ঢাকা      মঙ্গলবার ২৩, এপ্রিল ২০১৯ - ৯, বৈশাখ, ১৪২৬ - হিজরী



ডা. সাদেকুল ইসলাম তালুকদার

বিভাগীয় প্রধান, প্যাথলজি,

শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ।


স্মৃতির পাতা থেকে

ছাত্র হিসেবে কেমন ছিলেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ডা. লোটে!

১৯৯৬ সালের মার্চ মাসে আমি আবার প্রভাষক পদে প্যাথলজি বিভাগে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে ফিরে আসি। এম ফিল (প্যাথলজি) পাশের রেজাল্ট হয়েছিল ১৯৯৫ সনের শেষের দিকে। পদায়ন হতে সময় লেগেছিলো। আমি এর আগেও প্যাথলজি বিভাগের প্রভাষক ছিলাম ১৯৯২ সনের জানুয়ারি থেকে ১৯৯৩ সনের জুন পর্যন্ত। ১৯৯৮ সনের মে মাসে আমি সহকারী অধ্যাপক (সিসি) পদে যোগদান করি।

২০০৭ সালের শেষ পর্যন্ত আমি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজেই ছিলাম। সেই হিসাবে আমি এই মেডিকেল কলেজের এম-২৪ নাম্বার ব্যাচ থেকে এম-৪৪ নাম্বার ব্যাচ আমার ছাত্র হিসাবে পেয়েছি। ২৬ ও ২৭ নাম্বার ব্যাচের আমি ক্লাস নিতে পারি নাই, কারণ আমি তখন পিজি কোর্সে ছিলাম আইপিজিএমআর (বিএসএমএমইউ) ঢাকায়। ৪৩ ও ৪৪ ব্যাচের ক্লাস আমি নিতে পারি নাই, কারণ তারা তখন ছিল প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষে।

প্যাথলজি ক্লাস হয় তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ষে। আমি নিজে ছিলাম এম-১৭ নাম্বার ব্যাচের ছাত্র। আমার মেয়ে ডা. মার্জিয়াও ১৭ নাম্বার ব্যাচের ছাত্রী ছিল। তবে ময়মনসিংহে না দিনাজপুর মেডিকেল কলেজের। যেহেতু ভুটানের ছাত্র লোটে শেরিং এম-২৮ নাম্বার ব্যাচের ছাত্র ছিলেন, সেহেতু তিনি আমার সরাসরি ছাত্র।

আজ তিনি ভুটানের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। আমার মেডিকেল কলেজের আমারই সরাসরি একজন ছাত্র একটি দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়াতে আমি গর্ববোধ করছি। সেই দেশেরই আমার আরেক ছাত্র এম-২৪ নাম্বার ব্যাচের ডা. দর্জি এখন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। আরো ভালো লাগার কথা না? শুধু তাই না, খোদ বাংলাদেশেরই, এমনকি আমাদের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান এমপিও এম-৩০ নাম্বার ব্যাচের সরাসরি ছাত্র। এরা শুধু আমার ছাত্রই না আমার কলেজের ছোট ভাই। গর্বে প্রাণ ভরে যায়।

আগামী ১৪ এপ্রিল ভুটানের প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় সফরে বাংলাদেশে এসে তার প্রাণের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ভিজিট করবেন। সাক্ষাৎ প্রার্থীর জন্য কড়াকড়ি নিয়ম। আমি অধ্যক্ষের নিকট অনুমতি নিতে গিয়েছিলাম। তিনি অনুমতি দিয়েছেন। নাম ঠিকানা ও ৫ কপি ছবি জমা দিয়েছি চেষ্টকার্ড তৈরি করার জন্য। এই ৫ কপি ছবি নাকি ৫ স্তরের সিকিউরিটির নিকট চলে যাবে। কত দামী আমার ছাত্রটি!

এই ছাত্রটির কথা কিছু লিখতে মন চাইছে আজ। তাকে আমি পেয়েছিলাম চতুর্থ বর্ষের এমবিবিএস ছাত্র হিসাবে। দীর্ঘদিন শিক্ষকতা করে আমার ছাত্রদের নিয়ে বেশ কিছু অভিজ্ঞতা হয়েছে। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের অভিজ্ঞতা হয়েছে প্রায় ১৪ বছর। শুনেছি অন্যান্য মেডিকেল কলেজের তুলনায় এই কলেজে বিদেশী ছাত্রদের পরিমাণ একটু বেশী। তারমধ্যে নেপাল, ভুটান ও কাশ্মীরী ছাত্রই বেশী ছিল। বিদেশী ছাত্রদের মধ্যে নেপালি ছাত্রগুলি বেশী মেধাবী ছিলো। যারা মেধাবী ছিলো না তারা খুবই ডাল ছিলো। সাধারণত কাশ্মীরী ছাত্ররা মধ্যম মেধাবীর ছিলো। ভুটানেরগুলি মধ্যম ধরনের ছিল। তারা খুবই বিনয়ী ছিল। ক্লাসে চুপচাপ বসে থাকতো।

প্রথমদিকে আমি প্রভাষক ছিলাম। তাই টিউটোরিয়াল ও প্রেক্টিক্যাল ক্লাস নিতাম। লেকচার ক্লাস নিতেন সহকারী, সহযোগী ও ফুল অধ্যাপকগণ। প্রফেসর শাহ মনির হোসেন ও প্রফেসর মীর্জা হামিদুল হক স্যার প্রায়ই রাজনৈতিক মিটিংয়ে ব্যস্ত থাকার কারণে আমাকে দিয়ে লেকচার ক্লাসের প্রক্সি দেওয়াতেন।

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ছিল ছাত্র রাজনীতি ও চিকিৎসক সংগঠনের জন্য উর্বর প্রতিষ্ঠান। তাই এখান থেকে তৈরি হয়েছে বড় বড় চিকিৎসক নেতা। তারাই সারাদেশের চিকিৎসকদের সাংগঠনিক কাজ কর্ম নিয়ন্ত্রণ করছেন সবসময়। মেধাবীর দিক দিয়েও তারা এগিয়ে। বিদেশী ছাত্রদের যেহেতু ছাত্র রাজনীতিতে জড়িত তাকার প্রয়োজন ছিল না, সেহেতু তাদের মেডিকেলের বই পড়ার সুযোগ বেশী ছিলো। এমন একজন ছাত্র ছিলো আমাদের এই লোটে।

ভুটানি ছাত্রদের মধ্যে খুব বেশী পরিচিত ছিল আমাদের এই লোটে। প্রত্যেক ছাত্ররই ক্লাসের নির্দিষ্ট একটা সীটে বসার অভ্যাস আছে। কিছু কিছু ফাঁকিবাজ ছাত্র সবসময় পিছনের সারির কর্ণারে মাথা নিচু করে বসতে চায়। এই জায়গাটা আমার কাছে ডেঞ্জার জোন। এইগুলি ভাইভা পরীক্ষায় সাধারণত ফেল করে। এগুলিকে মাঝে মাঝে আমি জোড় করে সামনে এনে বসাই। আমি লক্ষ করেছি লোটে ২ নাম্বার সাড়িতে আমার হাতের বাম বা তাদের সাড়ির ডান অংশে বসতেন।

টিউটোরিয়াল ক্লাসগুলিতে সাধারণত ৩০ জন ছাত্র বসতো। ছাত্র কম থাকাতেল খুব কাছে থেকেই আমি তাদেরকে দেখেছি। আমার ক্লাসে ছাত্ররা ঠিকমতো বুঝতে পারছে কিনা আমি তা তাদের মুখ, চোখ ও মাথা নাড়ানো দেখে বুঝতে পাড়ি। কেউ কেউ মাথা সামনে পিছনে নাড়ায় অর্থাৎ সে বুঝতে পারছে। কেউ কেউ ডানে বামে নাড়ায় অর্থাৎ সে বুঝতে পারে নি। কেউ কেউ মাথা আড়া আড়ি নাড়ায় অর্থাৎ সে কিছুটা বুঝেছে কিছুটা বুঝে নি। কেউ কেউ আশে পাশে বন্ধুরের সাথে ফিস ফিস করে অর্থাৎ সে আমার কথা মানতে পারছে না। চোখের চাহনি দেখেও আমি বুঝতে পাড়ি সে কেমন বুঝতে পারছে।

লোটেদের চোখ বেশী নড়ে না। চোখ দেখে বুঝার উপায় নাই। লোটে ক্লাসে সোজা হয়ে চুপচাপ বসে থাকতেন। নড়াচড়া করতেন না। প্রশ্ন করে উত্তর পেয়ে বুঝতে পারতাম লোটে বুঝেছেন। টিউটোরিয়াল ও প্রেক্টিক্যাল ক্লাসগুলি দুপুরের পর হয়। এই সময় ছাত্ররা ক্লান্ত হয়ে পড়ে। ৩০/৪০ মিনিট ক্লাশ নেয়ার পর ঝিমিয়ে পড়ে। তাদের চাঙ্গা করার জন্য আমি হাসির গল্প ছাড়ি। হাসতে হাসতে অনেকের পেটে খিল ধরে যায়। ঘুম ভেঙে যায়।

