ঢাকা মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০১৯, ৭ কার্তিক ১৪২৬,    আপডেট ৩০ মিনিট আগে
ডা. আশরাফুল হক

ডা. আশরাফুল হক

মেডিকেল অফিসার,

এমআইএস, ডিজিএইচএস


০২ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯ ১১:২০

জিবিএস রোগ ও রোগীর চিকিৎসা

জিবিএস রোগ ও রোগীর চিকিৎসা

একসময়ে TPE অনেক করা লাগতো, সেই সময়ে দেখতাম কিছু রোগী খুব দ্রুত রেসপন্স করতো আবার কিছু রোগীর সময় লাগতো, জিবিএস রোগীর কথাই বলছি। জিবিএসের চারটা টাইপের মাঝে AIDP, AMSAN তে TPE রেজাল্ট খুবই ভালো পেতাম আমরা। একচেঞ্জ যে ফ্লুইড ব্যবহার করা হয়, তা একটি সাইকেলে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নানা ধাপে ব্যবহারের প্রয়োজন হয় কারন আর্থ সামাজিক বিবেচনায় আমরা সম্পূর্ণ রিপ্লেসমেন্ট করতে পারিনা এলবিউমিন দিয়ে।

সেই কাজ করতে গিয়ে খেয়াল করা গেলো রোগীর ফেলে দেওয়া প্লাজমা কালারের ভিন্নতা, এই ভিন্নতা দেখেই আনুমানিক ধারনা যায় আল্লাহ চাইলে কখন কি হতে পারে।

সাম্প্রতিক যে রোগীটি করলাম তিনি এসেছেন চট্টগ্রাম থেকে, Intubation করা অবস্হায়। তৃতীয় সাইকেল থেকে মেশিন নির্ভরতা নেই, লাইফ সাপোর্ট খুলে দেওয়ার অবস্থায় আছেন। এই ফেলে দেওয়া প্লাজমা নিয়ে একসময় কাজ করেছিলাম, তখন দেখেছিলাম প্রথম দিকে প্লাটিলেট লস কম থাকলেও শেষের দিকে বেড়ে যায়। জানতে পারিনি কেন। একাডেমিক ইন্সটিটিউটের বাইরে থাকায় এখন জানার সুযোগ নেই।

থ্যালাসেমিয়া রোগীদের আয়রন চিলেশন করার সময় ইউরিনের কালার বদল নিয়ে পাঁচটা গবেষণা পেয়েছিলাম পাবমেডে। গবেষণা করার অনেক অনেক জিনিস আশেপাশে ছড়িয়ে আছে, শুধু দরকার আগ্রহ এবং অনুপ্রেরনা। অনেকে করতে চাইলেও অনেক বাধা অতিক্রম করা সম্ভব হয়ে উঠেনা অনেক সময়ে।

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত