ঢাকা      বৃহস্পতিবার ২২, অগাস্ট ২০১৯ - ৭, ভাদ্র, ১৪২৬ - হিজরী



শিবলী মাহমুদ

শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ


হাসপাতাল রিভিউ

ম্যাসাচুসেটস জেনারেল হসপিটাল

যুক্তরাষ্ট্রের কোন ম্যাপ হাতে নিয়ে যদি আপনি দক্ষিণে Beacon hill আর Cambridge street, পশ্চিমে Charles river, উত্তরে North Washington street, পূর্বে  ঘবি New Sudbery street   রখে একটা বিন্দু নির্দিষ্ট করেন, তাহলে নিশ্চিত করেই বলা যায়, আপনি ''West end', Massachusetts  এ আছেন।
আর, আরেকটু সময় আপনি দিতেই পারেন, ‘ম্যাসাচুয়েটস জেনারেল হসপিটাল’ সম্পর্কে জানতে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের ৩য় বৃহত্তম জেনারেল হসপিটাল। আর, এটি প্রতি বছর ৭৫০মিলিয়ন ডলারেরও বেশি গবেষণা বাজেট নিয়ে পরিচালিত, আমেরিকার সর্ববৃহৎ "হাসপাতাল ভিত্তিক গবেষণাকর্ম" কেন্দ্র।
সময়টা ১৮১১ সাল। বিখ্যাত আমেরিকান আর্কিটেক্ট "চার্লস বুলফিন্সে"র হাতে এই "ম্যাসাচুয়েটস জেনারেল হসপিটাল" প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ডার্মাটোলজি, গাইনী, মেডিসিন, প্যাথলজি, রেডিয়েশন অনকোলজি, অর্থোপেডিক্স সহ প্রত্যেক বিভাগের অভিজ্ঞ ডাক্তারমন্ডলী আপনার প্রত্যাশা পূরণের ক্ষমতা রাখে। "MUMPS" নামক বিশেষ প্রোগার্মিং ল্যাংগুয়েজ এবং ডাটাবেজ সিস্টেম ব্যবহার করে রোগীর তথ্যাদি সংরক্ষণের অসাধারণ আয়োজন, পুরো ব্যাপারটাকে অন্য এক মাত্রা দিয়েছে।
হাসপাতালের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা "ইথার গম্বুজ" স্বমহিমায় আজও ঘোষণা করে চলছে, ১৮৪৬ সালের ১৬ অক্টোবর 'উইলিয়াম মর্টন' নামক স্থানীয় একজন ডেন্টিস্টের এবং তাঁর ইথারকে প্রথম সার্জিক্যাল চেতনানাশক হিসাবে ব্যবহারের অবিস্মরণীয় ঘটনাকে।
৯০৭টি সীট বিশিষ্ট এ হাসপাতাল, প্রতি বছর প্রায় ৩৪০০০ এর মত সার্জিক্যাল অপারেশন সম্পন্ন করে। ৫৫, ফ্রুট স্ট্রিট, বোস্টনে অবস্থিত এ হাসপাতাল,  ট্রমা বা ক্ষত নিরাময় কেন্দ্র হিসাবে সুপরিচিত। ক্যান্সার, নিউরোসার্জারী সহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা, গরীব রোগীদের হাতের নাগালে এনে দেবার জন্যই এ হাসপাতালের পথচলা।
"৮০০-৭১১-৪৬৪৪" এই নাম্বারটি আপনি ব্যবহার করতে পারেন, আপনার সুবিধামত ডক্টরের সাথে এ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য।
ফেসবুকে আপডেট রাখতে পারেন,www.facebook.com/massgeneral  এই ঠিকানায়।
আর,অফিশিয়াল ওয়েবসাইট তো আছেই,www.massgeneral.org
শুধু কথার কথা নয়,আন্তরিকতা, সেবা আর নিষ্ঠা দিয়ে হাসপাতালটি প্রমাণ করেছে, তাদের লক্ষ্য আর উদ্দেশ্য নিয়ে বলা এই কথাগুলো ...
"We are committed to delivering standard-setting care in all clinical areas and to advancing that care by pioneering research and educating future health care professionals."
(দ্বিতীয় সংখ্যায় প্রকাশিথ)

সংবাদটি শেয়ার করুন:

 


আরো সংবাদ


































জনপ্রিয় বিষয় সমূহ:

দুর্যোগ অধ্যাপক সায়েন্টিস্ট রিভিউ সাক্ষাৎকার মানসিক স্বাস্থ্য মেধাবী নিউরন বিএসএমএমইউ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢামেক গবেষণা ফার্মাসিউটিক্যালস স্বাস্থ্য অধিদপ্তর