ঢাকা      শুক্রবার ২৩, অগাস্ট ২০১৯ - ৮, ভাদ্র, ১৪২৬ - হিজরী



ডা. মুহাম্মাদ সাঈদ এনাম ওয়ালিদ

চিকিৎসক, মনোরোগ বিশেষজ্ঞ কলামিস্ট, জনস্বাস্থ্য গবেষক।


সংসার ভাঙার কারণ ও করণীয়

'পারলে ঠেকাও' চিরকুট লিখে প্রতিদিন কেউনা কেউ উধাও হচ্ছেন। আজ দেখলাম পত্রিকার পাতায় ভাতিজার হাত ধরে চাচী উধাও। গতকাল দেখলাম মামীকে ভাগ্নে নিয়ে উধাও। তার আগেরদিন দেখেছিলাম ছাত্রকে নিয়ে শিক্ষিকা উধাও। 

শালিকে নিয়ে দুলাভাই বা দুলাভাইকে নিয়ে শালি উধাও কিংবা ছাত্রীকে নিয়ে শিক্ষকের উধাও হবার ব্যাপারটা রীতিমতো ডালভাত। অনেক সময় প্রেমে মজে জামাই শাশুড়ি হাত ধরাধরি করে চম্পট দেয়ার খবরেও চোখ আটকে যায়। এসব উধাও হওয়া নিয়ে এখন উদ্বিগ্ন সবাই। 

লেখাটি যখন লিখছি তখনও এক অনলাইনে দেখলাম হৃদয়বিদারক এক খবর, একজন মহিলা পুলিশ কর্মকর্তার আত্মহত্যা। আরেকটি অনলাইনে নিজের ব্যক্তিগত গাড়িচালককে মেরে কেটে টুকরো টুকরো করলেন এক চিকিৎসক, তার কারনও সেই একই। কোন ভাবে ঠেকানো যাচ্ছে না সম্পর্কের টানাপোড়নে পড়ে এমন বিয়োগাত্মক ঘটনা। সবার মনে ভয় আর ফিসফিস, কে কবে কখন উধাও হয়!! 

উধাও হবার প্রধান কারণ পরকিয়া বা বিবাহ বহির্ভুত ভালোবাসা বা সম্পর্ক। পরকীয়া শুনতে কিছুটা শ্রুতিকটু শোনায় তাই অনেকে একে একটু ভদ্র ভাষায় বলেন 'বিবাহ বহির্ভুত' সম্পর্ক। ধর্মীয় আইনের পরিভাষায় অনেকে একে 'ব্যভিচার' বলে, ইংরেজীতে এডাল্টারী। তবে যে নামেই ডাকিনা কেনো বিবাহিত অবিবাহিতদের অবৈধভাবে এ উধাও হয়ে যাওয়া আমাদের পরিবার, সমাজ বা রাস্ট্রের জন্যে মোটেই কাম্য নয়। তারপরও মানুষ একে অপরের হাত ধরে অবৈধ ভাবে শহরে, বন্দরে, গ্রামে, গঞ্জে, বন, জংগলে,হোটেলে উধাও হচ্ছে। 

এ উধাও হওয়াটা হঠাৎ এতো বেড়ে গেলো কেনো? এটা এখন সবার কাছে মিলিয়ন ডলারের প্রশ্ন। টক অব দা টাউন। অনেকের মতে যা প্রকাশ হচ্ছে তার চেয়ে ঢের বেশি অপ্রকাশিত, টিপ অব আইসবার্গ যাকে বলে।

সাইকিয়াট্রিস্ট,  মনোবিজ্ঞানী, সমাজবিজ্ঞানী সবাই সমাজে, পরিবারে ঘটে যাওয়া এই দুঃখজনক ঘটনার কারণ খোঁজার চেষ্টা করেছেন। জানলে অনেকে অবাক হবেন যে, আমরা সাইকিয়াট্রিস্ট বা সাইকোলজিস্ট যারা মনোরোগের চিকিৎসা করি তাদেরকেও অনেক সময় সম্পর্কের এমন টানাপোড়েন নিয়ে কাজ করতে হয় দম্পতিদের সাথে, ভুক্তভোগীদের সমাধানের পথ বাতলে দিতে। এবং অনেকেই এ থেকে সফলতা পাচ্ছেন।

ঘটনাক্রমে বিবাহ বহির্ভুত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছেন কিন্তু এখন তিনি তা থেকে মুক্তি পেতে চান, তিনি অতীতের সম্পর্ক নিয়ে এখন তীব্র অপরাধবোধে ভুগছেন, তার এংজাইটি হচ্ছে, কাজে কর্মে মন বসছেনা, নিরবে ডুকরে কেঁদে মরছেন, জীবনের তার প্রতি ঘৃনা চলে আসছে। কেনো এমন কাজে তিনি নিজেকে জড়ালেন? আত্মহত্যার চেষ্টাও করেছেন। কিন্তু সন্তানের দিকে চেয়ে পারেননি। তাই তিনি এ পথ থেকে ফিরতে চান। তার পরামর্শ দরকার। 

ভুক্তভোগী এ ধরনের রোগীরা যে সমাজের একেবারে নীচ পরিবারের তা কিন্তু নয়। পত্রিকার পাতায় চোখ বুলালে অনেক শিক্ষিত এবং নামীদামী পরিবারেও সদস্যের মধ্যে দেখা যাচ্ছে এসবে। তবে নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে যারা সাইকিয়াট্রিস্ট বা সাইকোলজিস্ট এর কাছে চিকিৎসার বা কাউনসেলিংয়ের জন্য আসেন, তারা সাধারণত শিক্ষিত, উঁচু সমাজের।

কেন এবং কারা জড়াচ্ছেন এসবে?

গবেষণায় দেখা গেছে, পরকিয়া সম্পর্কটা সাধারণত বেশ একটা স্থায়ী হয়না। সাধারণত ১ থেকে ৫ বছর পর্যন্ত। কারো ক্ষেত্রে কম বা বেশি। আর এ সম্পর্কে ভালোবাসার অস্তিত্বও তেমন একটা খুঁজে পাওয়া যায়না। কারণ, ভালোবাসা পবিত্র একটা ঘটনা। অপবিত্রতা, কাউকে বঞ্চিত করা, ঠকানো, ছলনার আশ্রয় এখানে মোটেও কাম্য নয়। 

একেকটা এক্সট্রামেরিটাল রিলেশনসিপের একেকটা কারণ থাকে। তবে মোটাদাগে কারণগুলোকে পারিবারিক, সামাজিক, দৈহিক, মানসিক এই কয়েক ভাগে ভাগ করা যায়। আসুন এ বিষয়ে বিভিন্ন গবেষণার প্রাপ্ত তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে নিষিদ্ধ, বিবাহ বহির্ভুত, অবৈধ, অতি স্পর্শকাতর এই গোপন সম্পর্ক কেনো ইদানিং খুব বেশি দেখা যায়, তা নিয়ে কিছু জানার চেষ্টা করি। হয়তো অনেকেই উপকৃত হবেন এ থেকে মুক্তি পেতে।

১. দৈহিক মেলামেশায় অতৃপ্তি: বিবাহ বহির্ভুত পরকীয়া সম্পর্কে লিপ্ত বেশ কিছু নারী পুরুষদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এর প্রধান কারণ শারীরিক মেলামেশায় অতৃপ্ততা। এবং এ অতৃপ্ততা বিষয়ক স্পর্শকাতর প্রশ্নে শতকরা ত্রিশ ভাগ স্ত্রী তাদের স্বামীর সাথে মিথ্যে উত্তর দিয়ে থাকেন। 

যদিও তারা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে এক সাথে থেকে অনেক সামাজিকতা সুন্দর ভাবেই রক্ষা করে চলেন,  কিন্তু এ ঘনিষ্ঠ মেলামেশায় তাদের সমস্যা রয়েছে, এটা তারা কাউকেই শেয়ার করেন না। এ ব্যাপারে কারো স্বামীর রয়েছে দূর্বলতা, কারোর বা স্ত্রী'র। এই দুর্বলতার জন্যে চিকিৎসার শরনাপন্ন না হয়ে কেনো এমন অবৈধ কর্মে লিপ্ত  হয়েছেন এ প্রশ্নে দু ধরনের উত্তর পাওয়া যায়। কেউ বলেন দুরারোগ্য কেউবা বলেন চিকিৎসায় নিষ্ফল। আর এ নিয়ে ডিভোর্স বা দ্বিতীয় বিয়ে না নেবার কারন হিসেবে তারা সামাজিক লোক লজ্জার ভয়ের কথা বলেন।   

