ঢাকা      শুক্রবার ১৯, জুলাই ২০১৯ - ৪, শ্রাবণ, ১৪২৬ - হিজরী

মেডিভয়েসকে ডা. হোসেন আল আমিন

সরকারি মেডিকেলে চান্স না পাওয়ায় অনেক অপমান সইতে হয়েছে

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) অধিভুক্ত মেডিকেল কলেজের ২০১৮ সালের নভেম্বরের এমবিবিএস ফাইনাল প্রফে একমাত্র অনার্স মার্কসধারী ডা. হোসেন আল আমিন। একাকাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি নানা সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে জড়িত তিনি। বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) দুপুরে মেডিভয়েস মুখোমুখি হয়েছিলেন সদ্য এমবিবিএস পাস করা এ চিকিৎসক। আলাপচারিতায় উঠে এসেছে তার জীবনের বিভিন্ন দিক ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা। জানিয়েছেন অবসরে তিনি মোটিভেশনাল স্পিচ দেন। মানুষকে প্রেরণা দিতে তার খুব ভালো লাগে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন তানভীর সিদ্দিক

মেডিভয়েস: চিকিৎসক হওয়ার অনুপ্রেরণা কার কাছ থেকে পেয়েছেন?

ডা. হোসাইন আল আমিন: ছোটবেলা থেকেই ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন দেখেছি। ছোটবেলা থেকেই আমার বাবার ইচ্ছে ছিল আমাকে চিকিৎসক বানাবেন। আমার বড় বোন গ্রামে চিকিৎসার অভাবে মারা যায়। সেই থেকেই আমার বাবার ইচ্ছা আমাকে ডাক্তার বানাবেন। ডাক্তার হয়ে গ্রামে ফিরে গিয়ে গরিব অসহায় মানুষের সেবা করি। সেই থেকেই আমার ডাক্কার হওয়ার অনুপ্রেরণা। আলহামদুলিল্লাহ সে স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।

মেডিভয়েস: আপনার ভালো রেজাল্টের পেছনে কোন বিষয়টা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল বলে আপনি মনে করেন?

ডা. হোসাইন আল আমিন: ছোটবেলায় ভাল ছাত্র ছিলাম। এসএসসি পরীক্ষায় ২০১১ সালে দিনাজপুর বোর্ডে সেকেন্ড হয়েছিলাম। আবার ইন্টারমিডিয়েটেও ২০১৩ সালে নীলফামারী সরকারি কলেজ থেকেও ভালো রেজাল্ট করি। তখন আমার পরিপূর্ণ বিশ্বাস ছিল, আমি সরকারি মেডিকেলে চান্স পাবো। কিন্তু যে কোন্ কারণেই সরকারি মেডিকেল কলেজে আমার চান্স হয়নি। সরকারি মেডিকেলে চান্স না পাওয়ায় আশপাশের অনেক মানুষের অপমান শুনতে হয়েছে।

কিন্তু আব্বু আম্মুর অনেক সাপোর্ট আমাকে নতুন করে কিছু করার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন। আমার জন্য জমি বিক্রি করতে হয়েছে। তবে স্যার, ম্যাডামদের অকুণ্ঠ ভালবাসা আর নিজের বন্ধুদের সাহস আমাকে নতুন করে ভাবাতে শুরু করে। আর আমিও আমার সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করেছি। এই পর্যন্ত আমি কোন পরীক্ষায় ফেল করিনি। সেক্ষেত্রে আমার মনে হয়েছে যে প্রতিদিনের কাজ প্রতিদিন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

আমি যখন কাউকে আমার মেডিকেলের নাম বলি, তারা চিনতে পারে না। বলে ম্যাটসে পড়ো নাকি?- এই টাইপের কথা শুনতে শুনতে আমি ক্লান্ত হয়ে গেছি। সে থেকেই আমি চেষ্টা করেছি যে আমি আমার সর্বোচ্চ দিয়ে ট্রাই করবো। এক্ষেত্রে শিক্ষকরাও আমাকে অনেক সাহায্য করেছেন। ফেইলর থেকে ধীরে ধীরে সাফল্য পেতে শুরু করি। আলহামদুলিল্লাহ চান্স না পাওয়ার দায় কিছুটা মোচন হলো। 

মেডিভয়েস: স্কুল বন্ধুদের মধ্যে কে কোথায় আছে, কী পড়ছেন?