আবার শুরু করি। কারো কারো হাসি পায় না সহজে। তখন গন্ডারের গল্প বলি। গন্ডারের রাখাল গতকাল আসরের ওয়াক্তের পর লাঠি দিয়ে গন্ডারের পাজরে একটা কাতুকুতু দিয়েছিলো। আজ আসরের ওয়াক্তের পর গন্ডার হাসছে। গন্ডারের চামড়া অনেক পুরু। চামড়া দিয়ে কাতুকুতু পৌছতে গন্ডারের ২৪ ঘন্টা সময় লাগতো। এতটুকু শোনার পর অবশিষ্ট ছাত্ররা মৃদু হাসতো।

আমাদের লোটের হাসিটি ছিলো মৃদু হাসি। তিনি তার ঠোট সামান্য ফাক করতেন। তাতে তার সাদা দবদবে দাঁত বের হতো। হাসলে গালে টোল পড়তো। খুব সুন্দর লাগতো আমাদের লোটেকে। ভুটানি ছাত্রছাত্রীদের সবার দাঁতই সমান ও সুন্দর। সবগুলি দেখতে প্রায় এক রকম। ওদের ব্যাচে খুব সম্ভব ৪ জন ভুটানি ছাত্রী ছিলো।

মাইক্রোস্কোপে স্লাইড দেখানোর সময় একদিন ভুটানের রাজ পরিবার নিয়ে কথা বলি। ওরা বাংলায় কথা বলতেই সাচ্ছন্দ বোধ করতো। আমি শুনেছিলাম ভুটানের রাজা এক সাথে চার বোন বিয়ে করেছেন। আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম-

- তোমাদের দেশের রাজা একই সাথে একজনের কাছে সব মেয়ে বিয়ে দেয় কেনো?

- স্যার, রাজা মারা গেলে মেয়ের জামাই রাজা হলে যেনো সব মেয়েই রানী হতে পারে।

লোটেদের ব্যাচ আমার কাছে ক্লাস করেছে ১৯৯৬ সনের এপ্রিল থেকে ডিসেম্বরের শেষ পর্যন্ত প্রায় ৯ মাস। ক্লাসে পড়া ধরলে লোটে নরমভাবে দাঁড়িয়ে উত্তর দিতেন। সামান্য ভুল করলে একটু লজ্জার হাসি হাসতেন। মানে দুই ঠোটের ফাঁক দিয়ে একটু সাদা দাঁত বের হতো এবং গালে সামান্য টোল পড়তো।

তাদের প্যাথলজি প্রফেশনাল ফাইনাল পরীক্ষা হয় ১৯৯৭ এর জানুয়ারি মাসে। যেহেতু আমি প্রভাষক পদে ছিলাম সেহেতু আমি তাদের ভাইভা নিতে পারি নাই। তবে লিখিত ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় ইনভেজিলেটর হিসাবে ছিলাম। তার রেজাল্ট কেমন হয়েছিল আমার জানা নেই। তারপর কত কত ব্যাচ বের হয়ে গেছে! লোটের খবর আর রাখি নাই।

গত বছর একজনের ফেইসবুক পোষ্ট থেকে জানতে পাড়ি ভুটানে লোটে পার্লামেন্ট-এ ইলেকশন করেছেন। লোটেদের দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে ইলেকশনে। যেহেতু লোটে এই দলের প্রধান সেহেতু লোটেই হবেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী। তিনি তাই হলেন। আমার কি যে ভালো লাগছিলো!

যিনি এক সময় আমার সামনে লজ্জিতভাবে দাঁড়িয়ে পড়া বলতেন তিনিই আজ পৃথিবীর একটা দেশের প্রধান। তিনি আমি যে কলেজে পড়েছি সেই কলেজেরই ছাত্র ছিলেন। কিন্তু একটা জিনিস আমার মাথায় এখনো ধরছে না। এত শান্তশিষ্ট একটা ছেলে কিভাবে এত বড় একটা দায়িত্ব পেলেন? কার কাছ থেকে তিনি রাজনীতি শিখলেন? তবে কি তিনি ময়মনসিংহ থেকেই রাজনীতির তালিম নিয়েছিলেন আমাদের সোনার ছেলেদের থেকে? ইইন্টার্ন র্নেটে তার জীবনী পড়ে দেখলাম তিনি বাংলাদেশ থেকেই সার্জারিতে পোস্টগ্রাজুয়েট এফ সি পি এস পাস করে দেশে ফিরে সরকারি চাকরি করছিলেন। পরে চাকরি ইস্তফা দিয়ে রাজনীতিতে যোগ দেন। তার মেধায়ই টেনে নিয়ে গেছে দেশের শীর্ষস্থানে।

তিনি প্রধান মন্ত্রী নিযুক্ত হওয়ার কিছুদিন পরই জানতে পারলাম তার মন্ত্রী সভায় পররাষ্ট্র মন্ত্রী হিসাবে নিয়োগ দিয়েছেন আমারই আরেক ছাত্র টান্ডি দর্জিকে। জয় হউক আমার ছাত্রদের।

ভুটানে বেড়াতে যাওয়ার ইচ্ছা আমার আছে। যাব ইনশাল্লাহ। কয়েকদিন আগে শুনলাম লোটে আমাদের প্রাইম মিনিস্টারের আমন্ত্রণে রাষ্ট্রীয় সফরে বাংলাদেশে আসছেন। আমার ইচ্ছা হলো দেখা করার। আমি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষের বরাবর আমার ইচ্ছাটা ব্যক্ত করেছিলাম। প্রাক্তন টিচার হিসাবে আমার নাম তালিকাভুক্ত করেছেন। ৫টি পাসপোর্ট আকারের ছবি নিয়েছেন। নিয়েছেন বাসস্থান ও কর্মস্থলের ঠিকান, মোবাইল ও ইমেইল।

৫ স্তরের সিকিউরিটি থেকে নাকি আমাদেরকে যাচাই বাচাই করে চেস্ট কার্ড প্রধান করা হবে। গতকাল হেলিকপ্টার এসে টহল দিয়ে গেছে। যেখানে হেলিকপ্টার নামবে তার কাছেই আমার বাসস্থান। সিকিউরিটির লোকজন আমাদের মহল্লায় বেপক খোঁজ খবর নিচ্ছেন। কলেজ ক্যাম্পাস টাইলসে টাইলসে সজ্জিত হচ্ছে। তিনি কলেজে অবস্থান করবেন মাত্র দেড় ঘন্টা। আসবেন তিনি সকাল ১১ টায়। আমাদের প্রবেশ করতে হবে ভোর সাড়ে ছয়টার আগে। এতক্ষণ বসে কাটাবো কিভাবে? বাপরে আমার ছাত্র! ভুটানের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ডা. লোটে শেরিন। জয় হোক তার।

সংবাদটি শেয়ার করুন:

 


পাঠক কর্নার বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বেশিদিন ওমিপ্রাজল খেলে হাড় ক্ষয়ের ঝুঁকি বাড়ে 

বেশিদিন ওমিপ্রাজল খেলে হাড় ক্ষয়ের ঝুঁকি বাড়ে 

পেপটিক আলসারের ওষুধ আমাদের দেশের মানুষ অনেক বেশি গ্রহণ করে।অনেকেই গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ…

বিজিএমইএ ভবন না ভেঙে সরকারি শিশু হাসপাতাল করে দিন

বিজিএমইএ ভবন না ভেঙে সরকারি শিশু হাসপাতাল করে দিন

ভবনের সামনে একটা দৃশ্যমান বড় বিলবোর্ডে ভবনের ইতিহাস লেখা থাকবে। লেখা থাকবে…

চিকিৎসকদের জন্য বেকারত্ব এক অভিশাপ

চিকিৎসকদের জন্য বেকারত্ব এক অভিশাপ

দেশে যে হারে সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে, সেগুলো…

২০০ টাকার ওষুধ যে যেভাবে ১২০০ টাকা হয়!

২০০ টাকার ওষুধ যে যেভাবে ১২০০ টাকা হয়!

আন্তর্জাতিক বাজারে যখন কোন ওষুধ আসবে বা কোন দামী এন্টিবায়োটিক কোম্পানী বাজারে…

রোজায় জীবনযাত্রা ও খাবারের পরিবর্তন

রোজায় জীবনযাত্রা ও খাবারের পরিবর্তন

রোজা রাখতে ডায়াবেটিক রোগীদের সাধারণত কোনো নিষেধ নাই। তারা রোজা রাখলে খুব…

সূর্যোদয়ের দেশে

সূর্যোদয়ের দেশে

ছোটবেলায় যখন পড়েছিলাম জাপানকে বলা হয় সূর্যোদয়ের দেশ, তখন থেকেই একটি ইচ্ছা…



জনপ্রিয় বিষয় সমূহ:

দুর্যোগ অধ্যাপক সায়েন্টিস্ট রিভিউ সাক্ষাৎকার মানসিক স্বাস্থ্য মেধাবী নিউরন বিএসএমএমইউ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢামেক গবেষণা ফার্মাসিউটিক্যালস স্বাস্থ্য অধিদপ্তর