২. অধিক চাহিদা বা ইনক্রিসড লিবিডো: অনেকে এ নিষিদ্ধ সম্পর্কে জড়ানোর কারণ হিসেবে বলেন, তার চাহিদা প্রচুর। সঙ্গী বা সঙ্গীনী সে চাহিদা পুরনে ব্যার্থ, তাই তিনি এ পথে পা বাড়িয়েছেন। 

৩. পারস্পরিক শ্রদ্ধা ভালোবাসার অভাব: এক সাথে দীর্ঘদিন থাকছেন কিন্তু তাদের মধ্যে আবেগময় কোন সম্পর্ক নেই। শুরু থেকেই তারা রোবটের মতো জীবন যাপন করছেন। এ থেকে পরিত্রাণ পেতে, রোমান্টিক সম্পর্ক স্থাপনে অনেকেই অজান্তেই পরকীয়ায় জড়ান। 

৪. প্রতিশোধ পরায়ন: স্বামী বা স্ত্রী দুজনের কেউ অতিতে বিবাহ বহির্ভুত সম্পর্কে লিপ্ত থেকেছেন বিষয় টি জানাজানি হবার পর প্রতিশোধ নিতে অনেকে অবৈধ সম্পর্কে জড়ান।

৫. অভাব অনটন: আর্থিক লোভ লালসায় পড়ে অনেকে পরকীয়ায় লিপ্ত হন। কেউ কেউ চাকুরী ক্ষেত্রে অবৈধ সুবিধা আদায়ে পরকীয়ায় লিপ্ত হন বা হতে বাধ্য হন, বাধ্য করেন।

৬. নিষিদ্ধের প্রতি দূনির্বার আকর্ষণ: নিষিদ্ধের প্রতি আকর্ষণ শয়তানের কু-মন্ত্রনা। অনেকে এ কুমন্ত্রনায় গা ভাসিয়ে এরকম অবৈধ সম্পর্কে নিজেকে জড়ান। আবার অনেকে বিবাহ বহির্ভুত সম্পর্ককে ফ্যাশন বা স্মার্টনেস ভাবেন। ফলে এই ভয়ংকর পথে নিজেকে জড়িয়ে ফেলেন।

৭. অল্প বয়সে বিয়ে: অনেক সময় অল্প বয়সে যেমন বয়স ২০ বছর এর ভিতর বিয়ে করলে দেখা যায়, পঁয়ত্রিশ  বা চল্লিশেরকোটায় এসে 'যাপিত জীবন' তাদের কাছে এক ঘুঁয়েমী মনে হয়। ফলে অবৈধ সম্পর্কে তাদের মন প্রশান্তি আবিষ্কার করে। চাপে পড়ে বিয়ে, অমতে বিয়ে, অসম বয়সী বিয়ে, বিশেষ উদ্দেশ্যে হাসিলে বিয়ে, বিয়ের পর মানসিক চাপ ও নির্যাতনেও অনেকে পরকীয়ায় লিপ্ত হন।  

৮. সঙ্গী বা সঙ্গীনীর মৃত্যু: স্বামী বা স্ত্রী'র মৃত্যুর পর অনেকে দৈহিক চাহিদা মেটাতে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। এক্ষেত্রে পূনঃবিবাহ শুধুমাত্র লাজ লজ্জার ভয়ে এড়িয়ে যান।

৯. দাম্পত্য জীবনে কোয়ালিটি টাইমে'র অভাব: স্বামী বা স্ত্রী চাকুরী ব্যবসা নিয়ে দিন রাত ব্যস্ত। ব্যস্ততায় তার নিজের চাহিদা হয়তো ভুলে যান কিন্তু সঙ্গী বা সঙ্গীনীর চাহিদাকে অজান্তে অবজ্ঞা করেন। এমন কি তাদের মধ্যে কোয়ালিটি টাইম যেমন বেড়ানো, গল্প করা ইত্যাদির সুযোগ হয়না। ফলে মানসিক প্রশান্তি খুঁজতে অজান্তে অনেকে অবৈধ সম্পর্কে জড়ান। যা প্রথমে ভালোবাসা পরে দৈহিক মেলামেশায় পরিণত হয়। 