ডা. হোসাইন আল আমিন: আমার কাছের ৩ জন বন্ধু আছে।  এর মধ্যে অন্তিক জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটিতে ফাইনাল ইয়ারে পড়ছে।আরেকজন হচ্ছে জীবন, সে জগন্নাথ ইউনিভার্সিটিতে পড়ে। আরেকজন নিলয়।  ও বিজনেস ফ্যাকাল্টি থেকে পাস করেছে। তারা আমার খুবই কাছের ফ্রেন্ড।আর আমার ডুপ্লিকে। 

মেডিভয়েস: পড়ালেখা বাদেও আপনি বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে শুনেছি, এ নিয়ে বিস্তারিত জানতে চাই। 

ডা. হোসাইন আল আমিন: আমি ২০০৯-২০১১ সালে NCTF নীলফামারীর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। ইউনিসেফ, ইউনেস্কো, প্ল্যান, ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন ও সেভ দ্য চিলড্রেনের বিভিন্ন সংগঠনের সাথে যুক্ত ছিলাম। শিশু সাংবাদিক হিসেবেও কাজ করেছি। এছাড়াও ন্যাশনাল চাইল্ড পার্লামেন্টের উপদেষ্টা হিসাবে কাজ করেছি।
২০১২ সালে প্রথম বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম ন্যাশনাল ইয়ুথ পার্লামেন্টের স্পিকার ছিলাম। এছাড়াও নীলফামারী ডিবেট ফেডারেশনের সহসভাপতি হিসাবেও দায়িত্ব পালন করছি।
এছাড়াও বিভাগীয় ও জাতীয় লেভেলে এ ডিবেট, পাবলিক স্পিচ ও অভিনয়ে আমার পুরস্কার আছে। ক্রীড়া পর্যায়ে ২০১০ সালে বিভাগীয় পর্যায়ে বেস্ট হ্যান্ডবল গোলকিপার হয়েছিলাম।
২০১২ সালে নীসক-এ বেস্ট কলেজ স্টুডেন্ট অ্যাওয়ার্ড পেয়েছিলাম। পরপর ৪ বার আমার মেডিকেলে বেস্ট স্টুডেন্ট অ্যাওয়ার্ড পেয়েছি।বর্তমানে কাজ করছি-Friendship Bangladesh SIMS, SOMA তে (মডারেটর হিসাবে) কাজ করছি।

মেডিভয়েস: মেডিকেলে পড়ুয়াদের অনেকেই নানা হতাশায় ভুগেন, এ বিষয়টা আপনি কিভাবে দেখেন। তাদের প্রতি আপনার পরামর্শ কী?

ডা. হোসাইন আল আমিন: আমার কাছে মনে হয়েছে যে, প্রতিযোগিতাটা হওয়া উচিত নিজের সাথে। আমি যদি মনে করি আইটেমে দশের মধ্যে ছয় পেয়েছি। আরেকজন আট পেয়েছে। আমি কিন্তু একদিনের মধ্যেই আট পেতে পারবো না। আমাকে ছয় পেতে হবে, তারপর সাড়ে ছয়, তারপর সাত, তারপর আট পাবো। এভাবে প্রতিযোগিতাটা যদি নিজের সাথে নিজের তুলনা করা যায়, তাহলে ভাল করা সম্ভব। ধরেন, প্রতিদিনের পড়াশুনার টাইমটা যদি বাড়িয়ে নেওয়া যায়, যেমন আমি আজকে দিনে দুই ঘণ্টা পড়লাম, পরেরদিন আমি দুই ঘণ্টা ত্রিশ মিনিট পড়লাম, তার পরের দিন আরেকটু বাড়ালাম। এভাবে নিজের সাথে নিজের প্রতিযোগিতাটা করা যায়, তাহলেই ভাল করা সম্ভব। ভাল ফলাফলের জন্য প্রতিটা দিন ‘দ্য বেস্ট’ হওয়া জরুরি। সব পড়া পরীক্ষার আগের জন্য রাখা যাবে না।মনে রাখা উচিত " Success Has no shortcut'.

এমবিবিএস শিক্ষার্থীদের প্রতি আমার অনুরোধ, কখনই inferiorcomplexity তে ভুগবেন না। কোনো হতাশা নয়। আপনি যেখানেই পড়েন সেখানকার best হওয়ার চেষ্টা করুন। খারাপ সময় আসতেই পারে। But time is the best healer এবং Silence is the best revenge!

আমাদের সবাইকে নিজের এবিলিটি সম্পর্কে ধারনা রাখা খুব বেশি জরুরি। আমার কাছে মনে হয় যে, আমি তো বড় একটা মেডিকেল কলেজের সাথে পাল্লা দিতে পারবো না। আমি প্রাইম মেডিকেল কলেজে পড়ি, I have to think about my medical college. আমাকে যা কিছিু করার এর মধ্যেই বেস্ট করতে হবে। আমার একটা সহজ সূত্র আছে, বিশাল বনের মধ্যে অসংখ্য সিংহের মধ্যে শেয়ালি হওয়ার চেয়ে নিচের ছোট বনের মধ্যে সিংহ হয়ে থাকা অনেক ভাল।

সুতরাং আমাদের মনে হয় যে, আমাদের খুব বেশি হতাশ হওয়া উচিত না। যদি খুব বেশি সমস্যায় ভোগেন, তাহলে সিগারেট মাদকের দিকে না ঝুঁকে দুই রাকাত নফল নামাজ পড়েন। সবচেয়ে বড় কথা হলো, আমাদের মতো অনেক অনেক মানুষ আছে যারা মেডিকেলেই পড়তে পারেনি। আমরা তো পড়তে পারছি। অনেক স্টুডেন্টস আছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে। কিন্তু টাকার অভাবে মেডিকেলে পড়তে পারে না, সেই দিকগুলো চিন্তা করে ইন্সপাইরেশনটা নিজের কাছ থেকে নেয়া উচিত।

মেডিভয়েস: চিকিৎসা বিজ্ঞানের কোন বিষয়টা পড়তে আপনার সবচেয়ে মজা বা আনন্দ লাগে?

ডা. হোসাইন আল আমিন: আমার কাছে মনে হয়েছে যে, যেহেতু আমাদের ডিপার্টমেন্টাই মেডিসিন, সেহেতু মেডিসিনটাকে মনে হয় ক্যালকুলেশনের মতো। আমার কাছে মেডিসিন, ফিজিওলজি, মাইক্রোবায়োলজি—এই বিষয়গুলোর প্রতি এসিডিটিটা বেশি ছিল। আমার কাছে মনে হয় কিছু একটা জিনিস নতুন নতুন আসবে, আসার সাথে সাথে মনে হয় যে, পড়বো মুখস্ত করবো, ছেড়ে দিব—এর চেয়ে বেশি কিছু না। আমি সবসময় স্বকীয়তায় বিশ্বাস করি।

মেডিভয়েস:কোন বিষয়টা তুলনামূলক কঠিন বলে মনে হয়?

ডা. হোসাইন আল আমিন: আমার আসলে ইচ্ছা ছিল কার্ডিওলজিক্যাল সার্জারিতে যাওয়ার। কিন্তু তারপরও এনাটমিটাতে একটু ভয় পাই।

মেডিভয়েস: ভবিষ্যতে কী হতে চান? কোন বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি নেয়ার স্বপ্ন দেখেন। কেন?

ডা. হোসাইন আল আমিন: কার্ডিওভাসকুলার সার্জারিতে ক্যারিয়ার গড়তে আমার অনেক ইচ্ছা। যদিও আমি মেডিসিনে অনার্স পেয়েছি, আমার কাছে মনে হয় যে, ভাল কার্ডিওভাসকুলার/ কার্ডিওলজিস্ট যেটাই হই না কেন, মেডিসিন স্পেশালিস্ট হওয়াটা বেশি জরুরি।

দেশের বাইরে থেকে কার্ডিওভাসকুলার সার্জারিতে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের ইচ্ছা আছে।তবে পড়াশোনা শেষে দেশেই ফিরতে চাই।নিজ গ্রামে নিজ মানুষদের নিয়ে কাজ করতে চাই। কোনো গরিব মানুষ যাতে চিকিৎসার অভাবে মারা না যায়।

মেডিভয়েস: ডাক্তার না হলে কী হতেন?

