়েছিলেন তাদের কয়েকজন ডাক্তারের সাথে এ নিয়ে কথা বলার সুযোগ হয়েছিল। জানার সুযোগ হয়েছিল কেন তাঁরা ক্যাম্পগুলোতে মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। 

মূলত এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগে মানসিকভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় শিশু এবং কিশোর বয়সের ছেলে-মেয়েরা। এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগ কম সময় নিয়ে এলেও এর প্রভাব অনেকক্ষেত্রে সেসব এলাকার মানুষদের মনে দীর্ঘস্থায়ীভাবে থেকে যেতে পারে। যা তাঁদের ভবিষৎ জীবনে বিভিন্নক্ষেত্রে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে যা বলার অবকাশ রাখেনা। 

এসব মানুষের পাশে গিয়ে সমবেদনা জানানো সাথে যতটুকু পারা যায় তাঁদের সাহস দেয়া এবং তাঁদের অবস্থা শুনতে চাওয়া ইত্যাদি তাঁদের মানসিকভাবে অনেক সহযোগিতা করতে পারে।

 আমি অনুরোধ করবো বাংলাদেশের মনোরোগ বিশেষজ্ঞরাও যেনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন বন্যা, ভুমিকম্প অথবা অগ্নিকান্ডে আক্রান্তদের পাশে দাঁড়ান। 

 

সংবাদটি শেয়ার করুন:

 


আরো সংবাদ














জনপ্রিয় বিষয় সমূহ:

দুর্যোগ অধ্যাপক সায়েন্টিস্ট রিভিউ সাক্ষাৎকার মানসিক স্বাস্থ্য মেধাবী নিউরন বিএসএমএমইউ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢামেক গবেষণা ফার্মাসিউটিক্যালস স্বাস্থ্য অধিদপ্তর