১০. সন্তান জন্মদান: অনেক সময় সন্তান জন্মদানের পর স্ত্রী হয়তো সন্তান কে নিয়েই বেশি সময় ব্যয় করেন, স্বামীর চাহিদা কে খাটো করে দেখেন আবার অনেক স্বামী আছেন সন্তান আসায় স্ত্রী'র প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। আবার উল্টো টাও হয়। স্বামীর সন্তানের প্রতি অধিক মনযোগী হওয়ায় অনেক স্ত্রী পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন।

১১. ওয়ানস এ চিটার ইজ অলওয়েজ এ চিটার: কথাটি অবশ্য বিতর্কিত। তারপর ও দেখা গিয়েছে যিনি একবার প্রতারণার আশ্রয় নেন তিনি বার বার সে পথেই পা বাড়ান। অনেক সময় এ অনাচার অনেকে পরিবার থেকেও শিখেন। পরকীয়ায় লিপ্ত ছেলে মেয়েদের পরিবারের অন্য সদস্যদের ক্ষেত্রেও এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা দেখা যায়।

১২. মানসিক রোগ: বিবাহ বহির্ভুত অবৈধ সম্পর্কে লিপ্ত হওয়া বা কাউকে বাধ্য করা এক ধরনের মানসিক রোগের লক্ষন।  একে এন্টি সোশ্যাল পারসোনালিটি ডিসওয়ার্ডের বলে। এর চিকিৎসা ও রয়েছে। মেডিসিন ও সাইকোথেরাপির মাধ্যমে এ রোগ নিয়ন্ত্রনে হয়।

কিভাবে বুঝবেন প্রিয়জন বিবাহ বহির্ভুত সম্পর্কে আসক্ত? 

কারো সাথে কারো টুকটাক কথা বলা, এস এম এস বা মেইল আদান প্রদান করা বা প্রয়োজনীয় কোন বিষয় বা  সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা মানেই যে তাদের মাঝে রহস্যময় কিছু একটা হয়ে 'কেয়ামত সে কেয়ামত' গেছে এমনটি ভাবার কোন কারন নেই। অযথা সন্দেহ করাটাও কিন্তু একটা তীব্র মানসিক রোগ। এ রোগের নাম 'ওথেলো সিনড্রম' যা অনেকের মধ্যে দেখা যায়। অনেকে  প্রিয়োজনের এই 'ওথেলো সিনড্রম'  স্ট্রাগল মেনে নিয়ে খুব কষ্টে দাম্পত্য জীবন চালিয়ে নিচ্ছেন। আবার অনেকের ক্ষেত্রে হিতে বিপরীত।

কিভাবে বুঝবেন?

তবে পরকীয়া বা এক্সট্রামেরিটাল রিলেশন এর কিছু লক্ষন আছে যা দেখলে সহজেই বুঝা যায়, সামথিং রং। যেমন কোন প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে যাওয়া, হাইড করা, লুকানো, গোজামিল দেয়া। লুকিয়ে ফোন, ল্যাপটপ ব্যবহার করা বা কথাবার্তা বলা, চিঠি আদান প্রদান, লাইফ স্টাইলে আচমকা চেঞ্জ দেখা দেয়া যেমন অসময়ে ঘরে ফেরা, ঘর থেকে বের হওয়া বা হঠাৎ কোন আবেগ বা চাহিদায় অস্বাভাবিক পরিবর্তন। এছাড়া অপরিচিত ফোন কলে দীর্ঘ সময় লুকিয়ে লুকিয়ে কথাবার্তা বলা, কল লিস্ট, এস এম এস লিস্ট ডিলিট কিরা, সেইফটি পাসওয়ার্ড দিয়ে রাখা, একটা ডিফেন্সিভ মনোভাব নিয়ে চলা এবং চেহারা অবয়বে অপরাধী ভাব এবং অযথা কোন কিছুর কার্যকারণ ব্যাখ্যা করা।

প্রিয় মানুষ বিবাহ বহির্ভুত সম্পর্কে লিপ্ত হলে করনীয়:

যে কোন সমস্যা নিয়ে খোলা মনে আলোচনা করাই হলো যে কোন সম্পর্কের ভালোবাসার মুল ভিত্তি। পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও অধিকারের প্রতি সম্মান রাখা অবশ্যকর্তব্য। সব সম্পর্কের একটা নির্দিষ্ট সীমারেখা আছে। সে ব্যাপারে সচেষ্ট থাকা।

আগেই বলেছি পরকীয়া বা ব্যভিচার এর সম্পর্ক গুলো সাধারণত ১ থেকে ৫ বছর এর বেশি স্থায়ী হয় না, এবং এগুলোর পরিণতি বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ডিভোর্স, হত্যা, আত্মহত্যা ইত্যাদিতে ভুক্তভোগী কে প্ররোচিত করে।

উপসংহার:

পরকীয়া বা ব্যভিচার ইসলাম ধর্মে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে এবং উভয় পক্ষের স্বার্থ বিবেচনায় এর জন্যে কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। অবিবাহিতরা ব্যভিচারে লিপ্ত হলে এক রকম শাস্তি (১০০ বেত্রাঘাত)  এবং বিবাহিতরা ব্যভিচারে আরেক রকমের শাস্তির (মৃত্যুদণ্ড)  বিধান আছে। তাছাড়া ইসলামে স্বামীর যেমন স্ত্রীর প্রতি  পূর্ন হকের কথা বলা হয়েছে তেমন স্ত্রীর ও তার স্বামীর প্রতি পূর্ণ হক বা অধিকারের কথা বলা হয়েছে। অধিকারে কেউ কারো কম নয়, বরং ক্ষেত্র বিশেষে ইসলাম সহ অন্যান্য সকল ধর্মে স্ত্রী'দের অধিকার বেশি রাখা হয়েছে। 

কেউ যাতে শারিরীক বা মানসিক ভাবে বঞ্চিত বা নির্যাতিত হতে না পারে সেজন্যে উভয় পক্ষকেই শান্তিপূর্ণ জীবন যাপন বেছে নিতে  তালাক বা সেপারেশনের বিধান রয়েছে ইসলামে। ইসলাম শান্তির ধর্ম তাই ব্যভিচার, অনাচার ইত্যাদি থেকে বিরত থেকে বরং  তালাক কেই সর্বশেষ পথ হিসেবে বেছে নেবার কথা বলা হয়েছে। 

মুসলমানদের মধ্যে সঠিক ইসলাম চর্চা বা জ্ঞান নেই বলে তাদের মধ্যে ক্ষেত্র বিশেষে বহু বিবাহের পরিবর্তে অবৈধ বহুগামিতা বা ব্যভিচারে সন্তর্পণে লিপ্ত হতে দেখা যায় বা মেনে নিতে দেখা যায়। শুধু ইসলাম ধর্ম নয়, প্রতিটি ধর্মেই এ সম্পর্ক কে নিন্দিত করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন:

 


পাঠক কর্নার বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

ভিআইপি রোগী

ভিআইপি রোগী

এমবিবিএস পাস করে কেবল ১৯৮৫ সনের নভেম্বর মাসে ইন-সার্ভিস ট্রেইনিং শুরু করেছি।…

স্বাস্থ্যখাতে নৈরাজ্য সৃষ্টির পাঁয়তারা ‘অশনিসংকেত’

স্বাস্থ্যখাতে নৈরাজ্য সৃষ্টির পাঁয়তারা ‘অশনিসংকেত’

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের সৈন্যের সংখ্যা বিশ্বে তৃতীয়! অথচ জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ কোনো…

গর্ভবতী মায়ের সন্তানের ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কতটুকু, করণীয় কী?

গর্ভবতী মায়ের সন্তানের ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কতটুকু, করণীয় কী?

ডেঙ্গু বিষয়ক নানা প্রশ্নের একটি হচ্ছে, গর্ভবতী মায়ের ডেঙ্গু হলে সন্তানেরও তা…























জনপ্রিয় বিষয় সমূহ:

দুর্যোগ অধ্যাপক সায়েন্টিস্ট রিভিউ সাক্ষাৎকার মানসিক স্বাস্থ্য মেধাবী নিউরন বিএসএমএমইউ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢামেক গবেষণা ফার্মাসিউটিক্যালস স্বাস্থ্য অধিদপ্তর