ডা. হোসাইন আল আমিন: ছোটবেলা থেকেই ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন দেখেছি। আর যদি ডাক্তার না হতাম তাহলে হয়তো ল'ইয়ার হতাম! আমি দেখতাম যে ল'ইয়ার আর ডাক্তারের মধ্যে সবচেয়ে বড় মিলটা হচ্ছে যে, দুটাতেই অনেক নলেজ গেইন করা যায়। তো আমি ডাক্তার না হলে আইনজীবী আর তাও না হলে বাবার মত শিক্ষক হতাম। আমার ফ্যামিলির অধিকাংশ মানুষই শিক্ষক।

মেডিভয়েস: বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থাকে আপনি কোন পর্যায়ে দেখতে চান?

ডা. হোসাইন আল আমিন: আমি চাই আমাদের ডাক্তাররা রোল মডেল হোন। আমাদের কোনো রোগী যাতে বিদেশমুখী আর না হোন। এমন হেলথ সার্ভিস দরকার যে, বিদেশের রোগীরা আমাদের কাছে ট্রিটমেন্ট নিতে আসবেন। আর আমরা গ্রাম লেভেলেও উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা যেদিন সম্ভব হবে সেদিনই আমাদের চূড়ান্ত সফলতা অর্জন হবে। 

ডা. হোসাইন আল আমিনের যা  কিছু প্রিয়
  প্রিয় লেখক  জাফর ইকবাল
  প্রিয় বই  আল কোরআন
  প্রিয় মানুষ  আমার বাবা
  প্রিয় ব্যক্তিত্ব  হযরত মুহাম্মদ সা:
  প্রিয় গান  আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালবাসি
  প্রিয় শিল্পী  নোবেল
  প্রিয় খাবার  আম্মুর হাতের সাদা ভাত, মগজ ভুনা, বেগুন ভাজি
  প্রিয় শিক্ষক  আমার বাবা
  প্রিয় খেলা  ক্রিকেট
  প্রিয় খেলোয়াড়  শচীন টেন্ডুলকার

সংবাদটি শেয়ার করুন:

 


জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

ডাক্তারি সনদ ছাড়াই মা ও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ!

ডাক্তারি সনদ ছাড়াই মা ও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ!

মেডিভয়েস রিপোর্ট: লক্ষ্মীপুরে এমবিবিএস সনদ ছাড়াই নিজেকে ডাক্তার এবং মা ও শিশুরোগ…

টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নিহত

টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নিহত

মেডিভয়েস রিপোর্ট: টাঙ্গাইলে সখীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আলাউদ্দিন আল…

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে রোগী ভর্তিতে হাসপাতালগুলোয় রেকর্ড

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে রোগী ভর্তিতে হাসপাতালগুলোয় রেকর্ড

মেডিভয়েস রিপোর্ট: ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে দেশের সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হয়েছেন রেকর্ড…

অধ্যাপক ডা. পারভেজ ইফতেখার আহমেদ আর নেই

অধ্যাপক ডা. পারভেজ ইফতেখার আহমেদ আর নেই

মেডিভয়েস রিপোর্ট: ঢাকা মেডিকেল কলেজের নেফ্রোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. পারভেজ ইফতেখার…

কমিউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

কমিউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

মেডিভয়েস রিপোর্ট: দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণে কমিউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রম আরও…

“আগস্টে আরও একটি লিভার ট্রান্সপ্লান্ট”

“আগস্টে আরও একটি লিভার ট্রান্সপ্লান্ট”

মেডিভয়েস রিপোর্ট: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) হেপাটোবিলিয়ারি ও প্যানক্রিয়েটিক ও…

আরো সংবাদ














জনপ্রিয় বিষয় সমূহ:

দুর্যোগ অধ্যাপক সায়েন্টিস্ট রিভিউ সাক্ষাৎকার মানসিক স্বাস্থ্য মেধাবী নিউরন বিএসএমএমইউ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢামেক গবেষণা ফার্মাসিউটিক্যালস স্বাস্থ্য অধিদপ্তর