ঢাকা      রবিবার ২৫, অগাস্ট ২০১৯ - ১০, ভাদ্র, ১৪২৬ - হিজরী

সচিবালয়কে সম্পূর্ণরূপে ধূমপানমুক্ত করার নির্দেশ

মেডিভয়েস রিপোর্ট: সচিবালয়কে সম্পূর্ণরূপে ধূমপানমুক্ত করতে বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপন। এজন্য সচিবালয়ের অভ্যন্তরে ধূমপান ও তামাকজাত পণ্য বিক্রয় বন্ধের উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন তিনি।

বুধবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত ‘তামাকের ওপর আরোপিত সারচার্জ ব্যবস্থাপনা’ সংক্রান্ত কমিটির প্রথম সভায় সভাপতিত্বকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এই নির্দেশ দেন। সভায় অন্যদের মাঝে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডাঃ মুরাদ হাসানসহ স্বাস্থ্য, অর্থ, জনপ্রশাসন, স্বরাষ্ট্র, শিক্ষা, কৃষি, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, স্বাস্থ্য অধিদফতর ও জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের উর্ধতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

তামাক ব্যবহার ও ধূমপান ত্যাগ করার লক্ষ্যে তথ্য বাতায়ন ‘কুইট লাইন’ দ্রুত চালু করারও নির্দেশ দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

স্বেচ্ছায় ধূমপান বা তামাক ত্যাগকে উৎসাহিত করতে প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদানের জন্য এই ‘কুইট লাইন’ ভূমিকা রাখবে বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

দেশে ধূমপান ও তামাককে নিরুৎসাহিত করতে সমন্বিতভাবে চাহিদা এবং সরবরাহ কমানোর উদ্যোগ নিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে যৌথভাবে পদক্ষেপ নিতেও নির্দেশ দেন তিনি।

সভায় জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অভিপ্রায় অনুযায়ী ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার রোডম্যাপ এবং ২০১৯ সাল থেকে ২০২৩ সাল মেয়াদী কর্মপরিকল্পনার খসড়া ইতিমধ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রণয়ন করেছে।

যে কারণে ধূমপানমুক্ত বাংলাদেশ চান স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, তামাক ও ধূমপান অনেক অসংক্রামক রোগের অন্যতম কারণ। হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, ক্যান্সার, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনিজনিত রোগসহ নানাবিধ রোগ তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহারের কারণে জটিল রূপ নেয়। সরকার অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে যেসব কর্মসূচি প্রণয়ন করেছে সেগুলোকে সফল করতে হলে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার কমানোর ওপর জোরদার পদক্ষেপ নিতে হবে। এক্ষেত্রে তিনি ধূমপান ও তামাকবিরোধী প্রচার কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তামাকের ওপর আরোপিত সারচার্জ থেকে কিছু অংশ তামাকজনিত রোগে আক্রান্ত দুস্থ ও গরিব রোগীদের চিকিৎসা এবং পুনর্বাসনে ব্যয় করা যায় কিনা তা সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করে কার্যকরী উপায় বের করার জন্য কমিটির সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইনের বাস্তবায়নে স্টেকহোল্ডারদের প্রশিক্ষণ ও কর্মশালায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করতে হবে। এই আইনের কঠোর প্রয়োগে সকলের সম্মিলিত প্রয়াস জরুরি।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিরুৎসাহিত করতে হলে এগুলোর ওপর উচ্চ কর ধার্য করতে হবে। পাশাপাশি গণমাধ্যমে তামাকের ক্ষতিকর দিকসমূহ প্রচার কার্যক্রম বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান।

সংবাদটি শেয়ার করুন:

 


জাতীয় বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

কুষ্টিয়ায় নার্সের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার 

কুষ্টিয়ায় নার্সের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার 

মেডিভয়েস রিপোর্ট: নিখোঁজের তিন দিন পর কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে বিলকিস আক্তার (৪০) নামে…

ভারতে চিকিৎসা নিতে গিয়ে ফিরেছেন লাশ হয়ে

ভারতে চিকিৎসা নিতে গিয়ে ফিরেছেন লাশ হয়ে

মেডিভয়েস ডেস্ক: ভারতের কলকাতায় চিকিৎসা নিতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরতে হলো মইনুল…

ঢাকা মেডিকেলে নারী চিকিৎসককে লাঞ্ছিতের মামলায় যুবক গ্রেপ্তার 

ঢাকা মেডিকেলে নারী চিকিৎসককে লাঞ্ছিতের মামলায় যুবক গ্রেপ্তার 

মেডিভয়েস রিপোর্ট: ডেটল পয়জনিংয়ের রোগীকে আউটডোর বেসিসে চিকিৎসা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায়…

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও এক চিকিৎসকের মৃত্যু

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও এক চিকিৎসকের মৃত্যু

মেডিভয়েস রিপোর্ট: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে নিজ দেশে বেড়াতে এসে ডেঙ্গুতে মারা গেছেন…

পূর্বের আদেশ বাতিল: কাটলো চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষা বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা

পূর্বের আদেশ বাতিল: কাটলো চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষা বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা

মেডিভয়েস রিপোর্ট: হাসপাতালে পাঁচজন চিকিৎসক না থাকলে চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার ছুটি না পাওয়া…

চিকিৎসায় নিয়োজিত থেকে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৯৪ চিকিৎসক

চিকিৎসায় নিয়োজিত থেকে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৯৪ চিকিৎসক

মেডিভয়েস রিপোর্ট: ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা ছাড়িয়ে…

আরো সংবাদ














জনপ্রিয় বিষয় সমূহ:

দুর্যোগ অধ্যাপক সায়েন্টিস্ট রিভিউ সাক্ষাৎকার মানসিক স্বাস্থ্য মেধাবী নিউরন বিএসএমএমইউ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢামেক গবেষণা ফার্মাসিউটিক্যালস স্বাস্থ্য অধিদপ্তর