১৭ এপ্রিল, ২০১৯ ০৭:০১ পিএম

আগামী বাজেটেই এক্সরে মেশিন সমস্যার সমাধান হবে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

আগামী বাজেটেই এক্সরে মেশিন সমস্যার সমাধান হবে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

মেডিভয়েস রিপোর্ট: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান এমপি বলেছেন, আমাদের অধিকাংশ হাসপাতালেই এক্সরে মেশিন নেই। বা থাকলেও সেগুলো কাজ করছেনা। এজন্য আগামী বাজেটেই অর্থের সংকুলান করে সমস্যার সমাধান করা হবে।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল ইউএনএফপিএ কর্তৃক আয়োজিত ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিপোর্ট-২০১৯ প্রকাশ অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ডা. মুরাদ হাসান বলেন, আমাদের হাসপাতালগুলোতে নানা সমস্যা বিদ্যমান। আমাদের ১০ শতাংশ হাসপাতালে থার্মোমিটার আছে। এই খবর আমার জন্য খুব পেইনফুল। বিষয়টি আমি দেখবো। আগামী বাজেটেই অর্থের সংকুলান করে আশা করি সমস্যার সমাধান হবে।

তিনি আরো বলেন, শিশু মৃত্যু হার ও মাতৃমৃত্যু হারের প্রতিবেদন দ্রুত প্রকাশ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী মিয়া সেপ্পো, ড. বারাকাত-ই-খুদা, ড. মুজাফফর আহমেদ, বরগুনা থেকে আগত এক স্কুল শিক্ষিকা সোহেলি পারভিন।

জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল ইউএনএফপিএ’র বাংলাদেশ প্রতিনিধি ড. আশা তর্কেলসন ‘ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন পপুলেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট-আইসিডিপি ইন বাংলাদেশ ওভারভিউ’ শীর্ষক এক প্রতিবেদন উপস্থাপন করে বলেন, কাজ করছেন এমন মানুষের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৮ শতাংশ। কমেছে বাল্য বিয়ে। স্কুলগামীদের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৮ শতাংশ। প্রাথমিকে মেয়ে শিশু বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৮ শতাংশ। মাধ্যমিকেও কন্যা শিশুর অংশগ্রহণের হার বেড়েছে, তবে শিক্ষাক্রম শেষ করার হার এখনো খুব কম। আর তরুণদের মধ্যে কর্মহীনদের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ শতাংশ।

ড. আশা তর্কেলসন বলেন, শুধু করণীয় নির্ধারণ করলেই হবে না, পলিসি বাস্তবায়ন নিশ্চিত করে মেয়ে ও মহিলাদের সকল দিক থেকে সমান সুযোগ দিয়ে তাদের জীবনের সুরক্ষা দিতে হবে।

‘আনফিনিশড বিজনেস: দ্য পারস্যুট অফ রাইটস অ্যান্ড চয়েসেস ফল অল’ শিরোনামের এই রিপোর্টটি দু’টি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ্যকে সামনে রেখে বিশ্বজুড়ে প্রজনন স্বাস্থ্যের অগ্রগতি অনুসন্ধান করেছে।
 
রিপোর্টটি বলছে, ১৯৬৯ সালের পর থেকে অনেক অর্জন হয়েছে। নারী প্রতি জন্মহারের গত সংখ্যা ছিল ৪ দশমিক ৮। বর্তমানে এটি কমে দাঁড়িয়েছে ২ দশমিক ৫। গর্ভধারণ সম্পর্কিত কারণে মৃত্যুবরণ করে এমন নারীর সংখ্যা প্রতি লাখে ৩৬৯ জন থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ২১৬ জন। আর জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারকারী নারীর সংখ্যাও ২৪ শতাংশ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৮ শতাংশ। তবে এখনো বিশ্বের ২০ কোটি নারী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি সেবা থেকে বঞ্চিত।

সিন্ডিকেট মিটিংয়ে প্রস্তাব গৃহীত

ভাতা পাবেন ডিপ্লোমা-এমফিল কোর্সের চিকিৎসকরা

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা উপেক্ষা

অতিরিক্ত বেতন নিচ্ছে একাধিক বেসরকারি মেডিকেল

প্রস্তুতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

অক্টোবর-নভেম্বরে ২য় ধাপে করোনা সংক্রমণের শঙ্কা

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি
জাতীয় ওষুধনীতি-২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন

নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি